মিরপুরে মূর্তিমান আতঙ্কের নাম এসআই নুরুল আলম
গত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার আন্দোলন তোপের মুখে দেশ ছাড়তে বাধ্য হোন স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার ।হাসিনার দেশত্যাগের পর একে একে বের হয়ে আসে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ এর এমপি মন্ত্রী ও অসৎ পুলিশ কর্মকর্তাদের নাম। এরই মধ্য পুলিশে সাবেক দুই আইজিপি ও সাবেক ডিসি মশিউর সহ বেশ কয়েকজন ওসি আবুল হাসান ও মাজহারুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে রয়েছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের হত্যার মামলার আসামী হয়ে।
সাম্প্রতিক সময়ে অভিযোগ উঠেছে ডিএমপি দারুল সালাম থানার সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা এসআই নুর আলমের বিরুদ্ধে।টাকার বিনিময়ে নুর আলম ভিন্ন মতাদর্শের রাজনীতি করা ছাত্র ও যুবকদের ধরে নিয়ে এসে মোটা অংকের টাকা দাবী করতেন ও টাকা না দিলে বিএনপি জামায়াতের ট্যাগ লাগিয়ে জ্বালাও পোড়াও মামলা দিতেন তিনি।
মিরপুরে স্থানীয় কিছু লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায় দারুল সালাম থানা এলাকার আতংকের নাম এসআই নুর আলম ।তার কথা না শুনলে মাদক সহ বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করতো স্থানীয়দের ।
থানার পাশে দুইজন দোকানদার কাছে এসআই নুর আলমের বিষয় জানতে চাইলে তারা বলেন,নুরুল আলমের মতো এমন খারাপ পুলিশ অফিসার আমাদের জীবনে দেখিনি, ফুটপাত থেকে শুরু করে অটোরিকশা সব জায়গা থেকে চাঁদা নেন। মিরপুর ১ টোলারবাগের এক জেন্টস পার্লার ব্যবসায়ী বলেন এস আই নুর আলমের টাকার দরকার হলেই বোধহয় আমাকে ধরতে আসতো,আমাকে যে কতটা হয়রানি মানুষিক নির্যাতন করেছে সেটা আমি বলে বোঝাতে পারবোনা। আমি সহ আমাদের আশপাশের অনেক দোকানদার এস আই নুর আলম আসলেই আমরা কিছু টাকা রেখে দিতাম হয়রানির হাত থেকে বাচার জন্য। তিনি চাঁদা না দিলে থানায় নিয়ে বেধর মারধর করতেন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও করতেন তিনি।
সুধু তাই নয় থানা এলাকায় তার ব্যক্তিগত বাহিনী দিয়ে এলাকার প্রভাবশালীদের ছেলেদের নিয়ে চালানো হতো নির্মম নির্যাতন। চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিতে না পারলে জোর করে নেওয়া হতো মোবাইল অনেকে পরে টাকা দিয়ে মোবাইল ছাড়িয়ে নিতো তার কাছ হতে
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকায় তিনি আমাকে মাদক দিয়ে আমার কাছে ৩ লাখ টাকা দাবি করেন, আমি টাকা দিতে পারিনি বিধায় আমাকে জেল হাজতে পাঠান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খালেক পাম্পের একজন বলেন আমি পাম্পের পাশে দাড়িয়ে ছিলাম, এস আই নূর আলম এসে আমাকে বলেন তুই যদি আমাকে ৫ লাখ টাকা না দিস তাহলে তোকে মাদক/বিএনপির মামলা দিয়ে ফাসিয়ে দিব। পরে আমাকে বিএনপির মামলায় ফাসিয়ে দেয়। আমি উক্ত মামলায় ৪ মাস কারাবরণ শেষে জামিনে মুক্ত হই।
তিনি থানা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব্য কায়েম করছেন ।সে মিরপুর এলাকায় দাবাং নামে পরিচিত। অনেকে তার সোর্স হিসেবে কাজ করে। মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভিন্ন সময় মানুষকে হয়রানি করেন তার সোর্সরা। ছাএজীনে সে ছাএলীগ করেছে এবং বিএনপি পিটিয়েই সে পুলিশ হয়েছে, সব জায়গাতেই সে এবং তার পরিবার আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত এটা বলতেন। এখন তার বোল পাল্টেছে সে এবং তার পরিবার নাকি বিএনপির রাজনীতির সাথে জরিত। খোজ নিয়ে জানা গিয়েছে ঢাকায় মিরপুরে আলিশান ফ্লাটে থাকেন, তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুরেও রয়েছে তার অনেক সম্পত্তি। সিনিয়র এবং উর্ধতনদের কাছে তিনি ভোলাভালা বোকাসোকা হিসেবে পরিচয় দিতেন।
এই বিষয়ে নুরুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন । পুলিশ এত খারাপ নয় তাহলে তারা সাধারণ মানুষের সাথে মিলে মিশে চলতে পারতো না । আপনারা সঠিক তদন্ত করে দেখবেন আশা করি । যারা এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে তারা কি লাভ পাচ্ছে জানিনা ।
এমএসএম / এমএসএম
রামপুরায় দিয়ামনি-ই কমিউনিকেশনের ৩দিন ব্যাপী উদ্যোক্তা স্টল ফ্রি মেলা সম্পন্ন
পদ্মা অয়েল পিএলসিতে ৯ কর্মকর্তাকে স্থায়ীকরণ
রামিসা, আছিয়াসহ সকল ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শরীয়াহ আইনে দ্রুত বিচার করতে হবে: শেখ ফজলে বারী মাসউদ
হামলা-মামলা ও নির্যাতন পেরিয়ে মহানগর উত্তর যুবদলের শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনায় আমিনুল হক হিমেল
মৃত শিশু গৃহকর্মী নিয়ে মিরপুর থেকে উত্তরার হাসপাতালে যাওয়া দম্পতি আটক
ঢাকা অভিজাত বনানীতে অবৈধ শিশাবারে অভিযান শিশা ও মদ জব্দ
রাজধানীর তুরাগে নাশকতার পরিকল্পনাকালে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতাসহ গ্রেফতার ৩
চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে নিটোরে ড্যাবের মানববন্ধন
সরকারি জমি দখলকারীদের ছাড় নয়’, ডিসি ফরিদাকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প দ্রুত বাসযোগ্য করার উদ্যোগ: রাজউক কর্মকর্তাদের পরিদর্শন
নতুনধারা উদ্যোক্তা পুরস্কার পেল ৯ ব্যবসায়ী
জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের অবৈধ সিন্ডিকেটের হোতা আলমগীর হুছাইন এর বদলী