তিস্তায় পাহাড়ি ঢল: প্লাবিত নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল, লালমনিরহাটে পানিবন্দি ১০ হাজার পরিবার
উজানের ঢল আর টানা বৃষ্টিতে আবারও ফুঁসে উঠেছে তিস্তা নদী। লালমনিরহাটের নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে হু হু করে পানি প্রবেশ করায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসিন্দারা। প্লাবিত হয়েছে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল এলাকা। জেলার পাঁচটি উপজেলার অন্তত ১০ হাজার পরিবার এখন পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে গ্রামীণ কাঁচাপাকা সড়ক ও বাদাম-সবজিসহ চলতি মৌসুমের বিভিন্ন ফসল। ঘরবাড়িতে পানি ওঠায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, চরাঞ্চলের বহু পরিবারে বন্ধ রয়েছে রান্নাবান্না।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, গতকাল রাতে ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে ব্যারেজ পয়েন্টে পানি কিছুটা কমলেও নদীর ভাটি অঞ্চলে এখনো পানির টান কমেনি, ফলে অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হঠাৎ তিস্তার পানি বৃদ্ধি পায়। এতে লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ও খুনিয়াগাছ; হাতীবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়ি ও গড্ডিমারী এবং আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচাসহ বেশ কিছু এলাকার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়।
জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী চরের বাসিন্দা ফজলুল হক (৪৫) বলেন, রাতের অন্ধকারে হঠাৎ করেই ঘরে পানি ঢুকে গেছে। বিছানার কাছাকাছি আসছে পানি। চুলা ভিজে গেছে। তাই বন্ধ রান্নাবান্না। আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা এলাকার কৃষক সোলেমান মিয়া (৫২) বলেন, নদীতে পানি আসায় চরের সব বাদাম আর খেতের সবজি পানির নিচে তলায়া গেছে। এদিকে বাড়িঘরে পানি উঠছে। আমার বাড়ি যাওয়ার সড়কটিও পানিতে তলে গেছে। নদীপাড়ের বাসিন্দারা জানান, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে কয়েক দফায় বন্যা ও ভাঙনের মুখে পড়তে হয় তাদের। স্থানীয়দের দাবি, নদী খনন ও স্থায়ী সমাধান ছাড়া এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তির কোনো উপায় নেই।
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার রায় জানান, উজানের ভারী বৃষ্টিপাতের কারণেই নদীর পানি এভাবে ওঠানামা করছে। ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে এবং বন্যা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ রাশেদুল হক প্রধান বলেন, পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে দ্রুত জরুরি সরকারি সহায়তা ও ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। দূর্গতদের জন্য ২২০ মেট্রিক টন চাল ও পাচ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এমএসএম / এমএসএম
চট্টগ্রামে রেলের জলাশয়ে জুয়ার আসর, মৌন সম্মতি
ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে টুঙ্গিপাড়ায় সংঘর্ষ, আহত ৫
বারহাট্টায় মনসা পূজা ঘিরে জমজমাট পাঁঠার হাট
দাউদকান্দিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের দুই নেতা গ্রেপ্তার
মনপুরায় পুলিশের অভিযানে উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতা আটক, জেল হাজতে প্রেরণ
আত্রাইয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
নাগরপুরে নিখোঁজ ছেলেকে ফিরে পেতে মায়ের আকুতি ১৫ দিনেও মেলেনি সন্ধান
আদালতের আদেশ অমান্য করে শিক্ষকের জমিতে ধান রোপণের অভিযোগ।
ছোট ও মাঝারি শিল্প গিলে খাচ্ছে কর্পোরেট কোম্পানি।
কমলা বেগমের নিজ বাড়িতে বসবাস করতে না পারার অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন
মানিকগঞ্জের ৭টি উপজেলায় পাটের ভালো দাম পেয়ে কৃষকের চোখেমুখে হাঁসি
শরণখোলায় পুলিশের অভিযান: ৭৭ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১
পত্নীতলায় খাদ্য গুদামে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ
Link Copied