ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

গোদাগাড়ীতে সওজ'র জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ


শাহিনুর রহমান সোনা, রাজশাহী ব্যুরো প্রধান  photo শাহিনুর রহমান সোনা, রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
প্রকাশিত: ৩০-৪-২০২৬ দুপুর ২:৫৭

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় সড়ক ও জনপথ (সওজ)-এর সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে এই দখলদারিত্ব চললেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন রাস্তার পাশে থাকা তপশিলি সম্পত্তির মালিকরা।
আদালতে দায়ের করা একটি মামলার নথি থেকে জানা যায়, প্রায় ৮–১০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি সরকারের (সড়ক ও জনপথের) এই সম্পত্তি দখলের সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে কয়েকজন ইতোমধ্যে পাকা স্থাপনাও নির্মাণ করছেন। তারা হলেন—গোদাগাড়ী উপজেলার রামনগর (ডাইংপাড়া মোড়) এলাকার আনিসুর রহমানের ছেলে মতিউর রহমান (মাস্তান) ও আব্দুর রউফ বিশ্বাস। এছাড়াও ভাটোপাড়া কাদিপুর এলাকার রাশেদ আলী, তাজিরুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম এবং সাহাব্দীপুর এলাকার রবিউল ইসলাম, রিয়াদ আলী, সইবুর আলী মিস্ত্রী ও লিয়ন এই দখলের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের কারণে স্থানীয়দের চলাচলের রাস্তা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এতে প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগী তৌসিক আহমেদ মামলায় অভিযোগ করেন, একাধিকবার স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বিষয়টি জানানো হলেও কার্যত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বরং প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় দখলদাররা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে তিনি দাবি করেন।
মামলার নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিপক্ষরা জোরপূর্বক রাস্তার অংশ দখল করে চলাচলের পথ বন্ধ করার চেষ্টা করছে। এতে শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতিই নয়, জনস্বার্থও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অথচ সওজ কর্তৃপক্ষ, যাদের দায়িত্ব সরকারি জমি রক্ষা করা, তারা এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো ভূমিকা রাখছে না।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, সরকারি জমি দখল করে প্রকাশ্যে স্থাপনা নির্মাণ হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কীভাবে নিশ্চুপ রয়েছে ? এ ঘটনায় প্রশাসনের নজরদারির অভাব ও দায়িত্বহীনতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় ভুক্তভোগী আদালতের শরণাপন্ন হয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদন করেছেন, যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায় এবং দখলদারদের কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব হয়।
এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত সওজের জমি দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যথায় এমন দখলদারিত্ব ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
সরেজমিনে গিয়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারীদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে কেউ দায় স্বীকার করেননি। সেখানে মনিরুল ইসলাম নামের একজন ডাব বিক্রেতা জানান, এই স্থাপনা মসজিদ কমিটি নির্মাণ করছে। তবে মসজিদ কমিটির সদস্য কারা—এ বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে পারেননি এবং প্রতিবেদককে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন।
পরে মামলার বিবাদীদের (দখলদারদের) সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন প্রতিবেদক। ফলে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ), রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী সানজিদা আফরিন ঝিনুক বলেন, “আমরা অভিযোগের ভিত্তিতে অবৈধ দখলদারদের নোটিশ দিয়েছি, যাতে তারা দ্রুত স্থাপনা সরিয়ে নেন। আমাদের নিজস্ব ম্যাজিস্ট্রেট নেই, তাই জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট পেলে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

Aminur / Aminur

ব্যক্তি উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ

জুড়ীতে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন ৫২ বিজিবি

যশোরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফেজ শাহ্ ওয়ালীউজ্জামানের দাফন সম্পন্ন

মুকসুদপুরে ভুয়া এস,আই পরিচয়ে প্রতারণার চেষ্টা, ২০ হাজার টাকা দাবি

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মনপুরায় পঙ্গু রাকিবের চোখে এখন শুধু অন্ধকার: শেষ সম্বল চুরি

৮৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের ৬ মামলায় কারাগারে পাবনা মানসিক হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. তন্ময়

রাণীনগরে আবাদপুকুর বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

পাবনা প্রেসক্লাবের ৬৬ বছরে পদার্পণ, আগামীকাল থেকে তিন দিনের বর্ণাঢ্য উৎসব শুরু

কুড়িগ্রামে গ্রাম আদালত কার্যক্রমে জনসচেতনতা বাড়াতে সমন্বয় সভা

বড়লেখায় বন্যার আশংকায় প্রস্তুত করা হয়েছে ২৩টি আশ্রয়কেন্দ্র

মেঘনা পাড়ের জেলেদের ইলিশ ধরার প্রস্তুতি

দেশীয় মাছ রক্ষায় অবৈধ জালের গুদামে অভিযানের দাবি