ঢাকা মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬

বাঘায় জমি ভোগ-দখল নিয়ে জটিলতা


বাঘা প্রতিনিধি photo বাঘা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৭-১২-২০২১ বিকাল ৫:২৩
রাজশাহীর বাঘা উপজেলাধীন পাকুড়িয়া এলাকায় জমি ভোগ-দখল নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি পাকুড়িয়া মৌজার মধ্যে আরএস খতিয়ান নং-৬৭০, দাগ নং-৬৭৪, জমির পরিমাণ ৩২ শতাংশের  মূল মালিক সুরেন্দ্রন নাথ কর্মকার। পৈত্রিক সূত্রে মালিকানা দাবি করছেন মৃত ধীরেন্দ্রনাথ, মৃত নন্দদুলাল কর্মকার, শ্যামল কর্মকার, পুষ্পনারায়ণ কর্মকার;  সবার পিতা মৃত সুরেন্দ্রনাথ কর্মকার।
 
এদিকে দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে ক্রয়সূত্রে ভোগ-দখলে রয়েছেন মো. সামসুল হক মালিথা, মো. শহিদুল হক, মো. সাজেদুল হক ‍এবং মো. সানিউল হক মালিথা। সামসুল হক মালিথা জানান, আমার বাবা ১৯৭৬ স‍ালে এই জমি ক্রয় করেন, যার দললি নং-৩০৬০৩, ৪০৩-৫৫-৫৭/১৯৭৬ সদর অফিস, দাতা ধীরেন্দ্রনাথ, নন্দ দুলাল কর্মকার, শ্যামল কর্মকার, পুষ্পনারায়ণ কর্মকার সকলেরই পিতা মৃত সুরেন্দ্রনাথ কর্মকার।এদের মধ্যে দুজন মৃত্যুবরণ করেছেন।
 
তিনি আরো জানান, এ বিষয়ে একাধিকবার কথা হয়েছে। আমরা রাজশাহী ভূমি রেকর্ড অফিস হতে আমাদের দলিলের সত্যাতা করে দেখেছি মূল ভলিউমে আমার বাবার ক্রয়কৃত দলিল সঠিক প্রমাণিত হয়েছে। আমরা সার্চিং কপিও তুলে এনেছি। আমাদের বর্তমানে পাকা বসতবাড়ি রয়েছে এবং দীর্ঘ ৪৫ বছর ভোগ-দখলে রয়েছি। দাতা নিজেই অভিযোগকারী, উদ্দেশ্যপ্রণিতভাবে হয়রানিমূলক কথা বলে বেড়াছেন। আমার বাবার মৃত্যুর পর জানতে পারি এখনো নামজারি করা হয়নি। ইতোমধ্যে আমি বাঘা ভূমি অফিসে আমাদের প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সরকারী বিধিমোতাবেক নামজারির জন্য জমা দিয়েছি, যা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে অফিসে।
 
শ্যামল কর্মকার প্রতিবেদতের কাছে অভিযোগ করে বলেন, এসএস এবং আরএস রেকর্ডীয় মালিক ছিলেন সুরেন্দ্রনাথ কর্মকার। তিনি মারা গেলে তার ওয়ারিশগণ আমরা ৪ ভাই। আমি ৬৭০নং খতিয়ানের ৬৮৪ দাগের সরকারি ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করে আসছি মীরগঞ্জ ভূমি অফিসে। আমরা কর দিচ্ছি আর সামসুল হক মালিথা জমি ভোগ করবে, এটা কেমন কথা।
 
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা ২ ভাই বেঁচে আছি আর ২ জন মারা গেছে। ছোট ভাই পুষ্পনারায়ণ এ বিষয়ে কোনো ভূমিকা নিচ্ছে না। তাই আমি একাই পৈত্রিক সম্পদ উদ্ধার করতে বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরছি। আমি  নালিশী ‘ক’ তপসিলভুক্ত ভূমির গত ১০ জানুয়ারিতে কোর্টে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৪ ধারায় একটি অভিযোগ দায়ের করি এবং রায় চলতি বছরের নভেম্বরে বের হয়। কোর্ট হতে এসিল্যান্ড ও ওসি সাহেবকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। তার সকল কপি আমার কাছে রয়েছে। আমি ২০১৯ সালের ২৯ অক্টোম্বর বাঘা পৌরসভার আদালতে লিখিত অভিযোগ করেছিলাম। সবশেষ ২ ডিসেম্বর বাঘা থানায় আবারো জমি উদ্ধারকরণে লিখিত অভিযোগ করেছি।

এমএসএম / জামান

লালমাইয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপিত

মাদক সমাজের ক্যানসার, যুবসমাজকে সুস্থ জীবন গড়তে হবে: টুঙ্গিপাড়ার ইউএনও

পাঁচবিবিতে বিজিবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযান: ২ নারীসহ ৩ মাদক কারবারি আটক

নেত্রকোনা জেলা জিসাসের সাধারণ সম্পাদক হলেন বারহাট্টার আনোয়ার হোসেন সুমন

অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্সে বাকেরগঞ্জের ওসি আদিল: স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ, অপপ্রচারে ক্ষোভ

দাপ্তরিক কক্ষ যেন ব্যক্তিগত বাসাবাড়ি: কুড়িগ্রাম পরিবার পরিকল্পনা উপপরিচালকের কার্যালয়ে চরম বিশৃঙ্খলা

পত্নীতলায় ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

টঙ্গীতে ছাত্রদল নেতা ও তাঁর বন্ধুকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ: প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল

মনপুরায় রেঞ্জ কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে কার্যালয়ে তালা: অরক্ষিত বনভূমি ও বন্যপ্রাণী

গ্রামীণ ঐতিহ্য থেকে হারিয়ে যাচ্ছে কাচারি ঘর: বরিশালের গৌরনদীতে কালের সাক্ষী শেরেবাংলার স্মৃতিধন্য ভিটা

চারদিকে চকচকে সড়ক, মাঝখানে ২০ হাত বেহাল: রায়গঞ্জে চরম জনদুর্ভোগ

কেপিআইভুক্ত আড়ানী রেলব্রিজ পরিদর্শন করল জেলা পুলিশ

সফল আত্মকর্মী হিসেবে জাতীয় যুব পুরস্কার পেলেন আত্রাইয়ের কৃষিবিদ সামিউল ইসলাম