স্কুল-মাদ্রাসা খুললেও দৌলতখানে ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার আশঙ্কা
করোনা মহামারীর দীর্ঘ ৫৪৩ দিন পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হলেও বহু শিক্ষার্থী আর বিদ্যালয়মুখী হবে না। দেড় বছর স্কুল বন্ধ থাকায় উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ৩০ শতাংশ মেয়ে শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। এদের একটি বড় অংশ বাল্যবিবাহের শিকার হয়েছে। দৌলতখান উপজেলার শতবর্ষী সুকদেব মদন মোহন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক ছাত্রীর করোনাকালীন বাল্যবিবাহ হয়ে গেছে। সেই সঙ্গে ছেলে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হারও কম নয়।
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল হোসেন হারুন বলেন, বর্তমানে স্কুলে ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী উপস্থিত রয়েছে। অনুপস্থিত ছাত্রীর সংখ্যা ৫০। অনুপস্থিত ছাত্রীদের এ সংখ্যা মোট মেয়েশিক্ষার্থীর ৩০ শতাংশ। শোনা যাচ্ছে, করোনাকালে এদের সবার বাল্যবিবাহ হয়ে গেছে। অনুপস্থিত ছাত্রদের অধিকাংশই দরিদ্র পরিবারের। পড়ালেখা ছেড়ে তারা উপার্জনমুখী বিভিন্ন কাজে যোগ দিয়েছে। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নিতে ইতোমধ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, করোনার কারণে টানা ১৮ মাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এখানকার নিম্নআয়ের দরিদ্র অভিভাবকরা তাদের ছেলেদের নদীতে মাছ ধরা, দিনমজুর, ইটভাটার শ্রমিক, দোকান কর্মচারী ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় কাজে দিয়েছেন। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ঝরে পড়াদের মধ্যে জেলে পরিবারের সন্তানরাই বেশি।
উপজেলার বৃহত্তম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আজহার আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এমএ তাহের বলেন, গত দেড় বছরে তার বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শতাধিক ছাত্রীর গোপনে বাল্যবিয়ে হয়ে গেছে। করোনাকালে দীর্ঘদিন শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় কিছু শিক্ষার্থী ছোটখাটো চাকরি ও ব্যবসায় যোগ দিয়েছে। উপজেলার অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে হাজীপুর সিনিয়র মাদ্রাসা, জয়নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খাদিজা খানম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জয়নাল আবেদীন ল্যাবরেটরি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চরপাতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও ঝরে পড়া ও বাল্যবিবাহের একই তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে উপজেলার দুটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ জানান, ওই দুই বিদ্যালয়ে ঝরে পড়ার কোনো তথ্য নেই। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজান আলী শেখ বলেন, ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শন করেছি। করোনাকালীন দীর্ঘ ছুটিতে দরিদ্র অভিভাবকরা মেয়েদের ঘরে বসিয়ে না রেখে অনেককে বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। তবে ঝরে পড়ার হার ১৮ থেকে ২০ শতাংশ হবে। ঝরে পড়াদের মধ্যে মেয়ে শিক্ষার্থীই বেশি।
এমএসএম / জামান
রাণীনগরে সরকারি রাস্তার ইট তুলে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ, আ’লীগ নেতা মজিবর আটক
সততা ও সাহসিকতার প্রতীক পিরোজপুরের কৃতি সন্তান অতিরিক্ত ডিআইজি নাজিমুল হক
পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়ন নির্বাচনে তরুণদের পছন্দের শীর্ষে ছাত্রনেতা রাসেল সরদার
মুকসুদপুরে গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত
বারহাট্টায় জমজমাট ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের যুক্তিতর্ক
৮ মাসের সাধনায় হাতে কুরআন লিখে অনন্য নজির গড়লেন লাকসামের সুরাইয়া
আশুলিয়ায় ফুটবল উন্মাদনার মধ্যেও হিংস্রতা কেড়ে নিল ১৫ বছরের কিশোরের প্রাণ
অধ্যক্ষের পদ ফিরে পেতে রাষ্ট্রের কাছে আকুতি জানালেন বৃদ্ধ শিক্ষক ফরিদ আহমেদ
রাজশাহীতে ‘রান ফর পদ্মা’ মিনি ম্যারাথন: নদী বাঁচানোর প্রত্যয়
আত্রাইয়ে উন্মুক্ত জলাশয়ে নিজস্ব অর্থায়নে ২ মেট্রিক টন পোনা ছাড়লেন প্রধান শি: আব্দুল জলিল
অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেপ্তার নিহতের ছেলে
স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার হলো সলঙ্গার ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক