ঢাকা বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

ভর্তির তারিখ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই চিন্তার ছাপ পড়ছে মেডিক্যালে চান্স পাওয়া পাবনার শিক্ষার্থী মেঘলার


এম মাহফুজ আলম, পাবনা photo এম মাহফুজ আলম, পাবনা
প্রকাশিত: ৩০-১-২০২৫ বিকাল ৫:১

ভর্তির তারিখ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই চিন্তার ছাপ পড়ছে পাবনায় মেডিক্যাল চান্স পাওয়া শিক্ষার্থী মেঘলার। দিনমজুর বাবা আর অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালানো মায়ের একমাত্র মেধাবী সন্তান মেঘলা খাতুন(১৯)। তারপরেও চরম দারিদ্রতা আর অভাব কোনটাই মেঘলাকে দমাতে পারেনি তার মেধা বিকাশে। 
মেঘলা এবারের মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজে চান্স পেয়েছে। কিন্তু চান্স পেয়েও তার মুখে হাসি নেই। শুধু চিন্তা  ভর্তির এত টাকা কি করে জোগাবে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারী মেঘলার ভর্তির তারিখ। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে মেঘলা ও তার পরিবারের চোখে মুখে চিন্তার ছাপ যেন বাড়ছে। সরকার ও বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করছেন মেঘলা ও তার বাবা মা।
পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা ইউনিয়নের মৌগ্রাম মহল্লার দিনমজুর কৃষক হাসমত মির্জা ও গৃহকর্মী মোছাঃ চায়না খাতুনের একমাত্র মেয়ে মেঘলা খাতুন। চরম দারিদ্রতার কষাঘাতের মধ্যে দিয়ে মেঘলার বেড়ে উঠা। ভালো জামাকাপড়, বই খাতা কলম দূরে থাকুক; দিন মজুর বাবা ও মা ঠিকমত দু’বেলা খাওয়ার যোগান দিতেই হিমশিম খাচ্ছিলেন দরিদ্র বাবা মা । তারপরও অন্যের বই খাতা ও শিক্ষকদের সহযোগিতা নিয়ে মেঘলা মেধার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এবার দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। তার এই সাফল্যে আনন্দিত আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসি। কিন্তু হাসি নেই মেঘলা ও তার বাবা মায়ের। ভর্তির টাকার চিন্তাতে তাদের খুশি ম্লান হতে বসেছে। 
মাত্র টিনের একচালা একটি জীর্ণশীর্ণ ঘর মেঘলাদের। ওই ঘরেই একপাশে বাবা মা অন্যপাশে থাকে মেঘলা। নেই কোনো পড়ার চেয়ার টেবিল। তারপরও এতবড় সাফল্য।
সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মেঘলা জানায়, সে পড়ার বাইরে কখনই কিছু ভাবতো না। সব সময় বই নিয়েই বসে থাকতো। তার দারিদ্রতা ও পরিবারের অবস্থা দেখে শিক্ষকেরা তাকে বিনা বেতনে প্রাইভেট পড়াতেন। এজন্য সে তাদের কাছে ঋণী। ছোটবেলা থেকে তার ইচ্ছাই ছিল বড় হয়ে ডাক্তার হবে। সৃষ্টিকর্তা তার আশা পূরণ করেছেন। সে ভবিষ্যতে ডাক্তার হয়ে গরীব অসহায়দের বিনা পয়সায় চিকিৎসা সেবা দিবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
 মেঘলার বাবা মা বলেন, খুব কষ্টের মধ্যে দিয়ে তার মেয়েকে পড়াচ্ছেন। কখনই তারা মেয়ের সখ আবদার পূরণ করতে পারেননি। অন্যের বাড়িতে দিন মজুর খেটে কোনো মতে সংসার চালিয়ে মেয়েকে মেসের খরচ দিতেন। অনেক সময় দিতেও পারতেন না। তারপরও মেয়ে ভালো এবং বুঝমান হওয়ায় কখনই তাদের উপর চাপ দিত না। মেয়ে ডাক্তারি চান্স পেয়েছে। এতে তারা খুশি। কিন্তু আগামী ৪ তারিখে ভর্তির এত টাকা কই পাবো এই চিন্তায় তো ঘুম আসছে না। সরকার ও সমাজের বিত্তবানেরা যদি তার মেয়ের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তাহলে শান্তি পেতেন। এজন্য তার মোবাইল নম্বরটাও দিয়েছেন সবার জন্য ০১৮৯৩২৭১৩৫৩।
এলাকাবাসিরা জানান, মেঘলার সাফল্যে তারা খুশি। ছোট বেলা থেকেই মেঘলা মেধাবী, ধার্মিক ও সৎ চরিত্রবান। সে আরো অনেক সফলতা অর্জন করুক এটা তারা কামনা করেন। কিন্তু ওর বাবা মার আর্থিক অবস্থা খুবই করুণ তাই সবাইকে মেঘলার ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে আসার আহবানও জানান তারা।

এমএসএম / এমএসএম

শিক্ষার্থীদের যৌন হেনস্থার অভিযোগ: সপ্তাহ ধরে পলাতক প্রধান শিক্ষক

দুর্নীতিমুক্ত হাটিকুমরুল ইউনিয়ন গড়তে চান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী উজ্জ্বল

ভাত না খেয়ে ১৩ বছরে কিশোর বাঁধন

বড়লেখায় জাতীয় ভিটামিন 'এ প্লাস' ক্যাম্পেইনে টিকা পাবে ৩২ হাজার শিশু

বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সন্দ্বীপে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

গ্রেপ্তারের একদিন পর কারাগারে সাতকানিয়ার এক যুবলীগ নেতার মৃত্যু

পেকুয়ায় উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

নগরকান্দার তালমা ইউনিয়ন পরিষদে উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

টাঙ্গাইলের কৃষক কবির হোসেনের দাফন সম্পন্ন

পেকুয়ায় স্বপ্নসারথি কিশোরীদের স্বাবলম্বী করতে ব্র্যাকের উদ্যোগে বিনামূল্যে হাঁস-মুরগি বিতরণ ও প্রশিক্ষণ

পত্নীতলায় অযোগ্য পণ্য ধংস করলো কাস্টমস

রাতের আঁধারে ধোপাজান নদীর বালি-পাথর লুট, পুলিশের অভিযানে ট্রলি-ট্রাকসহ আটক ২

প্রবাসীদের নিয়ে মানবিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংঘটন "নয় বাড়ীয়া ফোরাম"র নতুন কমিটি ঘোষণা