বসুন্ধরা মিডিয়াকে হুমকি: হাসনাত আব্দুল্লাহ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ মন্তব্য করেছেন যে, বসুন্ধরা মিডিয়া আবারও স্বৈরাচারকে বৈধতা দিতে মাঠে নেমেছে। তিনি বলেন, “আমরা সাংবাদিকদেরও নজরে রাখছি। জুলাই অভ্যুত্থানে আমাদের সন্ত্রাসী আখ্যা দিতে যাদের ভূমিকা ছিল, আমরা তা ভুলে যাইনি। বসুন্ধরার সাংবাদিকরা আবারও স্বৈরাচারকে বৈধতা দিতে মাঠে নেমেছে। তারা আরেকটি ১/১১ ঘটানোর ষড়যন্ত্র করছে।”
রবিবার সন্ধ্যায় রাজশাহীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে জুলাই পথযাত্রা শেষে সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। পরে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের লিংকের কমেন্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ তার দেওয়া রাজশাহীর বক্তব্যকে আরও খোলাসা করেন এবং লেখেন, “সাংবাদিকদের নয়, বসুন্ধরা মিডিয়াকেই হুমকি দিয়েছি।”
ওই সমাবেশে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক আরও বলেন, “ডিসি-এসপিরা চাপে পড়ে ছাত্রনেতাদের সঙ্গে এখন ভালো ব্যবহার করছেন। কিন্তু হাসিনার পতন না হলে তারাই গণভবনে প্রমোশনের লাইনে দাঁড়াতেন।” তিনি বলেন, “তরুণ সমাজ আর দালালি করতে চায় না। বাবারা যখন ব্যর্থ হয়েছেন, তখন সন্তানেরা রাস্তায় নেমেছে। যারা সংস্কারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন, তারা আসলে জেন-জির বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছেন। আমাদের হারানোর কিছু নেই। আমাদের কোনো লুটপাটের ব্যাংক নেই। আছে মানুষের ভালোবাসা। আর সেটির জন্য আমরা জীবন দিতেও প্রস্তুত।”
প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন এবং বলেন, “১৬ বছরের ডিসি-এসপিরা কী পরিণতি ভোগ করেছেন- তা ভুলে যাবেন না। স্বৈরাচারের পক্ষে অবস্থান নিলে বাংলাদেশে আর আপনাদের ঠাঁই হবে না। আপনারা এনসিপি বা আওয়ামীপন্থী হন না কেন, জনগণের পক্ষে থাকতে হবে।” রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, “তারা বিদেশি ষড়যন্ত্র ঠেকাতে ব্যর্থ হলেও দেশের ভেতরে বসে রাজনৈতিক দল খোলার খেলায় মেতে থাকে। আমরা তাদেরও নজরে রাখছি।” হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, “আমরা ক্ষমতার জন্য আন্দোলন করছি না। বিচার ও সংস্কার ছাড়া ভোটের নামে প্রহসন চললে আমাদের বুকের ওপর দিয়েই গুলি চালাতে হবে। আমরা নির্বাচন চাই, কিন্তু সেটা জুলাই ঘোষণাপত্র ও সংস্কারের ভিত্তিতে।”
ওই সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “যারা সংস্কারের যাত্রা ব্যাহত করার চেষ্টা করছে, তাদের কোনো দিন দেশের মানুষ ক্ষমা করবে না। আমাদের এবারের লক্ষ্য বাংলাদেশের পুনর্গঠন ও জাতীয় সংসদ ভবন জয় করা।” এনসিপির এই শীর্ষ নেতা জানান যে, একটি নতুন সংবিধান এই দেশের মানুষকে উপহার দেওয়া হবে। তিনি পানির ন্যায্য হিস্যা ও সীমান্ত রক্ষায় প্রয়োজনে আবারও রাজশাহী থেকে লংমার্চের হুঁশিয়ারিও দেন।
এসময় আরও ছিলেন- এনসিপির সদস্য সচিব আকতার হোসাইন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এর আগে সন্ধ্যা ৬টায় নগরীর রেলগেট থেকে পদযাত্রা শুরু হয়। পদযাত্রাটি রেলগেট থেকে নিউমার্কেট, রাণীবাজার মোড় হয়ে সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে পথসভায় মিলিত হয়।
এমএসএম / এমএসএম
কাউনিয়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভা ও র্যালি
রাতে ঘুমাতে গেলেন ঘরে, সকালে বিবস্ত্র লাশ মিলল সুপারিবাগানে
টাঙ্গাইলে বিনামূল্যে ৩ দিনব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন ও হুইল চেয়ার বিতরণ
কুড়িগ্রামে গ্রামীণ খেলাধুলায় মেতে উঠল সব বয়সী মানুষ, ফিরল শৈশবের স্মৃতি
চিলমারীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৬ পালিত
কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
ধামইরহাটে ৫৫ তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত
সিংড়ায় শশুর কর্তৃক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, লজ্বায় আত্নহত্যা
মান্দায় জাতীয় সমবায় দিবস পালন
কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
উল্লাপাড়ায় আমজাদের মৃত্যু ঘিরে রহস্য, হত্যার অভিযোগে আদালতে মামলা
গোপালগঞ্জে নানা আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত