রাঙ্গাবালীতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে মোশারেফ বাহিনীর হামলায় আহত ৫
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নে সোমবার বিকালে মাছধরাকে কেন্দ্র করে পলাশসহ তার ৫ জেলেকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। আহতরা হলেন- বেল্লাল হাওলাদার (২০), ধলু হাওলাদার (১৮), জুলাস সিকদার (২৪), জাহিদ সিকদার (১৯) এবং পলাশ সিকদার (২৬)।
জানা গেছে, প্রতিপক্ষ মোশারেফ হোসেন খান ওরফে মোশারেফ ও তার মোশারেফ বাহিনী তাদের কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। পলাশ তার জেলেদের কে সাথে নিয়ে সোমবার বিকালে সোনারচরে মাছ ধরার জন্য গোজ পুতে জাল ফেলে বসে থাকে মাছের অপেক্ষায়। কিছুক্ষণ পরে মোশারেফ বাহিনীর লোকজন পলাশের জালের ওপর দিয়ে জাল ফেলে । কিছু সময় পরে পলাশ তার জালের ওপর জাল ফেলা দেখে সে অন্য জালকে গুছিয়ে ডাঙায় রেখে দেয়। এ নিয়ে মোশারেফ বাহিনীর লোকজন পলাশের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ করেন এবং মারধর করার হুমকি দেন।
কিছুক্ষণ পরে মোশাররফ খান ফোন দিলে তার বাহিনীর ২০/২৫ জন মিলে পলাশ ও তার পাচ ছয়জন জেলেকে এলোপাতাড়িভাবে রামদা, ছুরি ও হাত কুঠার দিয়ে নৃশংসভাবে কোপায়। এতে দুই জন ঘটনাস্থলে জ্ঞান হারায় । আর বাকিরা গুরুতর আহত অবস্থায় পরে থাকে। অন্য জেলেরা তাদের কে উদ্ধার করে দু'জন কে বরিশাল ও বাকিদের কে গলাচিপা হাসপাতালে পাঠায়, দু'জনার অবস্থা খুবই গ্রুতর ।
ভুক্তভোগীরা বলেন, নিরীহদের মাছের ঘের দখল, জোরপূর্বক কৃষি জমিতে মাছ চাষ করা, গায়ের জোরে অন্যের জমি দখলে নেওয়া, বিভিন্ন চরে মাছ ধরা এবং নারী নির্যাতনসহ সব অনৈতিক কাজে মোশারেফ ও তার বাহিনীর নগ্ন হস্তক্ষেপ চরাঞ্চলে নিত্য নিয়মে পরিণত হয়েছে। মোশারেফ খানের নির্যাতনের শিকার নাজমা বেগম বলেন, খাস জমিতে ঘর উঠিয়ে থাকার অপরাধে মোশারেফ খানের নেতৃত্বে তার ভাই বশির খান ও তার ক্যাডারবাহিনী নাজমার বসতঘর পুড়িয়ে দিয়ে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। এ ঘটনায় মামলা করা হলেও মোশারেফ বাহিনীর ক্ষমতার দৌরাত্ম্যে হেরে যায় নাজমা। ভুক্তভোগী হানিফ হাওলাদার বলেন, তার নিজস্ব একটি মাছের ঘের দখলে নিতে নানাভাবে হয়রানি করে আসছে মোশারেফ। সব অপকর্মের হোতা মোশারেফ খানের অত্যাচারে শুধু আমরা নয়, চরাঞ্চলের মানুষ অসহায়। এ নিয়ে দেশের প্রথম শ্রেণির বিভিন্ন পেপার পত্রিকায় লেখা লেখিও হয়েছে ।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১৯ সালের জুনে চরমোন্তাজের জনৈক খলিল প্যাদার আদালতে করা দস্যুতা-চাঁদাবাজির মামলায় চরমোন্তাজ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্তমান সহ-সভাপতি মোশারেফ খানও আসামি। একই বছরে জনৈক তাহের হাওলাদারের দুই মামলায় মোশারফ খানের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি ও সন্ত্রাসী, দস্যুতার অভিযোগ রয়েছে। ওই বছরের মোসা. নাজমা বেগমের আদালতে করা একটি মামলায় তিনি আসামি।
২০১৬ সালে মোশারেফ বাহিনীর বিরুদ্ধে রাঙ্গাবালী উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা তানজিলা বেগমের একটি প্রতিবেদনেও উল্লেখ রয়েছে সন্ত্রাসী ও দস্যুতার বিবরণ। চরমোন্তাজের জনৈক ইউনুচ ব্যাপারী, হুমায়ন কবির মোল্লা, জালাল খাঁসহ ভুক্তভোগীরা মোশারেফ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা এবং ডিসি, এসপি, ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ এবং মামলা দিলেও প্রতিকার পায়নি বলে নিশ্চিত করেছেন। অনুসন্ধানে মোশারেফ গংয়ের বিরুদ্ধে অন্তত দুই ডজন মামলা ও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এমএসএম / জামান
ফরিদগঞ্জে এক ঘুষিতেই অটোরিকশা চালকের মৃত্যু
আরডিজেএ’র ইফতার ও দোয়া মহফিল অনুষ্ঠিত
রাণীশংকৈলে ঝড়-বৃষ্টিতে দেয়াল ধসে স্কুলছাত্রের মৃত্যু
সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার: ১০ মাসে আটক ৩৬২, উদ্ধার বিপুল ফাঁদ ও মাংস
ধুনটে আল-কুরআন একাডেমিক স্কুলে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
গলাচিপা পৌরসভায় ভিজিএফ-এর চাল বিতরণে অনিয়ম
ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রশ্নই ওঠে না: শিক্ষামন্ত্রী
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মদনে ইউপি চেয়ারম্যান শফি ১৭৪৭ জন গরীব অসহায় ও দুস্থদের মাঝে চাল বিতরণ
শ্রমের ঘামে নয়, রক্তে ভিজল নির্মাণাধীন ইমারত: আহত ২"
শ্যামনগরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও জলবায়ু শিশু ফোরামের যৌথ সভা
চার দেশে কর্মরত শ্রমিকদের ভিসার মেয়াদ এক মাস বাড়ছেঃ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর
পাঁচবিবিতে হঠাৎ বৃষ্টিতে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি
খালিয়াজুরীতে জুয়ার আসর থেকে আওয়ামীলীগ নেতা ও বিএনপির নেতার ভাইসহ আটক ৭
Link Copied