নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করছে বন বিভাগের কিছু লোক
বন অধিদপ্তর মাঠ পর্যায়ে স্বার্থ আদায়ে বিভিন্ন মহলে মিথ্যা চিঠিতে বাস্তবতাকে আড়াল করার চেষ্টা চলছে। একটি স্বার্থান্বেষী মহল অপপ্রচার ও প্রপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে যা শুধু বিভ্রান্তিই ছড়াচ্ছে না বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ বন প্রশাসনিক অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়। কিছু কিছু কর্মচারী মিথ্যে বানোয়াট লেখালেখি করতেছে যা দাপ্তরিক নিয়ম ভঙ্গের বহিঃপ্রকাশ। যাদের সার্ভিস বই ভালো না, পদোন্নতির যোগ্য না তারা বিভিন্ন ভাবে ফরেস্টরেঞ্জার পদোন্নতিতে বাধাগ্রস্থ করার চেষ্টা করছে। অফিসিয়াল ভাবে কোন চিঠিপত্র আইনানুগভাবে না পেলেও বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তি কর তথ্য প্রকাশ করছে। বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে বিশেষ করে ডেপুটি রেঞ্জার থেকে ফরেস্ট রেঞ্জার পদে পদোন্নতির অপেক্ষায় থাকা জনবল। আবার দেখা যায় বিভিন্নভাবে বিভিন্ন সময় বিভাগীয় মামলায় শাস্তি পাওয়া নির্দিষ্ট তারিখে ভুতাপেক্ষভাবে পদোন্নতির তারিখ না পাওয়া কর্মচারীরা। তারা ফরেস্ট রেঞ্জার হতে পারবেননা বলে দলে দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন মিথ্যা প্ররোচনা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আবার ডেপুটি রেঞ্জার নিয়ম অনুযায়ী গ্রেডেশন তালিকায় পিছনে রয়েছেন যারা, তারা হুমকি ধমকি দিচ্ছেন বলে জানা যায়।
এই ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতা ও জটিলতা বর্তমান বন অধিদপ্তরের পদোন্নতি কমিটির সদস্যদের দীর্ঘদিন ধরেই বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে।
অথচ বিষয়টি পরিষ্কার—পদোন্নতি ভূতাপেক্ষ তারিখ না পাওয়াদের ক্ষেত্রে বিভাগীয় মামলা শাস্তি ছিল এবং ভুতাপেক্ষভাবে পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে সার্ভিস বুক ভালো ছিল। বিভ্রান্তিকর কর্মচারীদের সার্ভিস সংক্রান্ত প্রশাসনিক জটিলতা রয়েছে, যা আইন ও বিধি অনুযায়ী নিষ্পত্তিযোগ্য বিষয়। এ বাস্তবতা আড়াল করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো অনভিপ্রেত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।
সরেজমিনে কথা বলে জানা যায়, বাস্তবতা হলো দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ ধরে ঝুলে থাকা বন বিভাগের পদোন্নতির ঐতিহাসিক জট খুলে দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় উপদেষ্টা জনাব সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং পরিবেশ বন জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বর্তমান প্রধান বন সংরক্ষক জনাব আমীর হোসাইন চৌধুরী। তাঁদের সুদৃঢ় নেতৃত্ব, প্রশাসনিক সাহস ও সদিচ্ছার ফলেই বহুল প্রতীক্ষিত এই পদোন্নতি প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। এটি কোনো গোষ্ঠীর অনুকম্পা নয়, বরং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক অচলাবস্থা ভাঙার একটি সাহসী ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। পদোন্নতির মাধ্যমে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেশাগত মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং ভবিষ্যৎ জট নিরসনের পথ সুগম হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অপপ্রচার ও প্রপাগান্ডার মাধ্যমে নয় বরং আইন, নিয়ম চাকরি বিধিবিধান ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব। পদোন্নতি প্রক্রিয়া শুরু হওয়াই প্রমাণ করে যে বর্তমান নেতৃত্ব বন বিভাগের ন্যায্যতা, স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বন বিভাগের ইতিহাসে দীর্ঘতম পদোন্নতি সংকট নিরসনে এই উদ্যোগকে একটি ইতিবাচক, প্রশংসনীয় ও দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বন পরিবারের অধিকাংশ মাঠ পর্যায়ের সদস্যরা।
দীর্ঘদিন ধরে মাঠ পর্যায়ে ফরেস্ট রেঞ্জার শুন্য থাকায় বন বিভাগ মাঠ পর্যায়ে কাজের গতি কমে যাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জানা খুব দ্রুত শুন্য পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরন করা হবে এবং মাঠে কাজের গতি বৃদ্ধি পাবে।
এমএসএম / এমএসএম
বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার রতন লাল মাহুতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ
ডিবি’র হারুনকে দিয়ে ২ নারী ব্যবসায়ীদের প্রতারণার জালে ফেলতো
নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করছে বন বিভাগের কিছু লোক
কক্সবাজার বিমানবন্দর সম্প্রসারণ: খুরুশকুল আশ্রয়ণ ও শুঁটকি পল্লী প্রকল্প নিয়ে জনমনে সংশয়
অবৈধপথে ৫ শত কোটি টাকার মালিক দুদকের ডিডি মাহবুবুল আলমকে বাঁচাতে তদন্ত তদন্ত খেলা!
দু’জন উপদেষ্টার পদত্যাগ, ভোগাবে উপদেষ্টা পরিষদকে নতুন নিয়োগ অপরিহার্য
বিটিসিএল এর হিন্দু কর্মচারীকে চাঁদার দাবিতে বিশেষ অঙ্গ কেটে ভারতে পাঠানোর হুমকি
এনা পরিবহনের মালিক এনায়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে ১০৭ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা সিআইডি’র
অধরায় গৃহায়ণের প্রশাসক
অনিশ্চয়তায় নির্বাচন
পায়রা বন্দর সংযোগ সড়ক প্রকল্পে উন্নয়ন কাজে স্থবিরতা
দুর্নীতির টাকায় কোটিপতি চসিকের মোরশেদ