ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬

পাবনার বাজারে ক্রেতারা দিশাহারা


এম মাহফুজ আলম, পাবনা photo এম মাহফুজ আলম, পাবনা
প্রকাশিত: ১৪-১০-২০২৪ বিকাল ৫:৫৬

পাবনা অঞ্চলে দফায় দফায় টানা অতিবর্ষণের ফলে সর্বত্র সব ধরনের সবজির আবাদ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাজারে লাগামহীনভাবে বেড়েছে সবজির দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ২৫-৩০ টাকা। সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে সবজির বাজার। এদিকে কাঁচামরিচের দাম হয়েছে দ্বিগুণ। যে কাঁচামরিচ ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছিল, তা এখন ৪০০ টাকার বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ২০০ টাকা । লাগামহীনভাবে কাঁচা সবজির দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) পাবনার বড় বাজার ঘুরে দেখো গেছে, বেগুন ৯০ থেকে ১০০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, করলা ১২০, উচ্ছে ৮০ টাকা, পাকা কুমড়া ৬০ টাকা, চিঙ্গিগা ৭০ টাকা, ঝিঙে ৮০ টাকা, কাকরোল ৮০ টাকা, লাউ প্রতিটি আকারভেদে ৭০ থেকে ৯০ টাকা, পুঁইশাক প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, কচুর লতি ১২০ টাকা, পেঁপে ৬০ টাকা ,কাঁচাকলা ১ হালি ৪০ টাকা,  টেঁড়স প্রতি কেজি ৮০ টাকা, শিম প্রতি কেজি ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজার করতে আসা শিক্ষক আবুল কালাম ওরফে মাসুম স্যার বলেন, আমি সামান্য বেতনে একটি কেজি স্কুলের শিক্ষক। বর্তমানে সবজির দাম অত্যধিক বৃদ্ধিতে বিপাকে আছি। প্রতিটি সবজি কেজিতে বেড়েছে ২৫-৩০ টাকা । ১০০‘র কাছাকাছি সবজির দাম। এখন বাজার নিয়ন্ত্রণ কার হাতে আমরা জানি না। তবে এভাবে চললে আমাদের বেঁচে থাকা খুবই কঠিন হয়ে পড়বে।

রিকসাচালক রিপন আলী বলেন, সারাদিন রিকসা চালিয়ে মালিককে ৪০০ টাকা দিই। তারপর হাতে  ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা থাকে। বাজার করতে প্রতিদিনই প্রায় সব টাকা চলে যায়। তাহলে আমাদের চলবে কেমন করে? সংসারে মোট ৫ সদস্য। তাদের ভরণ-পোষণ চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। এভাবে দিন দিন সবজির দাম বাড়লে আমরা বাঁচব না।

পাবনা সদরের নারায়ণপুর এলাকার কৃষক জহুরুল ইসলাম বলেন, আমর সবজি ও মরিচের ক্ষেত টানা বর্ষণের ফলে অধিকাংশ তলিয়ে গেছে। ক্ষেতের বেগুন ও লাউ বিক্রি করে গত সপ্তাহে ভালো দাম পেয়েছিলাম। কিন্তু অব্যাহত বর্ষণের ফলে ক্ষেতের সবজি তুলতে পারছি না। মরিচের ক্ষেতে হাঁটুপানি। অনেক মরিচ গাছ পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। বর্ষণের ফলে আমার অনেক ক্ষতি হয়েছে। টানা বর্ষণের ফলে আমার বেগুনের ক্ষেতও নষ্ট হয়ে গেছে। তাছাড়া এক বিঘা পেঁপে গাছের গোড়ায় পানি জমে ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। এবার বৃষ্টি না হলে সবজিতে ভালো দাম পেতাম কিন্তু অব্যাহতভাবে বর্ষণের ফলে বেগুন ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। 

ঈশ্বরদী উপজেলার শিম চাষি আবুল হাসেম বলেন, আমার দেড় বিঘা শিমের ক্ষেত পুরোটায় পানিতে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আমি দিশাহারা হয়ে পড়েছি।  

ব্যবসায়ীরা বলছেন, টানা বর্ষণের ফলে পাবনা অঞ্চলে কৃষকের সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় বাজারে সবজির আমদানি একেবারেই নেই বললে চলে। তাই চড়া দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এখন সবজির তীব্র সংকট থাকার কারণে এ দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাভাবিক বলে ব্যবসায়ীদের অভিমত।

পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের দপ্তরের সূত্রমতে, এবার জেলায় ১ হাজার ৮২৮ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের সবজির আবাদ হয়েছে। তবে অতিবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় কৃষকরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

T.A.S / জামান

শ্যামনগরে নূরনগর মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৫০ পরিবারে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

নপুরায় ভিক্ষার টাকায় চলে জীবন: সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় পরিবারের পাশে যুব রেড ক্রিসেন্ট

বাম্পার ফলনেও হাসি নেই, ন্যায্য দাম না পেয়ে বিপাকে বকশীগঞ্জের আলুচাষি

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে আড়াই কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

গাজীপুরে সার সংক্রান্ত নীতিমালা সংশোধনের দাবিতে মানববন্ধন

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে আড়াই কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

ঈশ্বরদীতে এক মাদকসেবীর অপ্রত্যাশিত মাদকবিরোধী প্রচারণায়চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে

গাজীপুরে সার সংক্রান্ত নীতিমালা সংশোধনের দাবিতে মানববন্ধন

মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের দোকান ভাড়ার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: তোপের মুখে জেলা কমান্ডার মাহফুজ

ধামরাইয়ে পাঁচ ইটভাটায় ২৪ লাখ টাকা জরিমানা, গুঁড়িয়ে দেয়া হলো চিমনি

তারাগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রায় ২ লাখ টাকার টাপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেফতার

ঠাকুরগাঁওয়ে খালে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু