ঢাকা বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬

খুপরিঘরে ৩০ বছর, জোটেনি সরকারি বরাদ্দের ঘর


মহেশপুর প্রতিনিধি photo মহেশপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩-২-২০২২ দুপুর ৪:৩৮

‘আসমানীদের দেখতে যদি তোমরা সবে চাও, রহিমন্দীর ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও। বাড়ি তো নয় পাখির বাসা-ভেন্না পাতার ছানি, একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি। একটুখানি হওয়া দিলেই ঘর নড়বড় করে, তারি তলে আসমানীরা থাকে বছর ধরে‘ কবি জসীমুদ্দীনের কবিতার সাথে মিলে রেখেই চলছে শাহাজাহান হাওলাদারের জীবন। তবে ভেন্না পাতার পরিবর্তে তালপাতা ও পলিথিনের ছাউনিতে কাঠগড়া বাওড় ও পুকুরের পাড়ে তৈরী জরাজীর্ণ দুঃখ-কষ্ট নিয়ে প্রায় ৩০ বছর ধরে মানবেতর জীবন যাপন করে আসছেন ভূমিহীন ৮০ বছরের বৃদ্ধ। বলছিলাম জেলার মহেশপুর উপজেলার মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামের ৮০ বছরের বৃদ্ধ শাহাজাহান হাওলাদারের কথা। 

সহায়-সম্পদ না থাকা ভূমিহীন শাহাজাহান দম্পতি প্রায় ৩০ বছর ধরে মানবেতর জীবন যাপন করলেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরকারের কাছ থেকে পায়নি কোন সাহায্য সহযোগিতা কিংবা একটু সহানুভূতি। বৃদ্ধা দম্পতি প্রকৃতির ভালোবাসা নিয়ে বেঁচে আছে। প্রকৃতিই যেন তাদের অভিভাবক!

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় তালপাতা ও পলিথিনের ছাউনি দিয়ে তৈরি একটি মাত্র ঘর, যা বসবাসের অনুপযোগী। স্ত্রী অন্যের বাড়িতে ও ক্ষেতে কাজ করে এবং সে পুড়াপাড়া বাজারে সাহায্য তুলে চলে তাদের সংসার। নিজস্ব কোন জমি-জয়গা না থাকায়  সরকারি সহায়তায় ভূমিহীনদের ঘর দেয়ার খবরে  জীবনের পড়ন্ত বেলায় স্বপ্ন বুনছেন শাহাজাহান হাওলাদার। তবে সেই স্বপ্ন কখনো বাস্তবে রূপ পাবে কিনা অনিশ্চিত তিনি। কারন অনেকবার চেয়ারম্যান মেম্বারদের বলেও কোন লাভ হয়নি। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে নিজে ও স্ত্রীকে নিয়ে একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই পাওয়ার স্বপ্ন তার। 

প্রতিবেশীরা জানান,একটু ঝড়বৃষ্টি হলেই তারা আমাদের বাড়িতে আশ্রয়ের জন্য ছুটে আছে,তারা অসহায় মানুষ। আমরা আপদ বিপদে তাদের সাহায্য সহযোগীতা করার চেষ্টা করি। প্রধান মন্ত্রী তো দেশের অনেক গরীব অসহায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাথা গোজার ঠাই করে দিচ্ছে। সরকার যদি তাদের একটা বাসস্থানের ব্যাবস্থা করে দেয় তাহলে খুব ভাল হয়। 

ভূমিহীন অসহায় শাহাজাহান হাওলাদার কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান,আমার দেখার মতো কেউ নেই, এক ছেলে আছে সে পাশেই পরিবার নিয়ে থাকে। তারই নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। কদিনই আর বাজবো বাবা কতবার চেয়ারম্যান মেম্বারদের বলেছি ঘর পাইনি। আপনাদের মাধ্যমে যদি, সরকার যে ঘর দিচ্ছে, সে ঘর আমার দেয় তাহলে শেষ বয়সে  স্ত্রীকে নিয়ে একটু মাথা গোজার ঠাই পেতাম।      
স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহিনুর রহমান জানান,সে সরকারী ঘর পাবার যোগ্য, নতুন করে বরাদ্ধ এসছে কিনা আমার জানা নেই,যদি আসে তাহলে সে অবশ্যই পাবে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত)আনিসুল রহমান বলেন, বিষয়টি আমি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখছি,সে যদি ভূমিহীন হয় তাহলে অবশ্যই মুজিব বর্ষে প্রধান মন্ত্রীর উপহার  ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের তালিকায় তাকে আনা হবে। এবং তাকে জমিসহ বাড়ি উপহার দেওয়া হবে ।

শাফিন / জামান

শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে কুমিল্লায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ

গ্লোবাল স্কলার্স অলিম্পিয়াডে স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক পেলেন জুড়ীর ওয়ারিশা রাহমান

আওয়ামিলীগের সাথে কোন আপোষ নয় - মনিরুল হক চৌধুরী

প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে বিএনপির গফুর ভূঁইয়ার রিট

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের মাধ্যমে নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে: পিআইবি মহাপরিচালক

সাভারে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের হ্যাঁ ভোটের প্রচারণা

আত্রাইয়ে ট্রেন-ট্রাক সংঘর্ষে অল্পের জন্য শত শত যাত্রী প্রাণে রক্ষা

আমার উপজেলা আমার দায়িত্ব—শিশুর জীবন হোক বাল্যবিবাহ মুক্ত

রূপগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া

নেত্রকোনার মদনে লাহুত হত্যা মামলার আট মাসেও মিলেনি চার্জশীট

দেয়াল পত্রিকা ইভেন্টে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের লাবিবা

তানোরে ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে নির্বিচারে হাঁস মুরগী মেরে ফেলার অভিযোগ

বাংলাদেশ একটা আধুনিক রাষ্ট্র হতে হবে, সুপ্রদীপ চাকমা