ঢাকা মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

বাঘায় জমি ভোগ-দখল নিয়ে জটিলতা


বাঘা প্রতিনিধি photo বাঘা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৭-১২-২০২১ বিকাল ৫:২৩
রাজশাহীর বাঘা উপজেলাধীন পাকুড়িয়া এলাকায় জমি ভোগ-দখল নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি পাকুড়িয়া মৌজার মধ্যে আরএস খতিয়ান নং-৬৭০, দাগ নং-৬৭৪, জমির পরিমাণ ৩২ শতাংশের  মূল মালিক সুরেন্দ্রন নাথ কর্মকার। পৈত্রিক সূত্রে মালিকানা দাবি করছেন মৃত ধীরেন্দ্রনাথ, মৃত নন্দদুলাল কর্মকার, শ্যামল কর্মকার, পুষ্পনারায়ণ কর্মকার;  সবার পিতা মৃত সুরেন্দ্রনাথ কর্মকার।
 
এদিকে দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে ক্রয়সূত্রে ভোগ-দখলে রয়েছেন মো. সামসুল হক মালিথা, মো. শহিদুল হক, মো. সাজেদুল হক ‍এবং মো. সানিউল হক মালিথা। সামসুল হক মালিথা জানান, আমার বাবা ১৯৭৬ স‍ালে এই জমি ক্রয় করেন, যার দললি নং-৩০৬০৩, ৪০৩-৫৫-৫৭/১৯৭৬ সদর অফিস, দাতা ধীরেন্দ্রনাথ, নন্দ দুলাল কর্মকার, শ্যামল কর্মকার, পুষ্পনারায়ণ কর্মকার সকলেরই পিতা মৃত সুরেন্দ্রনাথ কর্মকার।এদের মধ্যে দুজন মৃত্যুবরণ করেছেন।
 
তিনি আরো জানান, এ বিষয়ে একাধিকবার কথা হয়েছে। আমরা রাজশাহী ভূমি রেকর্ড অফিস হতে আমাদের দলিলের সত্যাতা করে দেখেছি মূল ভলিউমে আমার বাবার ক্রয়কৃত দলিল সঠিক প্রমাণিত হয়েছে। আমরা সার্চিং কপিও তুলে এনেছি। আমাদের বর্তমানে পাকা বসতবাড়ি রয়েছে এবং দীর্ঘ ৪৫ বছর ভোগ-দখলে রয়েছি। দাতা নিজেই অভিযোগকারী, উদ্দেশ্যপ্রণিতভাবে হয়রানিমূলক কথা বলে বেড়াছেন। আমার বাবার মৃত্যুর পর জানতে পারি এখনো নামজারি করা হয়নি। ইতোমধ্যে আমি বাঘা ভূমি অফিসে আমাদের প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সরকারী বিধিমোতাবেক নামজারির জন্য জমা দিয়েছি, যা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে অফিসে।
 
শ্যামল কর্মকার প্রতিবেদতের কাছে অভিযোগ করে বলেন, এসএস এবং আরএস রেকর্ডীয় মালিক ছিলেন সুরেন্দ্রনাথ কর্মকার। তিনি মারা গেলে তার ওয়ারিশগণ আমরা ৪ ভাই। আমি ৬৭০নং খতিয়ানের ৬৮৪ দাগের সরকারি ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করে আসছি মীরগঞ্জ ভূমি অফিসে। আমরা কর দিচ্ছি আর সামসুল হক মালিথা জমি ভোগ করবে, এটা কেমন কথা।
 
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা ২ ভাই বেঁচে আছি আর ২ জন মারা গেছে। ছোট ভাই পুষ্পনারায়ণ এ বিষয়ে কোনো ভূমিকা নিচ্ছে না। তাই আমি একাই পৈত্রিক সম্পদ উদ্ধার করতে বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরছি। আমি  নালিশী ‘ক’ তপসিলভুক্ত ভূমির গত ১০ জানুয়ারিতে কোর্টে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৪ ধারায় একটি অভিযোগ দায়ের করি এবং রায় চলতি বছরের নভেম্বরে বের হয়। কোর্ট হতে এসিল্যান্ড ও ওসি সাহেবকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। তার সকল কপি আমার কাছে রয়েছে। আমি ২০১৯ সালের ২৯ অক্টোম্বর বাঘা পৌরসভার আদালতে লিখিত অভিযোগ করেছিলাম। সবশেষ ২ ডিসেম্বর বাঘা থানায় আবারো জমি উদ্ধারকরণে লিখিত অভিযোগ করেছি।

এমএসএম / জামান

শ্রীমঙ্গলে শ্রীশ্রী প্রভু জগদ্বন্ধু আশ্রম ও মিশন পরিদর্শনে ভারতের সহকারী হাই-কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস

৩১৫ কেজি পলিথিন জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

মাদকসেবনের দায়ে যুবকের জেল-জরিমানা

সমবায়ের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান, কাউনিয়ায় বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়া সঙ্গীত নিকেতন এর বার্ষিক সঙ্গীত সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

শিবচরের পাঁচ্চর বাজারে অভিযান, ১৬ হাজার টাকা জরিমানা

মাদারীপুরে ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেফতার

রাণীশংকৈলে ৩দিন ব্যাপি কৃষি-প্রযুক্তি মেলা

বটিয়াঘাটা সালেহা হত্যা মামলার পলাতক আসামি সিজার গ্রেফতার

মাগুরায় ১৫০ মিটার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন, মনোয়ার হোসেন

শেরপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'চেষ্টা'র উদ্যোগে দুই গৃহহীন নারী পেলেন বাড়ি

নওগাঁ জেলা এ্যাডভোকেট বার এ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন

নন্দীগ্রামে মাদক ও ওয়ারেন্ট মূলে গ্রেফতার ৭