সপ্তাহে প্রায় ৯০ মিলিমিটার বৃষ্টির পানি ঠাকুরগাঁওয়ে কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কৃষকের স্বস্তি
দেশের উত্তরের কৃষি নির্ভর জনপদ ঠাকুরগাঁও। বোরোর পর আমন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলার কৃষকেরা। কিন্তু পানির অভাবে কৃষকেরা চারা রোপন করতে পারছিলেন না। ফলে পানির অভাবে ধানক্ষেত ফেটে চৌচির হয়ে দেখা যায়। এতে করে মারাত্মক সমস্যায় পরেন এ অঞ্চলের কৃষকেরা। বেশ কিছু কৃষক শ্যালোমেশিন ও গভীর নলকূপের সাহায্যে ক্ষেতে পানি দিলেও কুলাতে পারছিলেন না। এ অবস্থায় অবশেষে বেশ কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির ফলে আমনের ক্ষেতে পানি জমেছে। বিশেষ করে উচু কৃষি জমিতে পানি জমায় কৃষকের মনে স্বস্তি এসেছে। ফলে পুনরায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন, বেগুনবাড়ি, খোঁচাবাড়ি, দানারহাট, বরুনাগাঁও ও রানিশংকৈল, শীবগঞ্জ, রহিমানপুর, জামালপুর, পীরগঞ্জ, হরিপুর উপজেলা সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় কৃষকেরা আমনের চারা রোপন ও কেউ কেউ ক্ষেত পরিচর্যা করছেন। দীর্ঘদিন পানির অভাব থাকলেও গত এক সপ্তাহের পানিতে তারা নতুন করে আমনে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন।
সদর উপজেলার নারগুন এলাকার কৃষক মো: কামাল হোসেন জানান, প্রত্যেক বছরের মত এ বছর তিনি ৩ একর (৩শ শতক) জমিতে আমন ধান লাগানো শুরু করেছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন পানি না হওয়ায় বিপাকে পরেছিলেন। অবশেষে বেশ কয়েকদিনের টানা বর্ষনের ফলে তার উচু জমিগুলোতেও বৃষ্টির পানি লাগায় তিনি দুশ্চিন্তামুক্ত হয়েছেন।
সদর উপজেলার আউলিয়াপুর এলাকার কৃষক মো: আব্দুল্লাহ হক জানান, এ বছর আড়াই একর (২৫০ শতক) জমিতে আমন ধান লাগিয়েছেন। বৃষ্টির পানির অভাবে তার আমনের ক্ষেত শুকিয়ে যাওয়ায় তার দুশ্চিন্তার যেন শেষ ছিল না। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে তার আমনের ক্ষেতেও পর্যান্ত পানি জমেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানা যায়, এ বছর জেলায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৫০ হেক্টর। এর মধ্যে আবাদ হয়েছে ১৮ হাজার ৬৪০ হেক্টর। যাতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৪ লাখ ২৯ হাজার ৭১৬ মেট্রিক টন। যা গত বছরে চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৫ হেক্টর। এর মধ্যে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ আবু হোসেন জানান, গত ২২-২৭ জুলাই পর্যন্ত জেলায় প্রায় ৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এ জেলা অন্যান্য ফসলের ন্যয় ধানের জন্যও বিখ্যাত। প্রচুর পরিমানে ধান এ জেলায় উৎপাদন হয়। প্রত্যেক বছর আমন মৌসুমে কৃষকদের যাবতীয় পরামর্শ ও সেবা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে প্রদান করা হয়। এ বছরও দেওয়া হয়েছে। তবে পানির অভাবে প্রথমের দিকে সামান্য সমস্যা হলেও বেশ কিছুদিনের টানা বর্ষনের ফলে উচু-নিচু আমন ক্ষেতে পানি জমেছে। তাই কৃষকেরা পুনরায় আমনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত ধান উৎপাদন হবে এবং কৃষকেরা এ বছরও ধানের ন্যর্য্য মুল্য পাবেন বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এমএসএম / এমএসএম
পাবনায় পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
ঘোড়াঘাটে সাধনা ফিলিং স্টেশনে বিশ হাজার টাকা জরিমানা
বারহাট্টায় পাকা ধান ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক
নরসিংদীতে পরিবেশ দূষণরোধে সচেতনতা কর্মশালা অনুষ্ঠিত
সার্কেল এএসপির অভিযানে ভূরুঙ্গামারীতে ৩ কেজি গাঁজাসহ নারী ও অটোরিকশা চালক আটক
বাঁশখালী আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন, আংশিক ফলাফল স্থগিত, সভাপতি এড. নাছের
পাবনায় ৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৮৪ শিশুকে দেয়া হবে হাম-রুবেলা টিকা দেয়া হবে পাবনায় হাম আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসছে: সিভিল সার্জন
বাঘাইছড়ির দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় শতাধিক গ্রামে খাবার পানির তীব্র সংকট
চরভদ্রাসনে পুলিশের উপর হামলা, আসামী ছিনিয়ে নিলেন স্বজনরা
লাকসামে শীর্ষ মাদক কারবারি ফারুক গ্রেপ্তার
কাপ্তাই হ্রদে পানি স্বল্পতায় বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ৪টি ইউনিট
মুকসুদপুর মাতৃস্নহ প্রতিবন্ধী ও যুব নারী উন্নয়ন সংস্থার প্রতিবন্ধী হুইল চেয়ার বিতরণ
খালিয়াজুরীতে অভাবের তাড়নায় আত্মহত্যা করেছে এক নারী
Link Copied