বশেমুরবিপ্রবি : অনিয়মিত থেকেও চুক্তির মেয়াদ বাড়ল মেডিকেল অফিসারের
নিয়মিত অফিস না করার পরও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. অভিষেক বিশ্বাসের চুক্তির মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। গত ১৬ নভেম্বর ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. মোরাদ হোসেন সাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এ চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, ডা. অভিষেক বিশ্বাসের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় তার আবেদন ও উপাচার্যের পত্রাংশে অনুমোদনের প্রেক্ষিতে তার চাকরির মেয়াদ আগামী ৩১/৩/২০২২ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হলেও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এই চিকিৎসক নিয়মিত মেডিকেল সেন্টারে উপস্থিত থাকেন না। ফলে অনেক সময় গুরুতর অসুস্থ হয়ে মেডিকেল সেন্টারে গেলেও তাৎক্ষণিক কোনো চিকিৎসা পাওয়া যায় না।
এ বিষয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সজীবুল ইসলাম সজীব বলেন, গতদিন পরীক্ষা শেষ করে আমি ও আমার এক বন্ধু চিকিৎসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে যাই। কিন্তু ডাক্তার না থাকায় আমরা চিকিৎসা সেবা পাইনি। শুধুমাত্র গতদিনই নয়, ইতিপূর্বে দুই দিন মেডিকেল সেন্টারে গিয়েও ডাক্তার পাইনি।
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থী থাকে। হঠাৎ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবাটুকুও না পায়, ডাক্তার না থাকে তাহলে এই মেডিকেল সেন্টারের কাজ কি?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারী জানান, নিয়মিতভাবেই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকতেন অভিষেক বিশ্বাস। এমনকি গত ২২ নভেম্বর মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসক না আসায় শিক্ষার্থী কর্তৃক অসৌজন্যমূলক আচরণ প্রসঙ্গে মেডিকেল সেন্টারে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা রেজিস্ট্রার বরাবর একটি আবেদনপত্রও দিয়েছেন।
আবেদনপত্রে তারা দাবি করেন, দীর্ঘদিন যাবৎ মেডিকেল সেন্টারে নিয়মিত চিকিৎক না পাওয়ায় সেবা প্রত্যাশী শিক্ষার্থীগণ মেডিকেল সেন্টারে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরন করছে। এমনকি শিক্ষার্থীরা চিকিৎসক না পাওয়ায় তাদের অফিস থেকে বের হয়ে যাওয়ার কথাও বলেছে। এমতাবস্থায় তারা সেবা প্রদানের জন্য অফিসে অবস্থান করতে ঝুঁকিপূর্ণ আশংকা করছেন।
নিয়মিত অফিস না করা প্রসঙ্গে ডা. অভিষেক বিশ্বাস এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বা শিক্ষার্থীরা যদি মনে করে এখানে আমি পর্যাপ্ত সেবা দিচ্ছি না তাহলে কর্তৃপক্ষ মেডিকেল সেন্টার অন্য কাউকে দিয়ে পরিচালনা করুক।
এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে ছয় মাসের নিয়োগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড একিউএম মাহবুব বলেন, তিনি ভালো সেবা দিচ্ছেন। শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের পরিবারসহ তার ক্লিনিকে বিনামূল্যে সেবা পাচ্ছেন।
ছাত্রদের সেবার বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে উপাচার্য বলেন, ১২ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য যেই সংখ্যক ডাক্তার প্রয়োজন, তা নেই। সম্প্রতি আমি দুজন চিকিৎসক নিয়োগ দেয়ার বিজ্ঞাপ্তি দিয়েছি এবং দ্রুত দুজন চিকিৎসক নিয়োগ দিতে চেষ্টা করছি।
এমএসএম / জামান
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান হতে ৫৩ হাজার ৬৯ আবেদন
মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ বাঙলা কলেজের আবাসিক শিক্ষার্থীরা, কলেজ প্রশাসনের নেই কার্যকর উদ্যোগ
ইবিতে শিক্ষিকা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তথ্য আহবানে গণবিজ্ঞপ্তি
পবিপ্রবি ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে রেদওয়ান ও আশিকুর
গোবিপ্রবি’তে জিএসটি গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন
অষ্টম দিনে গড়াল পবিপ্রবির ডিভিএম শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী আলোচনায় সমাধানহীন সংকট
আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তিতে ধানের পোকা দমনে নতুন প্রযুক্তি: বছরে শত শত কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা
চবির ১ম বর্ষের ক্লাস শুরু ৩ মে
চবিতে নতুন ২ সহকারী প্রক্টর নিয়োগ
চাকসু সম্পাদকের ওপর হামলায় ঘটনায় গ্রেফতার ১
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হতে পারে ৭ জুন, থাকবে অভিন্ন প্রশ্নপত্র
রমজানের সংযমে ঈদের আনন্দ: বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও প্রত্যাশা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক রইস উদ্দিন
Link Copied