পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রস্তুত নড়াইলের বিশাল আকৃতির গরু ‘বাহুবলি’
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে নড়াইল সদর উপজেলার খড়রিয়া গ্রামের রিপন মিনার খামারে ২৫ মণ ওজনের বিশাল আকৃতির গরু ‘বাহুবলি’। এই গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে ১০ লাখ টাকা। এলাকাবাসীর দাবি, এটি নড়াইলের অন্যতম বড় গরু।গরুটিকে লালন-পালন করতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে খামার মালিকের। বাহুবলিকে দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করছেন, যা এলাকায় এক উৎসবের আমেজ তৈরি করেছে।বিএনপির আদর্শে বিশ^াসী রিপন মিনা তার খামারের সবচেয়ে বড় গরু বাহুবলিকে নড়াইল-১ আসনের এমপি বিশ^াস জাহাঙ্গীর আলমকে ভালোবেসে দিতে চান।
খামার মালিক রিপন হোসেন মিনা জানান, ২০১৮ সালে ৮টি গরু নিয়ে শুরু করা খামারে এই বছর কোরবানির জন্য তিনি মোট ২২টি গরু প্রস্তুত করেছেন।তার খামারের গরুগুলি সুঠাম দেহের ও শক্তিশালী।প্রত্যেকটি গরুর মূল্য সর্বনি¤œ ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা। বিশাল আকারের বাহুবলি নামের গরুসহ খামারের প্রতিটি গরুকে পরিবারের সদস্যের মতোই পরম যতেœ লালন পালন করা হয়ে থাকে। সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খড়, খৈল, ভুষি, ঘাস খাইয়ে এই খামারের গরুগুলিকে বড় করা হয়েছে। এর পেছনে মালিকের পাশাপাশি গৃহকর্তী রোজিনা পারভীনের (রিপন মিনার স্ত্রী) অনেক শ্রম, সময় ও অর্থ ব্যয় হয়েছে।রিপন মিনার স্ত্রী রোজিনা, খামার পরিচর্যায় নিয়োজিত আজিমুল মিনা ও পারুল বেগম যখন বিশাল দেহ আকৃতির গরুর কাছে যান,শরীরে হাত দেন তখন শক্তিশালী বাহুবলি নামের গরুসহ খামারের অন্যান্য গরু শান্ত হয়ে যায়। ঈদের বাজারে যদি ভালো দাম পাওয়া যায় তাহলে পরিশ্রম সার্থক হবে বলে তিনি জানান।
খড়রিয়া গ্রামের গিয়াস মিনা বলেন, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বাহুবলি নামের বিশাল আকৃতির গরু দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন উৎসুক জনতা ভিড় করছেন। কেউ কেউ এর বিশাল আকৃতি দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন, আবার কেউ কেউ এর স্বাস্থ্য ও লালন পালনের ভূয়সী প্রশংসা করছেন।
জেলা প্রাণি সম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির জন্য জেলার ৩ উপজেলায় মোট ৪৫ হাজার ৪৯৭টি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে।এর মধ্যে ষাঁড় ১৪হাজার ৮৭৪টি, বলদ ৬৩৯টি, গাভী ৫হাজার ১৪১টি, ছাগল ২৪ হাজার ৭৮৮টি, ভেড়া ৫৫টি রয়েছে। জেলায় কোরবানির জন্য মোট ৩৯ হাজার ৭৩৩টি গবাদিপশুর চাহিদা রয়েছে। ফলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ৫ হাজার ৭শ’৬৪টি উদ্বৃত্ত পশু অন্য জেলায় পাঠানো যাবে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো: রাশেদুল হক জানান, নিরাপদ গবাদিপশুর মাংস উৎপাদনের লক্ষ্যে নড়াইলে খামারসহ গৃহস্থালি বাড়িতে যেসব গরু-ছাগল লালন-পালন করা হচ্ছে, প্রাণি সম্পদ বিভাগের লোকজন তা নিয়মিত মনিটরিং করে থাকেন।স্বাভাবিক খাবারের মাধ্যমে সুস্থ সবল গরু পালনে খামারিদের প্রাণি সম্পদের ডাক্তাররা নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে থাকেন।গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাটগুলোতে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিমের সদস্যরা কাজ করে থাকেন। সামনে কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে খামারিরা কম-বেশি লাভবান হবেন বলে তিনি আশাবাদী।
এমএসএম / এমএসএম
ধামইরহাট পৌরসভার রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত
শার্শায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
পিরোজপুরে শিশু শ্রম ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান
গ্রাম পুলিশ নিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ইউপি সদস্য
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রস্তুত নড়াইলের বিশাল আকৃতির গরু ‘বাহুবলি’
আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাড়ি বেঁচা-কেনার রমরমা বাণিজ্য, একেক জনের দখলে একাধিক
বড়লেখায় নবাগত ইউএনও’র সাথে নিসচা’র মতবিনিময়
নন্দীগ্রামে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ
মান্দায় উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা
গোপালগঞ্জে শ্রেষ্ঠ কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মাননা পেল টুঙ্গিপাড়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ
মুকসুদপুরে নাট্যজন কল্যাণ দাসের স্মরণ সভা
টাঙ্গাইলে আধুনিক মৌমাছি পালন ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত