ঢাকা বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে জবি নীল দলের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত


ইউছুব ওসমান, জবি  photo ইউছুব ওসমান, জবি
প্রকাশিত: ১৮-৩-২০২২ দুপুর ১০:৪৯
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নীল দলের আয়োজনে ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন : বাঙ্গালি জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার শুভক্ষণ’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে অনলাইন প্লাটফর্ম জুমের মাধ্যমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 
 
আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুর্শিদা বিনতে রহমান। আলোচক হিসেবে ছিলেন পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সিদ্দিকুর রহমান এবং দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম। 
 
প্রধান আলোচক মুর্শিদা বিনতে রহমান বলেন, বাঙালি যে শোষণ ও বঞ্চনার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলো, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেখানে থেকে এই জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মের মধ্য দিয়েই একটা শুভক্ষণের সূচনা হয়েছিল। সেই সময়ে চলমাম ব্রিটিশ কলোনিয়াল ও সাম্রাজ্যবাদের কালো ছায়া পুরো ভারতবর্ষকে যেভাবে গ্রাস করেছিল, বঙ্গবন্ধুর জন্মের পর বাঙালি জাতির জন্য তার সংগ্রাম, ত্যাগ তাকে মহামানবের আসনে বসিয়েছে। বাঙালির মুক্তির জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করে গিয়েছেন। ছয়দফা দাবির মাধ্যমে বাঙালির স্বাধীনতার বীজ বপন করেছেন। তার পুরো জীবনেরর আদর্শিক দিককে বিবেচনা করলে দেখা যায়, তিনি জনসভায় যখনই কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন আমার মানুষ। সবাইকে একই সুতোয় বেধে তিনি ভালোবেসেছেন, মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেছেন।
 
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মের মধ্য দিয়েই সেই সময়টা ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছে। তাঁর জন্মের মধ্য দিয়েই একটি শুভক্ষণের সূচনা হয়েছে। স্বপ্ন সবাই দেখাতে পারে, কিন্তু সেই স্বপ্ন সবাই সৃষ্টি করতে পারেনা। যারা স্বপ্ন সৃষ্টি করতে পারে তারাই মহামানব। প্লেটো যেমন তার বিখ্যাত গ্রন্থ 'দ্যা রিপাবলিক' এর মাধ্যমে স্বপ্নের সৃষ্টি করেছেন, তেমনই বঙ্গবন্ধুও বাঙালি জাতির জন্য স্বপ্নের সৃষ্টি করেছিলেন। আর তার মাধ্যমেই ইতিহাসে মহানায়ক হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।
 
শিক্ষক সমিতির সহসভাপতি অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিলো ছোটবেলা  থেকেই। তিনি সবসময়ই বাঙালির মুক্তির জন্য সংগ্রাম করে এসেছেন। পূর্ব পাকিস্তান থেকে সর্বপ্রথম বাংলাদেশের নামকরণও তিনিই করেছিলেন।
 
তিনি আরো বলেন, মুজিব কোর্ট পরে কেউ হয় এমপি-মন্ত্রী, কেউ হন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা। মুজিব কোর্ট পরে অনেক শিক্ষার্থী করে চাঁদাবাজি, কেউবা করে বেগমপাড়ায় বাড়ি। এতে মুজিব কোর্টের অবমাননা করা হয়। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন। আর এই পরিবর্তন হলেই দেশ এগিয়ে যাবে।
 
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নীল দলের সভাপতি ও সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনার সভার সঞ্চালনা করেন সমাজকর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বুশরা জামান ও রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাফিস আহম্মেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নীল দলের সাধারণ সম্পাদক ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কামাল হোসেন।
 
এছাড়াও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আবুল কালাম মো. লুৎফর রহমান, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালকবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

এমএসএম / জামান

কুবির শিক্ষকদের ৫ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার; যা বলছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা

জুলাই শহীদদের স্মরণে পবিপ্রবিতে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন কুবি শাখার সভাপতি ইফতি সাধারণ সম্পাদক শাওন

জুলাই আন্দোলনে শহীদ কাইয়ুমের পরিবারকে আমন্ত্রণ জানাতে সাভারে কুবি প্রশাসন

সরকারি বাঙলা কলেজে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রকল্যাণের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতি বন্ধের দাবিতে উপাচার্যের কাছে কুবি ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি

প্রবাসী কর্মীদের পুনর্বাসনে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর

জুলাই অভ্যুত্থান ও ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী লড়াইয়ের স্মরণে শেকৃবিতে যুক্ত হলো ‘হাদি চত্বর’

জবির অস্থায়ী হলের ২০ কোটি টাকা, ১০ তলা ভবন প্রকল্প

দুই দশকে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষা-গবেষণায় অগ্রযাত্রা

রমনা রেজিমেন্ট বিএনসিসির ১৪ দিনব্যাপী ব্যান্ড প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত

নোবিপ্রবিতে জুলাইয়ের তিন মুখ, আজ তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে

‎নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পুলিশ-ডিবি’ পরিচয়ে প্রতারণা: টার্গেট অভিভাবক