ঢাকা বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

তাড়াশে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়ার একমাত্র রাস্তার বেহাল দশা


তাড়াশ প্রতিনিধি photo তাড়াশ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১-৫-২০২৬ দুপুর ১:১৭

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার ঘরগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বর্ষা মৌসুমে কাদা-পানিতে ডুবে ডুবে স্কুলে লেখাপড়া করতে হয়। অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে তাদের স্কুলে আসা বন্ধ হয়ে যায়। এই  স্কুলটি রানিরহাট-মান্নাননগর আঞ্চলিক সড়কের ঘরগ্রাম ওবদা বাধ হতে ১ কিলোমিটার দূরে ঘরগ্রাম  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে প্রতিষ্ঠিত। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ওই স্কুলে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সেখানে হাঁটু সমান কাদা জমে নর্দমা হয়ে গেছে । ফলে রিকশা-ভ্যান তো দূরের কথা, মানুষের হেঁটে চলাচল করাও দুরূহ হয়ে পরেছে। তার মধ্য দিয়ে আমরা ওই স্কুলে পৌছিলে সেখানকার ছাত্র ছাত্রী ও শিক্ষকরা এবং স্থানীয় জনগন তাদের কষ্টের কথা জানান। এলাকাবাসী দ্রুত এই সড়কটি সংস্কারের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের দাবি, স্কুলের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার স্বার্থে  ও জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

ওই স্কুলের শিক্ষার্থীরা বলে আমরা স্কুলে আসি অনেক কষ্ট করে। বৃষ্টি হলে রাস্তায় হাটু পর্যন্ত  কাদা হওয়ায় আমরা খালি পায়ে এসে পা ধুয়ে তারপরে ক্লাসে প্রবেশ করি। পোশাক নষ্ট হয়ে যায়।
আরেকজন শিক্ষাথী বলে বৃষ্টি আসলে আমরা স্কুলে আসতে পারি না। রাস্তায় কাদা থাকায় চলাচল করতে পা পিছলে পরে যাই।  
স্থানীয়রা জানান, কৃষি নির্ভর এই এলাকার মানুষজন প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়েই পায়ে হেঁটে অথবা অটো রিকশায় করে ধানসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য হাটে নিয়ে যায। কিন্তু  এই রাস্তার অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ। কোনো গাড়ি একবার এই রাস্তায় প্রবেশ করলে দ্বিতীয়বার আর আসে না। ফলে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে পারছেন না।
স্থানীয় কৃষক  শাহিনুর রহমান শাহিন  বলেন, দীর্ঘদিন যাবত আমরা এই রাস্তার জন্য কষ্ট করছি।  “ধান হাটে নেওয়ার জন্য এখানে কোনো গাড়ি পাওয়া যায় না। কেউ রাজি হলেও ১ মন ধান নিতে ৭০থেকে ৮০ টাকা ভাড়া চায়, যা আমাদের জন্য বহন করা কষ্টকর।”
ঘরগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এই রাস্তাটি বিদ্যালয়ে আসার একমাত্র রাস্তা বৃষ্টি হলেই স্কুলে আসা যাওয়ার সময় অনেক ছাত্র, ছাত্রীরা  পরে যায়। ফলে তাদের জামা কাপড় বই পুস্তক কাঁদা পানিতে নষ্ট হয়ে যায়। তিনি আরও জানান যদি দ্রুত এই রাস্তটি পাকা করণ করা না  হয় তাহলে ছাত্র, ছাত্রী স্কুল বিমুখ হবে।

তাড়াশ উপজেলা শিক্ষা অফিসার আপেল মাহমুদ বলেন, এই রাস্তা টি পাকা করনের জন্য আমরা বিভিন্ন দফতরে জানিয়েছি। সর্বোপরি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট আবেদন দেওয়া হয়েছে।
তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক বলেন, এই সড়কটির বিষয়ে আমরা অবগত আছি। সরেজমিনে পরিদর্শন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।

এমএসএম / এমএসএম

শিক্ষার্থীদের যৌন হেনস্থার অভিযোগ: সপ্তাহ ধরে পলাতক প্রধান শিক্ষক

দুর্নীতিমুক্ত হাটিকুমরুল ইউনিয়ন গড়তে চান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী উজ্জ্বল

ভাত না খেয়ে ১৩ বছরে কিশোর বাঁধন

বড়লেখায় জাতীয় ভিটামিন 'এ প্লাস' ক্যাম্পেইনে টিকা পাবে ৩২ হাজার শিশু

বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সন্দ্বীপে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

গ্রেপ্তারের একদিন পর কারাগারে সাতকানিয়ার এক যুবলীগ নেতার মৃত্যু

পেকুয়ায় উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

নগরকান্দার তালমা ইউনিয়ন পরিষদে উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

টাঙ্গাইলের কৃষক কবির হোসেনের দাফন সম্পন্ন

পেকুয়ায় স্বপ্নসারথি কিশোরীদের স্বাবলম্বী করতে ব্র্যাকের উদ্যোগে বিনামূল্যে হাঁস-মুরগি বিতরণ ও প্রশিক্ষণ

পত্নীতলায় অযোগ্য পণ্য ধংস করলো কাস্টমস

রাতের আঁধারে ধোপাজান নদীর বালি-পাথর লুট, পুলিশের অভিযানে ট্রলি-ট্রাকসহ আটক ২

প্রবাসীদের নিয়ে মানবিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংঘটন "নয় বাড়ীয়া ফোরাম"র নতুন কমিটি ঘোষণা