হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসরা
করোনা সংক্রমণে শীর্ষে খুলনা জেলা
খুলনায় আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০ জন। রোগী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। করোনা আক্রান্তের দিক দিয়ে বিভাগে খুলনার অবস্থান শীর্ষে আর মেহেরপুর রয়েছে নিম্নে। খুলনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক রাশেদা সুলতানা এ তথ্য জানিয়েছেন।
করোনা ইউনিটের ফোকাল পার্সন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, বুধবার (৯ জুন) খুলনা করোনা হাসপাতালে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৬ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৩০ জন। এরমধ্যে ৬২ জন রেড জোনে, ২৯ জন ইয়োলো জোনে, আইসিইউতে ১৮ জন এবং এইচডিইউতে ২১ জন আছেন। ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৫৭ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫১ জন।
খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. মেহেদী নেওয়াজ জানিয়েছেন, খুলনায় করোনা হাসপাতালে একসঙ্গে ১৩০ জন রোগী ভর্তি এই প্রথম। রোগীর চাপ সামলাতে চিকিৎসকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে তিন জানান।
খুলনা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার জানিয়েছেন, খুলনায় মোট নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্তের হার ২৪ শতাংশ। খুলনা জেলা ও নগরীতে নতুন করে ৮০ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ৩৩১ জনের নমুনা পরীক্ষায় এ শনাক্ত হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা জেলা ও মহানগরীর তিনজন মৃত্যুবরণ করেছেন।
উল্লেখ্য, বিভাগে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে খুলনা জেলা শীর্ষে রয়েছে। এ পর্যন্ত খুলনায় শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৯৭৯ জন। এরমধ্যে মারা গেছেন ১৯১ জন আর সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৪৮৪ জন।
পাশাপাশি বাগেরহাটে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৯১৮ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫১ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৪৬২ জন। সাতক্ষীরায় শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ১০৯ জন এবং মারা গেছেন ৪৮ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৫০০ জন।
যশোরে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭ হাজার ৬৯৯ জন, মারা গেছেন ৮৪ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৬৬০ জন। নড়াইলে শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৯৫৬ জন, মারা গেছেন ২৭ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৮৪৪ জন। মাগুরায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ২৯২ জন, মারা গেছেন ২৩ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ২১৫ জন।
ঝিনাইদহে শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ১০ জন, মারা গেছেন ৫৭ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৭৮৩ জন। কুষ্টিয়ায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৫ হাজার ৩২১ জন, মারা গেছেন ১২২ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৭৫২ জন।
চুয়াডাঙ্গায় শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ১১৭ জন, মারা গেছেন ৬৪ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৮৪৩ জন। শনাক্তের দিক দিয়ে সর্বনিম্নে রয়েছে মেহেরপুর। এখানে শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ১০১ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৩ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৮৭৬ জন।
এমএসএম / জামান
সাতক্ষীরা ভোমরা স্থলবন্দরে ২ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকার রাজস্ব আয় এনবিআর
মধুখালীতে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ভাবে অনুষ্ঠিত
চাঁদপুরে জুলাই আন্দোলনে হামলা-ভাঙচুরের মামলায় ৩৭৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
বিলাইছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে বীজ ধান বিতরণ
নিবন্ধন ও নবায়নকৃতরাই পাবে ই-রিকশার লাইসেন্স: চসিক মেয়র
ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে হায়না সদৃশ্য বন্য প্রাণীর হামলায় আহত ১০
রাণীশংকৈলে দুস্থ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করলেন এমপি জাহিদুর
সোনালী বাজার সাজেদা বেগম বিদ্যাপীঠের পরিচালনা কমিটি গঠন
মনোহরগঞ্জে মাদক ও কিশোর অপরাধকে না-শিক্ষার্থীদের শপথ অনুষ্ঠান
পটুয়াখালী রাঙ্গাবালীতে শিক্ষার্থীদের দিয়ে খাতা মূল্যায়ন, শিক্ষক বরখাস্ত
লালমনিরহাটে মাদক মামলায় চারজনে ১০ বছর কারাদণ্ড
যশোরের কেশবপুরে খাল খনন প্রকল্পের ২৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ