সাতক্ষীরায় হোটেল মালিক ও বাবুর্চির কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নারী শ্রমিককে মারপিট
সাতক্ষীরায় হোটেল মালিক ও বাবুর্চির কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নারী শ্রমিককে মারপিট করার ফলে মারাত্মক আহত ও জখম অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ওই নারী হোটেল শ্রমিক।
অভিযোগে জানা যায়, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শহরতলীর লাবসা বাইপাস সড়কের জিরো পয়েন্টে অবস্থিত হোটেল সিটি ইনে নারী শ্রমিক হিসেবে কয়েক মাস আগে কাজ নেন আশাশুনি উপজেলার শীতলপুর গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর মেয়ে তিন সন্তানের জননী নাসিমা খাতুন (৩৮)।
মারাত্মক জখম নাসিমা সোমবার সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে বেডে শুয়ে কাতরাতে কাতরাতে বলেন, তিনি ১৭ এপ্রিল রোববার প্রতিদিনের ন্যায় হোটেল সিটি ইনে কাজে যান। কাজ করতে থাকার একপর্যায়ে বাবুর্চি আজিজুল ইসলাম তাকে জড়িয়ে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় সে বাধা দিলে তাকে মারপিট করে এবং গরম খুন্তি দিয়ে তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে ছ্যাকা দেয়। গরম খুন্তির ছ্যাকা দেয়ায় তার ডান স্তনের অর্ধেক অংশ পুড়ে গেছে এবং বুক, পিঠ, ঘাড় ও হাতের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় দাগ হয়ে গেছে। এ ঘটনার পর হোটেল মালিক মফিজুল ইসলাম ও কবির হোসেন তাকে সারাদিন হোটেলের একটি রুমে আটকে রাখে। ফলে তার শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে রক্তক্ষরণ হয়েছে। একপর্যায়ে সহকর্মীদের সহযোগিতায় সেখান থেকে পালিয়ে অন্যদের সহযোগিতায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
নাসিমার স্বামী ইসরাফিল ইসলাম জানান, তিনি খবর পেয়ে হাসপাতালে এসেছেন। তার স্ত্রী ওই হোটেলে কাজ নিয়ে পার্শ্ববর্তী লাবসায় ভাড়া বাড়িতে থাকে।
নাসিমা জানান, হোটেল সিটি ইনের দুই মালিক মফিজুল ইসলাম ও কবির হোসেন এবং বাবুর্চি আজিজুল ইসলাম প্রায়ই তাকে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে ঘটনার দিন এভাবে মারপিট করা হয়েছে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নাসিমাকে সেবাকারী সহকর্মী ওই হোটেলের সাবেক কর্মী রওশান আরা ও বিউটি জানান, তাদের সাথেও একই রকম আচরণ করার একপর্যায়ে তারা কাজ ছেড়ে দিয়েছেন। তার এর বিচার চান।
সরজমিন হোটেল সিটি ইনের অভিযুক্ত বাবুর্চি আজিজুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি ওকে (নাসিমা) জড়িয়ে ধরেছিলাম। তখন সে আমাকে মারার জন্য উদ্যত হলে আমি মারপিট করেছি। সেও আমাকে মেরেছে। তাকে ধর্ষণচেষ্টা করেছি, তবে ধর্ষণ করিনি। আমি ভুল করেছি। আর কখনো এরকম কাজ করব না।
হোটেল সিটি ইনের দুই মালিক মফিজুল ইসলাম ও সদর উপজেলার লাবসা গ্রামের কবির হোসেনের সাথে মোবাইলে কথা বললে তারা বলেন, দুর্ঘটনা ঘটে গেছে। আগামীতে আর এরকম হবে না। তারা দুজনই তাদের হোটেলে নারী শ্রমিকদের যৌন নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করেন।
এ ঘটনায় আহত নাসিমা খাতুন সাতক্ষীরা সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এমএসএম / জামান
তারাগঞ্জে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশের খুলি ও হাড় উদ্ধার
সিংড়ায় পুকুর নিয়ে বিরোধ, গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা দেয়ার অভিযোগ
বাঘা থানার অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ আটক ৮
সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি সাকিলা ফারজানাকে হাটহাজারীতে সংবর্ধনা
ক্ষেতলালে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু
পটিয়ায় বসতঘর থেকে দুই সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধার
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে সরকার: এমপি মিলন
নেত্রকোণার মদনে পোনামাছ অবমুক্তকরণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী--টুকু
কেশবপুরে স্কুলছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু নাকি হত্যা
বড়লেখায় পুলিশের অভিযানে ১৩ এয়ারগান উদ্ধার; মামলা ও জব্দ তালিকায় দুই চিত্র
জুড়ী সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের অপচেষ্টা রুখে দিল বিজিবি
পত্নীতলায় হুইল চেয়ার বিতরণ
শিবচরে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় নারী ও শিশুসহ ২ জন নিহত আহত ৩
Link Copied