সওজ পূর্বাঞ্চলের নির্বাহী বৃক্ষপালনবিদ বিপ্লব কুন্ড
বেশি দামের গাছ কম দামে বিক্রি করায় তার নেশা
অভিযোগের পাহাড়, নেই নিষ্পত্তি
*অন্য ব্যক্তির নামে বায়োমেট্রিক মোবাইল সিম নিবন্ধিত
*স্পট নিলামের নামে ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডার
*নীতিমালা লঙ্ঘন করে স্পট বাণিজ্য
*ফেনীতে কোটি টাকার গাছ ২০ লাখে ‘বিক্রি’
*দুদকের বক্তব্য, আলো দেখেনি এখনো ।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) অপারেশন ডিভিশন পূর্বাঞ্চলের নির্বাহী বৃক্ষপালনবিদ বিপ্লব কুন্ডুর বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ, গাছ চোর চক্র নিয়ন্ত্রণ, ঘুষ-বাণিজ্য ও ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডারের মাধ্যমে সরকারি গাছ বিক্রির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ দায়ের হলেও রহস্যজনকভাবে তা আজও নিষ্পত্তিহীন রয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিপ্লব কুন্ডু সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) অপারেশন ডিভিশন পশ্চিমাঞ্চল রাজশাহী কর্মরত থাকাকালে স্পট নিলামের নামে নিয়ম ভেঙে সরকারি গাছ কর্তন ও বিক্রি করে বিপুল রাজস্ব ফাঁকি দেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ফেনী সদর ও ছাগলনাইয়া উপজেলায় সড়কের পাশে থাকা মেহগনি ও রেইন্ট্রি প্রজাতির ১,০৩৪টি পরিণত গাছ নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করা হয়, যেখানে সরকারের ক্ষতি হয়েছে কোটি টাকা। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিটি মেহগনি গাছের প্রকৃত মূল্য ছিল ১৫–২০ হাজার টাকা।
নিয়ম অনুযায়ী স্পট নিলামে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উপস্থিতি ও নির্দিষ্ট আর্থিক সীমা মানার বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানা হয়নি বলে অভিযোগ। বিপ্লব কুন্ডু তার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
উল্লেখ্য, রাজশাহী ডিভিশনে কর্মরত থাকাকালীনও বিপ্লব কুন্ডুর বিরুদ্ধে ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ অর্থবছরে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের তদন্ত চলমান রয়েছে।
গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় রাজশাহী থেকে উপসহকারী পরিচালক মোঃ মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত স্মারক নং ০০.০১.৮১০০.৭২২.০১.০১১.২৫.২৭০২
অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণের জন্য চিঠি পাঠানো হলেও বিষয়টি এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।
এ বিষয়ে মোবাইলে জানতে দুদকের তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান প্রথমে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চাইলেও ,পরবর্তীতে বলেন এক মাসের ভেতর তিনি তদন্ত রিপোর্ট জমা দিবেন ।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বিপ্লব কুন্ডু সাংবাদিক পরিচয় শুনে ফোন কেটে দেন। একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি আর ধরেননি । পরবর্তী কার্য্য দিবসে মিরপুর পাইকপাড়া অবস্থিত অফিসে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি । উল্লেখ্য যে বিপ্লব কুন্ডুর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বায়োমেট্রিক করা আছে সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা বিধানচন্দ্র দাসের নামে । এ বিষয়ে বিধানচন্দ্র দাস এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিপ্লব কুন্ডুকে চেনেন না বলে জানান ।
সিন্ডিকেট সম্পর্কে আরো জানতে চোখ রাখুন পরবর্তী নিউজে ।
এমএসএম / এমএসএম
এনবিআর সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের এত সম্পদের উৎস কোথায়
চট্টগ্রামে ফরেস্ট চেক স্টেশন ধুমঘাটে ডেপুটি রেঞ্জার ইলিছুর রহমান এর চাঁদাবাজি
বিরুদ্ধে দুর্নীতি ছাড়াও নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগ
অঢেল সম্পদের মালিক এনবিআর কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম
অভিযুক্ত বিপ্লব কুন্ডুই তদন্ত কমিটির প্রধান
গার্ল গাইডস্রে টাকা মেরে দেয়ার অভিযোগ কাজী জেবুন্নেছার বিরুদ্ধে
জাইকার সহায়তায় ৯৮২ কোটি টাকায় হচ্ছে ভূমিকম্প সহিষ্ণু ভবন
বিটিসিএল’এ কোটি কোটি টাকার রাজস্ব অবৈধভাবে ভোগকারীরা পগার পার!
সিডিএ’র জনবল নিয়োগ: পরীক্ষা না দিয়েই পাশ!
নতুন নকশার ই-রিকশা বন্ধে উচ্চ আদালতে রিটপিটিশন
আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সচিবের চাঞ্চল্যকর নিয়োগ জালিয়াতি
নতুন নকশার ই-রিকশা বন্ধে উচ্চ আদালতে রিটপিটিশন