নিখোঁজ শিশু কলির খন্ডিত মৃতদেহ সাত দিন পর ডোবায় বস্তাবন্দী অবস্থায় উদ্ধার
পাবনা সদর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার সাত দিন পর কামরুন্নাহার কলি (১০) নামের এক শিশুর খন্ডিত মৃতদেহ বস্তাবন্দী অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। বস্তার ভেতরে থাকা দেহাবশেষটি ছিল খন্ডিত।
পাবনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুর্বৃত্তরা শিশুটিকে হত্যা করে তার শরীর টুকরো টুকরো করে এবং সেই খন্ডিত অংশগুলো বস্তায় ভরে ডোবায় ফেলে দিয়েছিল।
নিহত কামরুন্নাহার কলি পাবনা সদর উপজেলার দোগাছি ইউনিয়নের কুলোনিয়া গ্রামের কামাল প্রামাণিকের মেয়ে। মৃতদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে স্থানীয় ও আশপাশের এলাকার মানুষ ভিড় জমায় এবং এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় কলি তার বাবার সঙ্গে স্থানীয় শ্রীপুর বাজারে গিয়েছিল। বাড়ি ফিরে মায়ের হাতে কেনাকাটার ব্যাগ দেওয়ার পর সে বাড়ির বাইরে যায়। সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলেও সে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে বাড়ির প্রায় ২০০ গজ দূরে তার ব্যবহৃত স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা।
আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান না পাওয়ায় তার বাবা পাবনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
নিখোঁজ হওয়ার পর শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য পরিবারটি বিভিন্নভাবে তৎপরতা চালায়। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পাবনা জেলা শহরে ভুক্তভোগীর স্বজন, সহপাঠী ও প্রতিবেশীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। এর একদিন পর বুধবার সকালে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের ডোবায় বস্তাবন্দী অবস্থায় মৃতদেহটি দেখতে পান।
পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে। স্বজনরা মৃতদেহটি কলির বলে শনাক্ত করেন।
স্থানীয়দের ধারণা, তাকে হত্যা করে শরীর খন্ডিত করা হয় এবং বস্তায় ভরে ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, কলি নিখোঁজ হওয়ার পর তারা পুলিশকে বেশ কিছু তথ্য ও সম্ভাব্য সূত্র দিয়েছিলেন। তবে, সেই সূত্রগুলো নিয়ে যথাযথভাবে তদন্ত করা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, এই হত্যাকান্ডের সাথে স্থানীয় কোনো ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন যে, ওই এলাকার কারো সাথেই কামাল প্রামাণিকের কোনো পূর্বশত্রুতা ছিল না। শিশুটির বাবা কামাল প্রামাণিক এই প্রতিনিধিকে বলেন, "বুধবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে আমার মেয়ে নিখোঁজ হয়। তখন থেকেই আমরা তাকে সব জায়গায় খুঁজেছি। আমি জানতে চাই, কে আমার মেয়েকে হত্যা করেছে এবং কে আমাদের এমন এক অপূরণীয় ক্ষতির মুখে ঠেলে দিয়েছে।"
তিনি এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এমনকি মৃত্যুদন্ডের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে পাবনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম জানান, একটি বস্তার ভেতর থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ শিশুটির মৃত্যুর কারণ এবং এর সাথে জড়িতদের শনাক্ত করার বিষয়ে তদন্ত চালাচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, খুব শীঘ্রই এই হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচিত হবে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এমএসএম / এমএসএম
পর্যটন ও পরিবেশ সুরক্ষায় কুয়াকাটায় তারুণ্যের উৎসব
পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নাই,চাল আসবাবপত্র সব পুড়ে ছাই
শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে শালিখা থানা পুলিশের মোটরসাইকেল মহড়া
চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন উন্নয়ন প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের অধিগ্রহণের চেক বিতরণ
এসি বাস চালু হতেই ফের বাধা, বাঁশখালীতে আটকে দেওয়া হলো এসআর পরিবহনের দুই এসি বাস
কুমিল্লা কবি পরিষদের দাউদকান্দি শাখার সভাপতি আমিনুল হক, সাধারণ সম্পাদক শাকিল সরকার
সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান
গোপালগঞ্জে সাইফুর রহমান নান্টুর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
কক্সবাজার জেলা ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন
সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান
নড়াইলে প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণে নড়াগাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাথে বৈষম্যের অভিযোগ
ঈমান আমল ছাড়া জান্নাত পাওয়া যায় না --মুফতি আরশাদ ইদ্রিস