ঢাকা মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আইন যেন শুধু খাতা কলমে


জাহাঙ্গীর আলম শাহীন photo জাহাঙ্গীর আলম শাহীন
প্রকাশিত: ১৯-৭-২০২৫ দুপুর ৪:৫৮

রাজধানীর ঢাকার মিরপুরের সিউল, শুক্রাবাদের এ্যরাম, নিউমার্কেটের গ্যালাক্সি,পোস্তগোলার আইরিশ, ডেমরার বাঁশের পুল ও ছাগল পট্টির বাংলা মদের বার ও রেস্টুরেন্ট তাদের ইচ্ছেমত মদের (বার) দোকান খোলা,  অপ্রাপ্তবয়স্কদের কাছে মদ বিক্রয়, মদ ক্রেতার লাইসেন্স না দেখা, শুক্রবারে খোলা রাখাসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের মধ্যে তাদের ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। 
 
সরজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর ঢাকার মিরপুরের সিউল, শুক্রাবাদের এরাম, নিউমার্কেটের গ্যালাক্সি, পোস্তগোলার আইরিশ,ডেমরার বাঁশের পুল, ছাগল পট্টির বাংলা মদের বার ও রেস্টুরেন্টগুলো যেন নিয়ম নীতির বাইরে। শুক্রবারে মদের (বার)দোকান খোলা রাখাসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নীতি নির্ধারকরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সকল নিয়ম অমান্য করে বিকাল ৫ টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত মদের (বার) দোকান খোলা রাখার নির্দেশনা থাকার পরেও তারা ভোর ৪টা বা ৫ টা পর্যন্ত মদের দোকান খোলা রেখে ২১ বছরের নিচের ক্রেতাদের নিকট মদ বিক্রয় করছেন। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার ফলে তারা যত্রতত্র বসে মদ্যপান করে রাস্তাঘাটে বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে বারে বসে মদ সেবন ও পার্সেল নেয়ার সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দেয়া নিয়ম বা মদ সেবনের অনুমতিপত্র বা লাইসেন্স আছে কিনা সেগুলো যাচাই -বাছাই  না করার কারণে ছোট-বড় সকলেই মদ সেবন করার সুযোগ পাচ্ছে। 


নিয়ম অনুযায়ী, (বার)  মদের দোকানগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি পায়। কিন্তু প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান রাত গভীর পর্যন্ত মদের (বার) দোকান খোলা রেখে মদ বিক্রি করছে। যে কারণে অবাধে মদ সেবন ও বিক্রি করা হচ্ছে। এতে করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে বলে সমাজের বিশিষ্টজনদের অভিমত। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিরপুরের সিউল,শুক্রাবাদের এরাম ও ডেমরা ছাগল পট্টির বাংলা মদের (বার) দোকানের আশেপাশের  স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা 'দৈনিক সকালের সময়'কে বলেন, ফজরের আজানের পরে যখন রাস্তার পাশে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিয়ার ও মদের বোতল পড়ে থাকতে দেখা যায় তখন বুঝতে অসুবিধা হয় না এ সকল মদের (বার) দোকানের আশে-পাশে কি হচ্ছে । এসব বন্ধ না হলে যুব সমাজ ধ্বংসের পথে যাবে।

প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা মাঝেমধ্যেই এ সকল বার ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়েছি এবং বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানকে জরিমানাও করা হয়েছে। এই ধরনের বেআইনি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে বারংবার সতর্ক করার পরেও  কিছু প্রতিষ্ঠান নিয়ম ভঙ্গ করে চলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অবৈধভাবে মদ সেবনের সুযোগ থাকলে তা সমাজে অপরাধ প্রবণতা ও নৈতিক অবক্ষয় ডেকে আনবে।

মিরপুরের শেওড়াপাড়া, শুক্রাবাদ, নিউ মার্কেট ও ডেমরা এলাকার মদের (বার) দোকানগুলো শুক্রবারে খোলা রাখা সহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের মন্তব্য জানতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা দক্ষিণের উপ-পরিচালক মোঃ শামীম হোসেনের অফিসে গেলে তিনি 'দৈনিক সকালের সময়'কে বলেন, সরকারি নিয়ম বা আইন অমান্য করে কোন ব্যক্তি মদের বার পরিচালনা করলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আয়নানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এমনকি নিয়ম অমান্যকারীদের লাইসেন্স বাতিল করারও ক্ষমতা রাখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টের মদের (বার)দোকানগুলোর বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে মন্তব্য জানতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সাথে সাক্ষাৎ করতে চাইলে সেখানকার দায়িত্বরত কর্মকর্তা পিআরও মো: মোস্তাক হোসেন 'দৈনিক সকালের সময়'কে বলেন, আমাদের কাছে এমন অভিযোগ তেমন আসে না। আপনাদের কাছ থেকে জানতে পারলাম এবং এ বিষয়ে মহাপরিচালক স্যারের সাথে কথা বলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দেয়া আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এমএসএম / এমএসএম

চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মোল্লা রেজাউল করিম গিলে খাচ্ছে চট্টগ্রামের বনাঞ্চল

তথ্যপ্রাপ্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে তথ্য প্রদানে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন বিপ্লব কুন্ডু

‘ফাঁসির মঞ্চ’ থেকে ফিরে সংসদে যাচ্ছেন যারা

এনবিআর সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের এত সম্পদের উৎস কোথায়

চট্টগ্রামে ফরেস্ট চেক স্টেশন ধুমঘাটে ডেপুটি রেঞ্জার ইলিছুর রহমান এর চাঁদাবাজি

বিরুদ্ধে দুর্নীতি ছাড়াও নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগ

অঢেল সম্পদের মালিক এনবিআর কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম

অভিযুক্ত বিপ্লব কুন্ডুই তদন্ত কমিটির প্রধান

গার্ল গাইডস্রে টাকা মেরে দেয়ার অভিযোগ কাজী জেবুন্নেছার বিরুদ্ধে

জাইকার সহায়তায় ৯৮২ কোটি টাকায় হচ্ছে ভূমিকম্প সহিষ্ণু ভবন

বিটিসিএল’এ কোটি কোটি টাকার রাজস্ব অবৈধভাবে ভোগকারীরা পগার পার!

সিডিএ’র জনবল নিয়োগ: পরীক্ষা না দিয়েই পাশ!

নতুন নকশার ই-রিকশা বন্ধে উচ্চ আদালতে রিটপিটিশন