উদ্বোধনের অপেক্ষায় যমুনা রেলসেতু
যমুনা সেতুর ৩০০ মিটার অদূরে দেশের দীর্ঘতম নির্মাণাধীন রেলসেতুতে সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার গতিতে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল সম্পন্ন হয়েছে। এই রেল সেতু দিয়ে বিরতিহীনভাবে কমপক্ষে ৮৮টি ট্রেন দ্রুতগতিতে সেতু পারাপার হতে পারবে। এতে সেতু পারাপারে ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় বেচে যাবে। এদিকে রেলসেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচলের রিপোর্ট ভালো হলে খুব শিগগিরই বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে দেয়া হবে।
ডাবল লাইনের যমুনা রেলওয়ে সেতুতে টানা দুইদিন সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার গতিতে চলাচল করছে ট্রেন। এতে সর্বোচ্চ গতিতে ট্রেন মাত্র ২ মিনিট ৫৬ সেকেন্ডে ৪.৮ কিলোমিটার রেল সেতুটি পার হয়।
এর আগে গত বছরের ২৬ নভেম্বর ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটার থেকে সর্বোচ ৪০ কিলোমিটার গতিতে সেতুতে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলানো হয়েছিল।
গত রবিবার ও সোমবার ৪০ কিলোমিটার থেকে শুরু করে ধাপে ধাপে ১২০ কিলোমিটার গতিতে যমুনা পূর্ব পাড় থেকে পশ্চিম পাড়ে এবং পশ্চিম পাড় থেকে পুনরায় আবার পূর্ব পাড়ে চলে আসে ট্রেন।
পর্যবেক্ষণকালে ট্রেনটি ১২০ কিলোমিটার গতিবেগে ছুটেছিল। পরে পশ্চিম পাড়ের সায়দাবাদে ২০ মিনিট অবস্থানের পর থেকে পুনরায় ট্রেনটি সেতু-পূর্বপাড়ে চলে আসে।
সেতুটির চূড়ান্ত পর্যবেক্ষণে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এ সময় বাংলাদেশে রেলওয়ের গভর্মেন্টের ইনস্পেক্টর ফরিদ আহমেদ, সেতুর প্রকল্প পরিচালক আল ফাত্তাহ মাসুদুর রহমান ও প্রজেক্ট ম্যানেজার মাক হ্যাভিসহ দেশি-বিদেশি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে রেল সেতুতে দীর্ঘদিন কাজ করার পর নিজের চোখে সেতু দিয়ে পূর্ণ গতিতে ট্রেন চলাচল দেখে খুশি সেতুটির নির্মাণ শ্রমিকরা। সেই সাথে এত বড় প্রকল্পের কাজ করতে পেরে নিজেদেরকে গর্বিত মনে করছেন তারা।
এ বিষয়ে যমুনা রেল সেতু প্রকল্প পরিচালক আল ফাত্তাহ মো. মাসুদুর রহমান জানান, সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার গতিতে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল সম্পন্ন হয়েছে । তিনি আরও জানান, দুদিন পরীক্ষামূলক ট্রায়াল ট্রেন চলাচল সম্পন্ন হওয়ার সেই রিপোর্ট রেল মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর রেল মন্ত্রণালয় উদ্বোধনের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। তবে আশা করছি সবকিছু ঠিক থাকলে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি অথবা শেষের দিকে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচলের জন্য সেতুটি উদ্বোধন করা হবে।
এ ব্যাপারে জেনারেল ইন্সপেক্টর অব বাংলাদেশ রেলওয়ে ফরিদ আহম্মেদ বলেন, ট্রেন চলাচলের জন্য পরীক্ষামূলক পরিদর্শন ও কিছু টেস্ট করা হয়েছে এবং কিছু কাজ বাকি রয়েছে। সকল কিছু সম্পূর্ণ হলে বাণিজ্যিকভাবে দ্রুত ট্রেন চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে দেয়া হবে।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২১ মার্চ সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। যমুনা নদীর উপর নির্মিত ৪.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেল সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৬ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা। জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে।
এমএসএম / এমএসএম
বুধবার কুড়িগ্রাম আসছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান
মৌলভীবাজারে আনসার–ভিডিপির নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
ভূঞাপুরে কুরআনের পাখিদের ক্রীড়া উৎসব ও পুরস্কার বিতরণ
নেছারাবাদে দাড়িপাল্লার পক্ষে জনসভা, ‘দেশ সংস্কারে হ্যাঁ ভোট’ চাইলেন শামীম সাঈদী
কাপাসিয়ায় বিএনপি প্রার্থীকে এনপিপি প্রার্থীর পূর্ণ সমর্থন
অবশেষে রেলগেটের উচু-নিচু সড়কটি মেরামত হলো কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস রাণীনগর বাসীর
শ্রমিক দলের উদ্যোগে শ্রীমঙ্গলে নির্বাচনী জনসভা
রাজস্থলীতে বন্যহাতির ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে সরকারি অনুদানের নগদচেক বিতরণ
মোহনগঞ্জে ধনু নদীর পাড় দখলমুক্ত, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
সুন্দরবনে ঝিনুক ও শামুক পাচারকালে ট্রাকসহ ৭ হাজার ৫০০ কেজি মাল জব্দ
মুরাদনগরে নির্বাচনী মাঠে উত্তাপ, প্রচারণায় মুখর পুরো উপজেলা
কালকিনিতে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল