ঢাকা শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬

মধুখালী বৈকণ্ঠপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার নামে লুটপাটের অভিযোগ


মেহেদী হোসেন পলাশ, মধুখালী  photo মেহেদী হোসেন পলাশ, মধুখালী
প্রকাশিত: ২৩-৫-২০২৬ দুপুর ১:২২
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বৈকণ্ঠপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কনক লতা দাসের বিরুদ্ধে কাজ না করেই ভুয়া ভাউচার তৈরি করে বিল উত্তোলনের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
শনিবার (১৬ মে) সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে জানা যায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিদ্যালয়টির মেরামত কাজের জন্য ১ লাখ ৫০ হাজার ২৬ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দের শর্ত অনুযায়ী মোট টাকার ১৫ শতাংশ ভ্যাট সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, বরাদ্দের সম্পূর্ণ টাকার কাজ দেখানো হলেও বাস্তবে অনেক কাজই করা হয়নি। একটি নিম্নমানের ১৮ ওয়াটের একটি বৈদ্যুতিক বাল্বের মূল্য  ভাউচারে প্রতি পিস ৮০০ টাকা দেখানো হয়েছে। ভাউচার ওয়ালটন কোম্পানির বৈদ্যুতিক বাল্ব কেনা হয়েছে বলে লেখা আছে,তবে ভাউচারের নাম্বারে ফোন দিয়ে উক্ত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে জানা যায় তারা গত এক বছরেও ওয়াল্টন কোম্পানির কোন বাল্ব বিক্রয় করে নাই।  এছাড়া টিউবওয়েলের একটি ওয়াশারের বাজার মূল্য প্রায় ১৫০ টাকা হলেও ভাউচারে ১ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। একইভাবে বৈদ্যুতিক তার বাবদ ১২ হাজার টাকার হিসাব দেখানো হলেও সরেজমিনে  ১ হাজার টাকার তার ব্যবহার করা হয়নি।
পানির মটর মেরামত বাবদ ২৪৮০ টাকা বিল করা হয়েছে,তবে জানা যায়  বিদ্যালয়ের পানির মটরটি কখনোই মেরামত করা হয়নি। অন্য একটি ভাউজারে দেখা যায় ইট বালু সিমেন্ট দিয়ে ছোট্ট একটি হাউজ বানানো হয়েছে যার খরচ ৭ হাজার টাকা।এলাকার মানুষ জানায়, ইট বালু আগে থেকেই ছিল শুধুমাত্র সিমেন্ট ও মিস্ত্রি খবর এত কিভাবে হয়। শ্রেণীকক্ষে বাচ্চাদের বসবার কার্পেট না কিনেও কার্পেটের বিল করা হয়েছিল,তবে অভিভাবকদের প্রশ্নের মুখে পরে কার্পেট ক্রয় করে আনা হয়েছে । একটি ঝুড়ির মূল্য ২১০ টাকা,একটি বালতির মূল্য ২০০ টাকা ও একটি মগের মূল্য ৬৬ টাকা দেখানো হয়েছে।
দেখা যায় একাধিক ভাউচারে একই হাতের লেখা রয়েছে,এতে বোঝা যায় এই ভাউচার গুলো ডুবলিকেট বানানো হয়েছে। 
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কনক লতা দাস বলেন, “আমি যে টাকা পেয়েছি, সব টাকার কাজ করেছি, তবে ট্যাক্সের টাকা সংযুক্ত করতে গিয়ে আমাকে হিসাব গরমিল করতে হয়েছে।  বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি আরো বলেন এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত রুপা ঘোষ রয়েছে, তিনি বিষয়টি অবগত রয়েছেন। শিক্ষা কর্মকর্তা রুপা ঘোষ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি আমরা জেনেছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এ বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। 
বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবি তোলা হয়। 

এমএসএম / এমএসএম

উলিপুরে মাদক বিরোধী অভিযানে ইয়াবা উদ্ধার আটক ১

নেছারাবাদে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারি জালের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান, বিপুল পরিমাণ জাল জব্দ ও ধ্বংস

ঘোড়াঘাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

বারহাট্টায় পুলিশের অভিযানে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

রায়গঞ্জে গ্রামবাসীর ৩০ লাখ টাকায় ৪০ বছরের জলাবদ্ধতা নিরসন, চাষের আওতায় ৫ হাজার বিঘা জমি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমবাগান থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা তৈরির বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার

সাতকানিয়া উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার 'সর্দার জাহাঙ্গীর বাক্সে'টাকা দিলেই উল্টে যায় দখল প্রতিবেদন

তেঁতুলিয়ায় ইউএনওসহ ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে কর্মকর্তা ও জনবল সংকট : স্থবির প্রশাসনিক ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড

গোদাগাড়ীতে ৯১৯ বস্তা সার জব্দ, কৃষকদের কাছে সরকারি দামে বিক্রি

ভোলার দৌলতখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ৯টি স্থাপনা ভস্মীভূত, অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি

মামলার জালে নিজ সম্পত্তি থেকে বেদখল বৃদ্ধ,প্রতিবাদ করলে ঠুকে দেওয়া হচ্ছে মামলা

জন্মনিবন্ধন জালিয়াতির অভিযোগে বড়লেখায় যুবককে অর্থদণ্ড

বারহাট্টায় সরকারি প্রণোদনার সার দোকানে বিক্রি: ব্যবসায়ীকে জরিমানা