ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

সমাজে অবিচার গেড়ে বসেছে : পরিকল্পনামন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১-৭-২০২২ দুপুর ৩:০
সমাজে নানা ধরনের অবিচার গেড়ে বসেছে এবং এটাকে দ্রুত সরাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) নগরীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘দলিত-হরিজন সম্মেলন-২০২২’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
 
মন্ত্রী আরো বলেন, সমাজে অনেকে অবিচার ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। নিয়ম-কানুন মেনে এগুলোকে তাড়াতে হবে। সমাজে নানা ধরনের বৈষম্য দেখা যাচ্ছে, যেমন সাম্প্রদায়িক, দলিত ও হরিজন। উপমহাদেশের সমাজগুলোতে তারতম্য সবচেয়ে বেশি। এগুলো ব্রিটিশরা তাদের প্রয়োজনে করে গেছে। আমাদরে সবাইকে এগুলো দূর করতে হবে। তবে শুধু আমাদের সমাজে নয়, জাপান-ইউরোপ সব জায়গায় বৈষম্য আছে।
 
এম এ মান্নান আরও বলেন, মানুষে মানুষে বৈষম্য দেখা যাচ্ছে। নিয়মের মধ্যে ফেলে এগুলো যতোই দূর করা যায় ততোই ভালো। আমরা দলিত মানুষদের জন্য প্রকল্প নিয়ে থাকি কিন্তু প্রকল্পের প্রস্তাবনা সঠিকভাবে হয় না। অনেকে প্রকল্প তৈরিও করতে পারে না।
 
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, নাগরিক উদ্যোগের চিফ এক্সিকিউটিভ জাকির হোসেন, বেসরকারি সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম , সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টের অ্যাডভাইজার তাহেরা জাবিন প্রমুখ।
 
সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দলিত, হরিজন এবং চা - বাগান শ্রমিকেরা মিলে প্রায় ৯২ লাখ প্রান্তিক এবং উপেক্ষিত মানুষের বাস এই বাংলাদেশে। এই মানুষেরা শত বছরের প্রচলিত জাতপ্রথা এবং পেশাগত কারনে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘৃণা, বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার। এরাই সমাজের সবচেয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। এদের পরিচয়ে জুড়ে দেয়া হয়েছে অস্পৃশ্যতা এবং অপবিত্রতার মত ধারনাগুলো। মানবাধিকার সনদ কিংবা বাংলাদেশের সংবিধানে বৈষম্যহীনতার কথা উল্লেখ থাকলেও তার প্রতিফলন দলিত-হরিজনদের জীবনে নেই।
 
তারা বলেন, দলিত-হরিজনরা মূলত নির্দিষ্ট কিছু পেশায় যুক্ত। যেমন- আবর্জনা ও মলমূত্র পরিষ্কার, শূকর পালন, মৃতদেহ সৎকার, জুতা ও চামড়াজাতসামগ্রী সেলাই, কাপড় ধোয়া ইত্যাদি। এই কাজগুলো একদিকে যেমন কষ্টসাধ্য আবার অন্যদিকে মজুরিও অনেক কম। এই কাজগুলো তারা না করলে পুরো নাগরিক জীবন অচল হয়ে যাবে। নির্মম সত্য হলো, তাদের এই গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোকে ‘ঘৃণ্য’ ‘নোংরা’ বা ‘ছোটলোকি’ পেশা হিসেবে মনে করা হয়। কাজেই এ ধরনের পেশায় যুক্ত থাকার কারণে দলিত-হরিজনদেরকেও অস্পৃশ্য বা অচ্ছুৎ মনে করা হয়। এই ধারনাবোধ এতটাই শক্তিশালী যে এর প্রতিফলন সামাজিক মেলামেশা, নাগরিক অধিকার কিংবা রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে দেখা যায়। এ কারনে দলিত হরিজনেরা রাষ্ট্র ও সমাজে মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন।

এমএসএম / জামান

রৌমারীতে নদীর পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

সান্তাহারে নতুন কুড়ি স্পোর্টসের খেলোয়াড় বাছাই শুরু

ক্ষেতলালে বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে ৪০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ডিম বিতরণ

হত্যাকাণ্ডে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নীরবতা, চাঁদপুরে ইনকিলাব মঞ্চের হুঁশিয়ারি

যাত্রা শুরু করল বাঘা উপজেলা উদ্যোক্তা ফোরাম, লক্ষ্য সাইবার অপরাধ ও বেকারত্ব দূর করা

মেঘনায় নৌ-পুলিশ ও জেলেদের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ হয়ে জেলে নিহত

যাত্রা শুরু করল বাঘা উপজেলা উদ্যোক্তা ফোরাম, লক্ষ্য সাইবার অপরাধ ও বেকারত্ব দূর করা

ধুনটে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ, উঠে এল একাত্তরের যুদ্ধদিনের কথা

উলিপুর মডেল মসজিদে বয়স্কদের কুরআন শিক্ষা কার্যক্রম চালু

কুড়িগ্রাম পরিবার পরিকল্পনার ডিডি মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও হয়রানির গুরুতর অভিযোগ

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ক্লোন করে ভুয়া নিয়োগ: মূলহোতা আব্দুস সালাম গ্রেফতার

চাঁদপুরে ১০ বছর বয়সেই কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করল আশ্রাফ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক