বাঘায় অসহায় বিধবার টাকা ফেরত পেতে থানার শরণাপন্ন
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় পাওনা টাকা ফেরত পেতে অসহায় বিধবা জাহানারা (৬০) নামে মহিলা থানার শরণাপন্ন হয়েছেন। সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) তিনি এ ব্যাপারে বাঘা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভুক্তভোগী বিধবা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের হরিণা গ্রামের মৃত আফতাব আলীর স্ত্রী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আফতাব আলী হরিণা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিছন্নকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিদ্যালয়সংলগ্ন পূর্ব পার্শ্বে তার বসবাস অন্যের জায়গায়। বিদ্যালয়ের গেটের পাশে ছিল একটি ছোট দোকান। চাকরির পাশাপাশি তিনি দোকান ব্যবসা করতেন। ব্যবসা সূত্রে পার্শ্ববর্তী সোনাদহ গ্রামের কছিম উদ্দিনের ছেলে কাঠ ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিগত চার বছর আগে আফতাব চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। অবসরকালীন ভাতা হিসেবে তিনি একসাথে ৩ লোখ টাকা পান। বিষয়টি কাঠ ব্যবসায়ী মান্নান জানতে পেরে আফতাবকে ভুল বুঝিয়ে ব্যবসার লভ্যাংশ দেয়ার শর্তে ৩ মাস মেয়াদে ৩ জন সাক্ষীর উপস্থিতিতে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নেন। কিন্তু বিধি বাম, টাকা লেনদেন হওয়ার কিছুদিনের মধ্যে আফতাব মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ৩ মাস হাসপাতালে চিকৎসা গ্রহণের পর তিনি তার নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন।
আফতাবের স্ত্রী জাহানারা বলেন, স্বামীর মৃত্যুর পর আমি পাওনা টাকা কাঠ ব্যবসায়ী মান্নানের কাছে চাইতে গেলে ৬ মাসের সময় নেন। কিন্তু ৬ মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও তিনি টাকা না দিয়ে টালবাহানা করে দেব-দিচ্ছি করে ৪ বছর অতিক্রম করেছেন। সর্বশেষ গত মৌসুমের আম বিক্রি করে টাকা দিতে চেয়েছিলেন। তাই আমি গত ১০ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ১০টার সময় তার বাড়ি টাকা চাইতে গেলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং পুনরায় টাকা চাইতে গেলে মারধর করবে নবলে হুমকি দেন। এছাড়াও আর কখনো টাকা দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। তাই আমি কোনো উপায় না পেয়ে টাকা উদ্ধারের জন্য থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।
অভিযোগে উল্লিখিত ১, ২ ও ৩নং প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী একই গ্রামের মৃত আলাউদ্দিন সরকারের ছেলে কামাল উদ্দিন (পোস্ট মাস্টার), রেকাত প্রা. -এর ছেলে জালাল উদ্দীন, মিন্টু আলীর স্ত্রী নূরী বেগম বলেন, আফতাব ও মান্নানের মধ্যে টাকা লেনদেনের সময় আমারা উপস্থিত ছিলাম এবং আমাদের সামনেই আফতাব ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা মান্নানকে দিয়েছিলেন।
এ ব্যাপারে মান্নানকে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি বলেন, আমার কাছে কেউ কোনো টাকা পাবে না। আমিই আফতাবের কাছে ৩০ হাজার টাকা পাব। আপনি কে সাংবাদিক? আমার ভাতিজাও সাংবাদিক, সব সময় হাসিনার কাছে থাকে। টাকা আমিই পাব তার কাছে।
স্থানীয়রা জানান, তাদের কোনো ছেলে না থাকায় আফতাব মারা যাওয়ার পর তার স্ত্রী খুবই অসহায় হয়ে পড়েন। তাদের নিজের জমি না থাকায় ইউপি সদস্যের সহযোগিতায় অন্যের জমিতে একটি ছোট ঘর করে স্বামীর রেখে যাওয়া শেষ সম্বল ছোট্ট দোকানটিকে আঁকড়ে ধরে তিনি থাকেন সেই কুঁড়েঘরে।
বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এমএসএম / জামান
শ্রীমঙ্গলে শ্রীশ্রী প্রভু জগদ্বন্ধু আশ্রম ও মিশন পরিদর্শনে ভারতের সহকারী হাই-কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস
৩১৫ কেজি পলিথিন জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা
মাদকসেবনের দায়ে যুবকের জেল-জরিমানা
সমবায়ের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান, কাউনিয়ায় বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত
রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়া সঙ্গীত নিকেতন এর বার্ষিক সঙ্গীত সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
শিবচরের পাঁচ্চর বাজারে অভিযান, ১৬ হাজার টাকা জরিমানা
মাদারীপুরে ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেফতার
রাণীশংকৈলে ৩দিন ব্যাপি কৃষি-প্রযুক্তি মেলা
বটিয়াঘাটা সালেহা হত্যা মামলার পলাতক আসামি সিজার গ্রেফতার
মাগুরায় ১৫০ মিটার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন, মনোয়ার হোসেন
শেরপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'চেষ্টা'র উদ্যোগে দুই গৃহহীন নারী পেলেন বাড়ি
নওগাঁ জেলা এ্যাডভোকেট বার এ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন
নন্দীগ্রামে মাদক ও ওয়ারেন্ট মূলে গ্রেফতার ৭
Link Copied