বিএমডিএর নতুন চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) সদ্য যোগদানকৃত চেয়ারম্যান ড. এম আসাদুজ্জামানকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। সোমবার (৭ অক্টোবর) বিকালে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ে বিএমডিএর আয়োজনে সদ্য যোগদানকৃত চেয়ারম্যানের আগমন উপলক্ষে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদ্য যোগদাকৃত চেয়ারম্যান ড. এম আসাদুজ্জামান। সভাপতিত্ব করেন বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক মো শফিকুল ইসলাম (অতিরিক্ত সচিব)।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুর রশীদ, মো. শামসুল হোদা, আবুল কাশেম ও মো. জাহাঙ্গীর আলম খান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ, মো. সমসের আলী, মো. শরীফুল হক, এটিএম মাহফুজুর রহমান, শিবির আহমেদ ও সুমন্ত কুমার বসাক, প্রকল্প পরিচালক রেজা মোহাম্মদ নূরে আলম, বিএমডিএ সচিব এনামুল কাদিরসহ বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তরের অন্যরা। অনুষ্ঠানের শুরুতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের েআত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়।
উল্লেখ্য, নব যোগদানকৃত চেয়ারম্যান ড. এম আসাদুজ্জামান ১৯৪৯ সালের ১ নভেম্বর বরেন্দ্র অঞ্চলের গোদাগাড়ীতে রন্তগর্ভা মায়ের সন্তান হিসেবে জন্ম নেন। বড় হয়েছেন প্রকৃতির রুক্ষতা আর বৈরিতা মোকাবিলা করে। ছোটবেলায় খুব কাছ থেকে দেখেছেন খরাপীড়িত আর দারিদ্র্যের কশাঘাতে নিষ্পেষিত এ অঞ্চলের মানুষগুলোকে জীবন-জীবিকার তাগিদে সংগ্রাম করতে। ছেলেবেলায় কৃষকের সাথে মাঠে কাজ করেছেন নিজেদের জমিতে।
১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত ম্যাকডোনাল্ড এ্যান্ড পার্টনারের কনসালটেন্ট হিসাবে বিএডিসিতে চাকুরী করেন। প্রকল্পের চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ায় ১৯৭৭ সালে বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী হিসাবে যাত্রা শুরু। সুযোগ হয় বাংলাদেশের ভূ-গর্ভস্থ ও ভূ-উপরিস্থ সেচ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা গভীরভাবে পর্যবেক্ষনের। দেশী বিদেশী বিশেষজ্ঞরা যখন মতামত দিয়েছিল রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্থ পানি তুলে সেচ প্রদান সম্ভব নয়। এমন মতামতের বিপক্ষে বিষয়টাকে চ্যালেঞ্জ হিসাবে নেন। পুরো বরেন্দ্র এলাকা ঘুরে কারিগরি তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের উপস্থাপন করে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ১৯৮২-৮৩ সালে কারিগরি তথ্য সমৃদ্ধ রিপোর্ট তৈরি করে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এরপর পক্ষে বিপক্ষে মতামত সুপারিশ আর তৎকালীন বিএডিসির কর্মকর্তাদের নিয়ে সিদ্ধান্ত হয় ডিপ-টিউবওয়েল বসানোর। ১৯৮৬ সালে প্রজেক্টের উন্নয়নমূলক কাজে ভূমিকা রাখার জন্য তাকে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসাবে পদোন্নতি দেয়া হয়। শুরু হয় বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষের কর্মযজ্ঞ। আসে একের পর এক সফলতা। ঠা ঠা বরেন্দ্র হিসাবে পরিচিত এক ফসলের জায়গায় তিন ফসল উৎপন্ন হয়। সবুজে ভরে যায় চারিদিক। বৃহত্তর রাজশাহী থেকে রংপুর জেলা পর্যন্ত পুরো উত্তরাঞ্চল-জুড়ে চলে বরেন্দ্র প্রকল্পের কর্মকান্ড বিস্তৃত হয়। বরেন্দ্রের প্রান পুরুষ খ্যাত আসাদুজ্জামান চেয়ারম্যান হিসাবে আসার খবরে উল্লসিত বরেন্দ্রের সাধারণ মানুষ। আসাদুজ্জামান'র বড় ভাই বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক, আরেক ভাই সাবেক সেনা কর্মকর্তা, আরেক ভাই পুলিশের সাবেক বড় কর্তা। ছোট ভাই ডাক্তার। এ কারনেই তার মাতা রত্নগর্ভা হিসাবে ভূষিত হয়েছিলেন।
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদ্য যোগদানকৃত চেয়ারম্যান ড.এম আসাদুজ্জামান এর আগমন উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আলোচনা শেষে বিএমডিএর সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্রেস্ট তুলেদেন প্রধান অতিথির হাতে।
T.A.S / জামান
রৌমারীতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী মাদক মামলায় গ্রেফতার
পঞ্চগড়ে শিল্প ব্যক্তিদের সাথে স্থানীয় পণ্য ব্র্যান্ডিং এবং বিপণন বিষয়ক কর্মশালা
গোপালগঞ্জকে এগিয়ে নিতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে - সাংসদ কে.এম বাবর
ফুলদী নদীর ওপর সেতু নির্মাণে সরকারের আন্তরিকতার কমতি নেই: প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ
ইমুতে প্রেম, মোবাইলে বিয়ে, ভিসা ছাড়াই ভারতে স্বামীর কাছে যেতে গিয়ে শিশুসহ নারী আটক
হোমনায় মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ করায় সাংবাদিকের উপর হামলা
ঈদ সামনে রেখে চান্দাইকোনা পশুর হাটে কঠোর নজরদারি, মাঠে পুলিশ ও র্যাব
মনোহরদীর রামপুরে বালু উত্তোলনের দায়ে দুইজনকে কারাদণ্ড
ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজারহাটে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট, অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ
যশোর-খুলনা মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে মা-ছেলেসহ নিহত-৪
জুড়ীর সীমান্তে ৫২ বিজিবির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
পটুয়াখালীতে প্রধান শিক্ষকের অবসর প্রস্তুতির কাগজ নিয়ে হাজির হলেন ডিপিইও বিদায় অনুষ্ঠানে