ঢাকা শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

পাইকগাছায় কাঠের চুল্লিতে বায়ু দূষণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয়রা


শেখ সেকেন্দার আলী, পাইকগাছা  photo শেখ সেকেন্দার আলী, পাইকগাছা
প্রকাশিত: ৮-১-২০২৫ দুপুর ৪:৬

খুলনার পাইকগাছায় সরকারের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে উপজেলার অধিকাংশ ইট ভাটায় কয়লার সাথে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ, তুষকাঠ ও টায়ার পোড়ানে কালি। সেই সাথে কৃষিজমি ও নদী থেকে কাটা হচ্ছে মাটি। কোন কোন মালিকের কথা জরিমানার টাকা দিলেই সবকিছুই বৈধ। ভাটায় কয়লার সাথে কাঠ, তুষকাঠ ও টায়ার পোড়ানে কালি ব্যবহার করে ইট পোড়ানোর ফলে বায়ু দূষনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুকির সম্মুখিন হচ্ছে স্থানীয়রা। এছাড়া অবাধে কাঠ পোড়ানোর কারণে একদিকে যেমন বৃক্ষ নিধন হচ্ছে, তেমনি ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়াপত্র ও সরকারি লাইসেন্স ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে চলছে এসব ইটভাট।
অবৈধ ইটভাটা বন্ধে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকলেও পাইকগাছায় নির্দেশনা মানছে না কেউ। 
উপজেলার চাঁদখালী, গদাইপুর, রাড়ুলী ও হরিঢালীতে ১৫ টি ইটভাটা কৃষিজমিতে অবস্থিত যার প্রায় সবগুলোই জনবসতি এলাকায় প্রতিষ্ঠিত। নিষিদ্ধ জায়গা যেমন কৃষিজমি ও নদীর চর থেকে কাটা হচ্ছে মাটি। ভাটায় বসানো হয়েছে করাত কল। বেশিরভাগ ভাটার নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও লাইসেন্স। এদিকে ধোয়ার কুন্ডুলিতে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। নীতিমালা অনুযায়ী কোন প্রতিষ্ঠান থেকে ১ কিলোমিটার দুরত্বে ও বনাঞ্চল থেকে ২ কিলোমিটার দুরত্বে ভাটা স্থাপনের কথা। কিন্তু এসব নীতিমালা সর্বক্ষেত্রে উপেক্ষিত। প্রায় প্রত্যেকটি ইটের ভাটার পাশে সরকারী প্রতিষ্ঠান, স্কুল,কলেজ, হাট বাজার ও ব্যস্ততম সড়ক অবস্থিত। পাইগাছায় স্থাপিত ভাটাগুলো হলো হরিঢালীর মাহবুবুর রহমান রঞ্জুর দুটি ইট ভাটা। যমুনা ব্রিকস ১ ও ২, গদাইপুর মুজিবুর রহমানদের যৌথ ফাইভ ষ্টার, ফতেমা রহমানের এফএফবি, চাঁদখালীর নাজমুল হুদা মিথুনের এসএমবি, মহিউদ্দিন খানের বিএকে, বাদশা খানের খান ব্রিকস, মুনছুর গাজীর এস এম ব্রিকস, আব্দুল হালিমের স্টার ব্রিকস, আব্দুল মান্নান গাজীর বিবিএম ব্রিকস, আব্দুল জলিলের এডিবি ব্রিকস, শহাজাদা ইলিয়াসের এমএসবি ব্রিকস, সিরাজুল ইসলামের এসবিএম ব্রিকস, শফিকুল ইসলামের এমবিএম ব্রিকস, রাড়ুলী ইউনিয়নের মিনারুল ইসলাম ও ডালিম সরদারের ইটের ভাটা। জানা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা নির্বাহী আদালতের উদ্যোগে প্রতিবছর ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করা হয়। তাতে ভাটা মালিকরা খুশি কারণ এ দিয়েই বৈধতা পাচ্ছে তারা । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভাটা মালিক জানায়, কিছু জরিমানার টাকা দিলেই আর কোন সমাস্যা থাকেনা। এ কারণে সে টাকা আগে থেকেই রেডি করে ভাটার কাজ শুরু করে। ভাটা মালিক মিঠু জানান, তিন বছর যাবৎ পরিবেশের কোন ছাড়পত্র পায়নি, লাইসেন্স নেই, তবে সরকার আমাদের কাছ থেকে আয়কর ও ভ্যাট আদায় করছে। এরপরও কয়েকবার আমাদেরকে জরিমানা করা হয়েছে।
খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম বলেন, অতি দ্রুত অবৈধ ইটভাটা ও চুল্লির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এমএসএম / এমএসএম

হরিপুরে বিষাক্ত সাপের কামড়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু

কাপ্তাইয়ে অসুস্থ রোগীর পাশে দাঁড়ালেন বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থার দেবতাছড়ি-রৈস্যাবিলি অঞ্চল কমিটি

বারহাট্টায় কাল্‌ব এর ১৫ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

সলঙ্গায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে আবারও চলছে আল -আমীন সামিদুলের চোরাই সিন্ডিকেটসহ ইয়াবা ব্যবসা

মোহনগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের ‘গড়িমসি’

হাটিকুমরুলে মেডিপ্যাথ স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধন

শেরপুরে ৩৩ হাজার ১০০ কেজি সরকারি চাল জব্দ: আটক ১

জাতীয় পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষা পদক পেলেন রাজারহাট উপজেলার সন্তান তাহসিন আবরার জারিফ

নাঙ্গলকোটে ব্র্যাক ও সেলফের উদ্যোগে কিশোরীদের মাঝে হাঁস মুরগী ও নদগ অর্থ বিতরণ

রায়গঞ্জে ছয় বছরেও চালু হয়নি ২৬ কোটি টাকার পানি সরবরাহ প্রকল্প, সেবা বঞ্চিত ৭'শ গ্রাহক

জুড়ীতে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা: স্বামী গ্রেফতার

সংখ্যালঘু পরিবার নির্যাতনের অভিযোগে কালিগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ককে শোকজ

কুতুবদিয়া ‎ইউএনওর ইমামতিতে জুমার নামাজ, মুসল্লীদের মাঝে ইতিবাচক সাড়া