বেনাপোল ইমিগ্রেশনে চোরাচালান পণ্যসহ ৩ আনসার আটক
বেনাপোলে ইমিগ্রেশনে চোরাচালানী পণ্যসহ ৩ আনসার সদস্য আটক করা হয়েছে। পাসপোর্ট যাত্রীদের আনা কম্বল অবৈধভাবে পারাপারে সময় তাদেরকে আটক করা হয়। পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিলেও ওই তিন আনসার সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে ভারত থেকে নিয়ে আসা পাসপোর্ট ছাড়া পাঁচটি ভারতীয় কম্বল নিয়ে ইমিগ্রেশন পার করার সময় তাদের আটক করা হয়। অবৈধভাবে ইমিগ্রেশন দিয়ে কম্বল বহনের সময় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা নিজেদের আনসার সদস্য পরিচয় দেন। পরে যাচাই বাচাই করে তাদের আটক করা হয়।
আটক হওয়া তিন আনসার সদস্য হলেন, আতিকুর রহমান (আইডি নং-০৫৫০৮৪৭২৯) রিয়াজুল ইসলাম (আইডি নং-১৯১৬৫২০) ইসমাইল হোসেন (আইডি নং-৫৯৬৬৫৩৩০৩৫)
সূত্র জানায়, পাসপোর্ট যাত্রীরা ভারত থেকে ল্যাগেজ নিয়ম বহির্ভূত পণ্য আনলে অতিরিক্ত পণ্য থাকলে তা চেকিং করে জমা রেখে ডিএম স্লিপ ধরিয়ে দেই। এ ক্ষেত্রে ল্যাগেজ যাত্রীরা কাস্টমসের চোখ ফাঁকি দিতে বন্দরের ও কাস্টমসের অর্থ লোভী অনসার সদস্যদের ব্যবহার করছে। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি কম্বল ইমিগ্রেশন থেকে বাহিরে আনতে কম্বল প্রতি ৫০০ টাকা করে দেই ল্যাগেজপার্টি যাত্রীরা। একই সাথে ইমিগ্রেশনে দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ পণ্য পারাপারের অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বেনাপোল বন্দরে ও কাস্টমসের কিছু আনসার সদস্য দীর্ঘদিন ধরে এই চোরাচালান প্রক্রিয়ায় জড়িত এবং টাকার বিনিময়ে পণ্য পার করিয়ে থাকেন। এমনকি তারা ই-আরাইভাল কার্ড দালালির সঙ্গেও জড়িত রয়েছে। তাছাড়া কাস্টমসের সিপাহীদের সাথে যোগসাজসে চুক্তিতে ল্যাগেজ পারাপার করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কাস্টমস কমিশনারের কড়াকড়ির ফলে ল্যাগেজ ব্যবসা কমে আসলেও থেমে নেই ইমিগ্রেশনে সিন্ডিকেট দৌরাত্ব। কন্টাকে বাংলাদেশী বিজনেস ভিসা করে বছরে নির্ধারিত ল্যাগেজরুল অনুযায়ী সুবিধা থাকলেও ইমিগ্রেশনে গড়ে উঠা সিপাহীদের সিন্ডিকেট ল্যাগেজ বানিজ্যে চলছে। সূত্র আরও জানায় নাম মাত্র এসব বাংলাদেশী বিজনেসধারীরা ১ দিন পর ১ দিন ভারতে প্রবেশ করে। আর পূর্ব নির্ধারিত চুক্তি মোতাবেক ইমিগ্রেশন সিপাহীদের সাথে চুক্তিতে গ্রীন সিগনালে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। কখনও আবার লোক দেখানো এসব যাত্রীদের ৪ থেকে ৬ কেজি মালামাল ডিএম করা হচ্ছে। আর এ কাজে বহিরাগত এনজিও সারজিসের মাধ্যমে বাহির হতে টাকা উত্তোলন করছে।
এ ঘটনায় আনসার প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মিজানুর রহমানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আটক তিন সদস্যকে কাস্টমস থেকে ছাড়িয়ে আনার পর তিনি আবারও বিজিবি চেকপোস্টে গিয়ে তাদের সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিজিবি সদস্যরা পাসপোর্ট ছাড়া কম্বল আসার বিষয়টি যাচাই করতে চাইলে পিসি মিজানুর তাদের কাছে অনুরোধ করেন।
এ বিষয়ে পিসি মিজানুর রহমান বলেন, ওই তিন জন আনসার সদস্য বন্দেরের কার্গো ইয়ার্ডে ডিউটি করে। তবে কার্গো ইয়ার্ডের পিসি ছুটিতে থাকায় বাহিনীর বদনাম হবে এই ভাবনায় আমি বিষয়টি সামলাই। দ্বিতীয়বার এমন হলে আর কোনো সহযোগিতা করবো না।
এমএসএম / এমএসএম
রাজস্থলীতে নারীর প্রতি সহিংসতা রুখতে সচেতনতামূলক কর্মশালা সভা
সিংগাইরে চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রেমিক আটক, বাড়িঘর ভাংচুর
টঙ্গীতে যুবদলের শোডাউন, নাশকতা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে অবস্থান
দাউদকান্দিতে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী ও নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য গ্রেফতার
নেত্রকোণায় ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৮টি ক্লাব উদ্বোধন
কুড়িগ্রামে স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি সেবার সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণে অ্যাডভোকেসি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত
আদমদীঘিতে মাসিক আইনশৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
রাণীশংকৈলে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ শুরু
ধামরাইয়ে বেহাল সড়কের সংস্কার করলেন নাজমুল হাসান অভি
যমুনায় অভিযান: ৫ লাখ টাকার অবৈধ জাল জব্দ, জরিমানা
লালমনিরহাটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখের বেশি শিশু
গজারিয়ার বালুয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা