প্রাথমিক শিক্ষকদের তিন দফা দাবিতে কর্মবিরতি কতটুকু যৌক্তিক
আমাদের দেশের সংবিধান অনুযায়ী যে কোনো দাবি আদায়ে গণতান্ত্রিকভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন বা কর্মবিরতি করা নাগরিক অধিকার। বর্তমান সময়ের বাজারমূল্য অনুযায়ী বেতন বৃদ্ধি তাদের জীবনের বাস্তব প্রয়োজন। শিক্ষকদের অনেকেই মনে করেন যে তাদের বেতন-স্কেল ও সুযোগ-সুবিধা অন্যান্য সরকারি ক্যাডার ও শিক্ষকদের তুলনায় কম। দাবি বারবার জানানো হলেও পূরণ না হওয়ায় তারা শেষ বিকল্প হিসেবে কর্মবিরতি বেছে নিয়েছেন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকেরা পাঠদান করান। সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক কোটিরও বেশি। শিক্ষক রয়েছেন পৌনে চার লাখের বেশি। সহকারী শিক্ষকের অনুমোদিত পদ ৩ লাখ ৬৯ হাজার ২১৬টি, বর্তমানে কর্মরত ৩ লাখ ৫২ হাজার ২০৮জন।
কর্মবিরতির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীরা, বিশেষত ছোট বাচ্চারা যাদের শেখার ধারাবতিকতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বার্ষিক বা সমাপনী পরীক্ষার সময় এধরনের আন্দোলনে বাচ্চাদের মনোবল ভেঙ্গে পড়েছে। যে কোনো বিষয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান যোগ্য, বারবার কর্মবিরতি দিয়ে আন্দোলন করে সমাধানের পথ আরোও জটিল করে তুলছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
ফেসবুকে আন্দোলনের পোস্টের নীচের ৭৪টি কমেন্টে পড়লাম। এখানে ২/১টি ছাড়া সবগুলো কমেন্ট আন্দোলনরত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে করেছেন অবিভাবক শ্রেণী ও সচেতন মহল। কেউ বলছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় এই শিক্ষকরাই দিনের ভোট রাতে দিয়ে গণতন্ত্রের বারোটা বাজিয়েছেন। কেউ বলছেন এরা বিগত আওয়ামী সরকারের দোসর, যখন কাচামরিচের দাম ছিল ৪০০ টাকা, পিয়াজ ২০০ টাকা, সবজি ১০০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি, নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল জিনিসপত্রে দাম নাগালের বাহিরে ছিল তখন তারা কোন শব্দ করেনি। বর্তমান সময়ের বাজার মূল্যের অজুহাত মোটেই কাম্য নয়।
এই মুহুর্তে বাংলাদেশে অন্তবর্তী সরকার কতৃক ঘোষিত অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, আপোষহীন নেত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় থাকায় দেশের রাজনৈতিক আবহ, মানুষের মনোভাব ও সামাজিক পরিবেশ অত্যন্ত সংবেদনশীল। এ সময়ে বড় আকারের কোনো কর্মসূচি দিয়ে কেউ কেউ অযথা উত্তেজনা সৃষ্টি বা পরিস্থিতিকে চাপের মুখে ফেলে দেওয়ার মতো মনে করছেন। মানুষ খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন। এ সময়ে দেশের প্রত্যেকটি সেক্টরের উচিত আরও দায়িত্বশীল, স্থির ও সংযত ভূমিকা রাখা। রাজনৈতিক অস্থিতিশীল সময়ে যে কোনো আন্দোলন বিরোধী মহল সহজেই অন্যভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে, যা শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি থেকেও দৃষ্টি সরিয়ে দিতে পারে।
হোসেনপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহি অফিসার কর্তৃক পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক ও সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।
এমএসএম / এমএসএম
মিরসরাই প্রেসক্লাবে ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন ও আলোচনা সভা সম্পন্ন
খোলা বার্তা নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য সম্ভাবনাময় প্ল্যাটফর্ম : অতিথি সাংবাদিকরা
খাস জমির পথ বন্ধ, সাজানো মামলার ফাঁদ:চিতলমারীতে অবরুদ্ধ ১০টি পরিবার
অনুপস্থিত বন্দোবস্ত বাতিলের দাবিতে সুবর্ণচরে ভূমিহীনদের বিক্ষোভ
দেবীগঞ্জ অলদিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পুনঃভর্তিতে কৌশলে অতিরিক্ত ফি আদায় করছে প্রধান শিক্ষক
কুমিল্লা সীমান্তে ৭৬ লাখ টাকার ভারতীয় বাজি জব্দ
শহীদ ওসমান হাদী স্মরণে ভূরুঙ্গামারীতে আলোচনা সভা ও পাঠক সমাবেশ
বড়লেখায় ৬৯ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২০, ঝুঁকিপূর্ণ ৩৬ টি কেন্দ্র
রাস্তা কার্পেটিংয়ে নিজস্ব মিক্সার ব্যবহারে অনিহা, আয় বঞ্চিত চসিক
অবৈধ নিয়োগ ও ভূয়া সনদে চাকুরীর অভিযোগ উঠেছে প্রভাষক ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে
শেরপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে শিশুদের ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
বাগেরহাটের মোংলায় মাছ শিকারে অবৈধ জাল উদ্ধারপূর্বক পুড়িয়ে ধ্বংস