ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

৬ কোটি টাকার মামলা দাদন ব্যবসায়ীর, সর্বস্বান্ত ২০ পরিবার


প্রদীপ বিশ্বাস, ময়মনসিংহ photo প্রদীপ বিশ্বাস, ময়মনসিংহ
প্রকাশিত: ১-১০-২০২১ দুপুর ৪:৯

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে আব্দুল জলিল নামে এক দাদন ব্যবসায়ীর ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব কয়েকটি পরিবার মামলা থেকে মুক্তি ও বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে। শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়নে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী আবু নাছের সরকার বলেন, জেলার গফরগাঁও উপজেলার রাওনা ইউনিয়নের আফছার উদ্দিনের ছেলে প্রভাবশালী দাদন ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল ওরফে আসাম্যা জলিলের রোষানলে পড়ে আমরা সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছি। ৯ মাস জেলও খেটেছি। স্ত্রী, সন্তান নিয়ে রাস্তায় নেমেছি। গ্রেপ্তার ও আব্দুল জলিলের হামলার ভয়ে কয়েক বছর ধরে আমরা বাড়িছাড়া।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ২০ মে ব্যবসার প্রয়োজনে আমি আব্দুল জলিলের কাছ থেকে ২ লাখ ১৩ হাজার টাকা ধার করি। ওই সময় আমি সিসি জমা তোলার জন্য চেক দেই আব্দুল জলিলকে। আমি জলিলের কাছ থেকে ধার করা টাকার এক লাখ নিজ হাতে পরিশোধ করি এবং সোনালী ব্যাংকের শিবগঞ্জ শাখার মাধ্যমে তার সহিত লেনদেন শেষ করি। ওই ব্যাংক এস্টেটমেন্টে তার প্রমাণ আছে। কিন্তু পরবর্তীতে জলিল তার সাথে লেনদেনকারী নাজিম, আলম এবং সারোয়ারের বিরুদ্ধে চেকের মামলা করে ওই মামলায় আমাকে মিথ্যা সাক্ষী দিতে বলে। আমি সে ব্যাপারে অসসম্মতি জানালে তখন থেকে আমাকে শাসাতে থাকে এবং মিথ্যা মামলা দেয়ার হুমকি দেয়। কিন্তু আমি সেটাতে রাজি না হওয়ায় তার কাছে সিসি জমা দেয়ার সেই চেকে ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা তার নিজের হাতে লিখে আমার বিরুদ্ধে মামলা দেয় এবং ওই মিথ্যা মামলায় আমি ৯ মাস সাজা ভোগ করি। আমি দীর্ঘ ১০ বছর যাব‍ৎ এই মামলার কারণে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এমতাবস্থায় আমার ৪ সন্তান ও বৃদ্ধ বাবা-মা, ভাই-বোন নিয়ে কষ্টে জীবন অতিবাহিত করছি। মামলায় হাজিরা দিতে এসে ময়মনসিংহ জিরো পয়েন্টে আব্দুল জলিলের হামলারও শিকার হই।

তিনি আরো বলেন, আব্দুল জলিল গফরগাঁওসহ সারা জেলায় দাদন ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। এক সময় তার নুন আনতে পান্তা ফুরালেও এখন সে মানুষকে জিম্মি করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যবসায়িক কাজ ও অভাবের তাড়নায় আব্দুল জলিলের কাছ থেকে চেকের মাধ্যমে সুদে টাকা নেই। সময়মতো টাকা পরিশোধ করলেও জলিলের কাছে থাকা চেকে নিজের মতো টাকার অংক বসিয়ে ২০ জনের নামে ৬ কোটি টাকার মামলা করেছে। আমার মতো তারাও মিথ্যা মামলার ফাঁদে পড়ে আজ নিঃস্ব।

এ সময় দাদন ব্যবসায়ীর রোষানলে সর্বস্বান্ত ব্যবসায়ী নাজিম উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম, ডা. আব্দুল গফুর, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুল লতিফ ও সুরাইয়া বেগম উপস্থিত ছিলেন।

এমএসএম / জামান

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে সার ডিলার নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

মেহেরপুরে সাংবাদিক কাজলের পৈতৃক ভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ

বিলাইছড়িতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

ঝিনাইদহে সার ডিলারশিপ নিয়োগে সীমাহীন দুর্নীতি

সুবর্ণচরে ভূয়া চিকিৎসক রাসেলের অপচিকিৎসায় প্রাণ হারাতে বসেছে ১ শিশু

শিবগঞ্জে কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৪ জনের কারাদণ্ড

মধুখালীতে কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষে রেলি ও আলোচনা সভা

কুড়িগ্রামে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, নিয়োজিত ১ হাজার ৭১ কর্মী

বকশীগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর ঝোপে নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

নরসিংদীতে সাত বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

তেঁতুলিয়ায় ১০ কেজির বার্মিজ অজগর উদ্ধার

কামরুজ্জামান সিকদার কামালকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কথা বলার আহ্বান