ঢাকা বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রায়গঞ্জে শিক্ষিকার বকেয়া বেতন নিয়ে ৫ লাখ টাকা সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ


সাইদুল ইসলাম আবির, রায়গঞ্জ photo সাইদুল ইসলাম আবির, রায়গঞ্জ
প্রকাশিত: ৯-৯-২০২৬ দুপুর ৪:৩৬

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার করতোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিকা আমিনা খাতুনের নামে নিয়মবহির্ভূতভাবে বকেয়া বেতন-ভাতা উত্তোলনের মাধ্যমে প্রায় ৫ লাখ টাকা সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলামের সহযোগিতার অভিযোগও করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার পারভেজ।

গত ৯ আগস্ট রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন আনোয়ার পারভেজ। অভিযোগে বিষয়টি তদন্ত করে সরকারি অর্থের সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আমিনা খাতুন ২০১৩ সালে করতোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (বাংলা) হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের মার্চে তিনি সহকারী শিক্ষক (সমাজবিজ্ঞান) বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে বেতনভুক্ত হন।

অভিযোগকারীর দাবি, বিদ্যালয়ের আরেক সহকারী শিক্ষিকা মোছা. আঙ্গুরী পারভীন ২০০৪ সালে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। বিদ্যালয়টি ২০১৯ সালে এমপিওভুক্ত হওয়ার পর থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত তিনি সহকারী শিক্ষক (সমাজবিজ্ঞান) হিসেবে সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলন করে আসছিলেন।

এ অবস্থায় ২০২১ সাল থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত একই বিষয়—সমাজবিজ্ঞান—এর বিপরীতে আমিনা খাতুনের নামে কীভাবে বকেয়া বেতন-ভাতা উত্তোলন করা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারী। তাঁর দাবি, একই বিষয়ের বিপরীতে দুই দফায় সরকারি অর্থ উত্তোলনের ফলে প্রায় ৫ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারের ক্ষতি হয়েছে।

অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, আমিনা খাতুনের বকেয়া বেতন উত্তোলনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলাম সহযোগিতা করেছেন এবং উত্তোলিত অর্থের একটি অংশ ভাগাভাগি করেছেন। তবে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থ ভাগাভাগির এ অভিযোগ এখনো তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।

অভিযোগকারী সরকারি অর্থের প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ, নিয়মবহির্ভূতভাবে উত্তোলিত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত নেওয়া এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে সহকারী শিক্ষিকা আমিনা খাতুন বলেন, “আমি কোনো সাবজেক্ট পরিবর্তন করিনি। এ বিষয়ে আপনি প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেন। আর অভিযোগের বিষয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে।”

অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, “বিধিমালা অনুযায়ী একজন শিক্ষকের বেতন-ভাতা জমা হয়। নিয়ম অনুযায়ীই বেতন উত্তোলন করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল বলেন, “বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে। তারা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।”

এদিকে অভিযোগের প্রকৃত সত্যতা ও সরকারি অর্থের ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট সময়ের এমপিও শিট, বেতন বিল, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, বকেয়া বেতন অনুমোদনের নথি এবং সরকারি অর্থ উত্তোলনের হিসাব যাচাই প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এমএসএম / এমএসএম

নির্ধারিত সময়ে অফিসে নেই কর্মকর্তারা ভোগান্তিতে সেবাপ্রত্যাশীরা

নড়াইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

গোদাগাড়ীতে বাল্যবিবাহ বন্ধ, ইমাম ও বরপক্ষকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা

কাদিয়ারভাঙ্গা বেগম রহিমারোশন মাদ্রাসায় শিক্ষা ও উন্নয়ন সমাবেশ

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে মনিরামপুর পৌরশহরে প্রায় দুই কোটি টাকার জমি উদ্ধার

পুকুরে মাছ তোলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৩

নড়াগাতীতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি আটক

কুড়িগ্রামে পানির ট্যাংকে চেতনানাশক মিশিয়ে চুরির চেষ্টা অসুস্থ -৭

পাটগ্রামে সরকারি কাজে বাধা, বিএনপি নেতা গ্রেফতার

জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

বাঘার আতারপাড়ায় নদী ভাঙ্গনে দুঃস্থ পরিবারদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ক্রীড়ামোদীদেরকে খেলাধুলা সামগ্রী বিতরণ

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে নেই মাধ্যমিক, প্রাথমিকেই থামছে শিক্ষার স্বপ্ন বাড়ছে শিশু শ্রম ও বাল্যবিবাহ