মাধবপুরে আজ থেকে প্রাথমিক শিক্ষকদের ফের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি
হবিগঞ্জের মাধবপুরে তিন দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) থেকে আবারও পূর্ণদিবস অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে নেমেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। শিক্ষক সংগঠনগুলোর ঘোষণা অনুযায়ী, সারা দেশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক ক্লাস, পরীক্ষা, মূল্যায়নসহ সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন।
দাবি পূরণে আশানুরূপ অগ্রগতি না হলে আসন্ন বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন এবং আগামী ১১ ডিসেম্বর থেকে লাগাতার অনশনে নামার কঠোর কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ। শিক্ষক সংগঠনের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কর্মসূচি রোববার (৩০ নভেম্বর) শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় তা এগিয়ে এনে বৃহস্পতিবার থেকেই পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ১১তম গ্রেডসহ তিন দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলায়মান থাকবে বলেও জানানো হয়।
শিক্ষকদের ৩ দফা প্রধান দাবিগুলো হলো:
সহকারী শিক্ষকদের বেতনস্কেল ১১তম গ্রেডে উন্নীত করা।
চাকরির ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেডপ্রাপ্তির জটিলতা নিরসন।
সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি নিশ্চিত করা।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬৫,৫৬৯টি, শিক্ষক ৩,৮৪,০০০+ এবং শিক্ষার্থী প্রায় ১ কোটি। এর মধ্যে মাধবপুর উপজেলায় ১৪৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে—উপজেলার বেশিরভাগ স্কুলেই শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করছেন, ফলে পাঠদান, পরীক্ষার প্রস্তুতি ও শিক্ষা কার্যক্রমে চরম অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এর আগে ৯ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ১০ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে শিক্ষক নেতাদের পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না আসায় আন্দোলন ত্বরান্বিত করা হয়েছে বলে জানান সংগঠনটির নেতারা।
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম জাকিরুল হাসান বলেন, "উপজেলায় কোনো স্কুলে কর্মবিরতি পালনের খবর আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোথাও কর্মবিরতির সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক নেতা দৈনিক সকালের সময়কে বলেন, "প্রতিবারই আশ্বাস পাই, কিন্তু বাস্তবায়নের আলো দেখি না। তাই এবার আমরা আর পেছাতে রাজি নই। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব। প্রয়োজনে বার্ষিক পরীক্ষা আটকেও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।" শিক্ষকদের মতে, ন্যায্য মর্যাদা ও আর্থিক বৈষম্য নিরসনই এখন তাদের মূল লক্ষ্য। দাবি পূরণ ব্যতীত ঘরে ফেরার প্রশ্নই ওঠে না বলে জানান মাঠপর্যায়ের আন্দোলনকারী শিক্ষকরা।
এমএসএম / এমএসএম
বারহাট্টার বাজারে শীতকালীন সবজি এলেও চড়া দামে হতাশ ক্রেতারা
দোহাজারী রেলস্টেশনে প্রান্তিক কৃষকদের কৃষিপণ্য পরিবহনে লাগেজ কোচ চলাচলের উদ্বোধন
কেশবপুরে কালিয়ারই এস.বি.এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন বই বিতরণ
জনজীবন চরম দুর্ভোগ: তাপমাত্রা নেমেছে ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে
তাড়াশে বেগম জিয়ার আত্মার শান্তি কামনা করে প্রার্থনা
তারাগঞ্জে আলহাজ্ব আতিয়ার রহমানের জানাজা অনুষ্ঠিত
কুতুবদিয়ায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা, ঘাতক আটক
বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিলেন বিএনপি ও জিয়া পরিষদ নেতা অধ্যাপক বি.এম নাগিব হোসেন
ভূরুঙ্গামারীতে বিএনপির উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি
তানোর ও গোদাগাড়ীতে টমেটোর ফলন বিপর্যয়, কৃষকের মাথায় হাত
ধোপাছড়িতে বেগম খালেদা জিয়ার শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির টহলে ২টি ভারতীয় গরু আটক