বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো সার্কেল–১
দালালচক্রকে প্রভাব খাটিয়ে ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগ, সেবাপ্রার্থীদের ক্ষোভ
রাজধানীর বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো সার্কেল–১ (মিরপুর) কার্যালয়ে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে নতুন করে নানা অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বিআরটিএ কার্যালয়ে দালালবিরোধী অভিযানে আটক হওয়া কয়েকজন দালালকে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা তদবির ও প্রভাব খাটিয়ে ছাড়িয়ে নিচ্ছেন। এর ফলে দালালচক্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত এসব বিশেষ অভিযানের মূল কার্যকারিতা ও স্বচ্ছতা নিয়েই এখন সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক অভিযানে ফাহিম নামে এক চিহ্নিত দালালকে আটক করা হয়। কিন্তু পরে তাকে মাত্র ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, এ ঘটনায় নেয়ামত উল্লাহ হাদী নামে এক ব্যক্তি সরাসরি উপস্থিত হয়ে জোর তদবির করেন। অভিযোগ রয়েছে, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে যখনই কোনো দালাল আটক হন, তখনই সংশ্লিষ্ট চক্রের সদস্যরা দ্রুত নেয়ামত উল্লাহ হাদীকে মুঠোফোনে খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিজেকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন এবং তাঁর হস্তক্ষেপের পর আটক ব্যক্তিদের অনুকূলে নমনীয় সিদ্ধান্ত আসে বলে অভিযোগকারীরা জানান।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো সার্কেল–১ কার্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি শক্তিশালী ও সক্রিয় দালালচক্র সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে। এই চক্রের সদস্যরা ড্রাইভিং লাইসেন্স, যানবাহনের ফিটনেস সনদ, নতুন রেজিস্ট্রেশনসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা দ্রুত পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। শুধু তাই নয়, ভুয়া ব্যাংক মানি রসিদ তৈরি, জাল ফিটনেস সনদ সরবরাহ এবং বিভিন্ন ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারা কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করছে বলেও ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন। এসব কারণে প্রতিদিন বিআরটিএ-তে আসা শত শত মানুষ চরম আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি তীব্র হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
উত্থাপিত এসব গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে জানতে নেয়ামত উল্লাহ হাদীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে অভিযোগকারীর নাম জিজ্ঞাসা করেন। একই সাথে তিনি প্রতিবেদককে উদ্দেশ্য করে বলেন, যদি ঘটনা সত্য হয়ে থাকে, তবে এই ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদকের কাজ করা উচিত। অন্যদিকে, বিআরটিএর সংশ্লিষ্ট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীদের দাবি, বিআরটিএর সেবা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত করতে হলে এই প্রভাব বিস্তারের অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা, দোষীদের আইনের আওতায় আনা এবং সাধারণ মানুষের জন্য একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
এমএসএম / এমএসএম
নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের উদ্বেগ ও মুক্তির দাবি
মানুষের অধিকার ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাংলাদেশ জনতা পার্টির (বিজেপি)
উত্তরায় ১৮ লাখ টাকার মদ-বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ২
পরিকল্পিত অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে হেয় করার চেষ্টা চলছে: এডিসি শামীম
বায়তুল মোকাররমে শুরু মাসব্যাপী ইসলামী বইমেলা
রাজউকের মোবাইল কোর্টে ৪ ভবনে অভিযান, জব্দ ৪ বৈদ্যুতিক মিটার
ডাকসুর সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ছাত্রনেতা আবু তৈয়ব
উত্তরা ১১ নং সেক্টর সোসাইটির উদ্যোগে মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু
লিডস করপোরেশন ও বশির সিন্ডিকেটের হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ !
রাখি বাদ, আ: লীগের আইন সহায়ক কমিটিতে জামায়াত পরিবারের হিরণ!
উত্তরায় মাদকবিরোধী অভিযান: ১৩ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো অভিভাবক সমাবেশ ও স্বপ্নসভা