দৌলতখানে ক্ষুরা রোগের প্রাদুর্ভাব, হতাশায় খামারিরা
ভোলার দৌলতখানে ছোট-বড় অর্ধশতাধিক খামারে গরুর ক্ষুরা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন লোকালয় ও চরাঞ্চলে গত কয়েক দিনে শতাধিক গরু ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। এতে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা খামারিরা। যে বাড়ি বা খামারে এ রোগের লক্ষণ দেখা দিচ্ছে সে বাড়ি বা খামারে পর্যায়ক্রমে সব গরু আক্রান্ত হচ্ছে। চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে খামারিদের।
সরেজমিন উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের মা-বাবা ডেইরি ফার্মে গিয়ে দেখা যায়, ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত গরুগুলো ঝিমাচ্ছে আর মুখ দিয়ে লালা ঝরছে। খামার থেকে আক্রান্ত গরু আলাদা করে রাখা হয়েছে।
এ সময় মা-বাবা ডেইরি ফার্মের মালিক উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াসিন লিটন বলেন, দুগ্ধ ও মাংসের বাণিজ্যিক উৎপাদনের লক্ষ্যে শতাধিক গরুর ফার্ম করেছেন। গত এক সপ্তাহ আগে হঠাৎ করে একটি গরু জ্বরে আক্রান্ত হয়। পরদিন ক্ষুরা রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। মুখের ভেতরে ঘা হয়ে মুখ থেকে ফেনাযুক্ত লালা ঝরতে থাকে। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেয়। পায়ের খুরার মাঝেও ঘা দেখা দেয়। এর কয়েক দিনের মধ্যে আরো ৩৯টি গরু ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত হয়। বর্তমানে গরুগুলো গ্রাম্য চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা করাচ্ছি।
ইয়াসিন লিটন অভিযোগ করে বলেন, উপজেলাজুড়ে অনেক গরু ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত হলেও উপজেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের চিকিৎসাসেবা দৃশ্যমান নয়।
উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কৃষক খোকন জানান, গত কয়েক দিনে তার তিনটি গরু ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত হয়েছে। মধ্য মেঘনারচর মদনপুর ইউপির সদস্য ফারুক জানান, ওই চরে শতাধিক গরু ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। এখন সেগুলোর অধিকাংশই সুস্থ হয়ে উঠেছে।
পৌর শহরের গ্রাম্য চিকিৎসক গজনবী জানান, এক স্থানে ক্ষুরা রোগ দেখা দিলে সব এলাকায় রোগটি ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। গ্রাম্য চিকিৎসকদের মাধ্যমে একটি গরুর চিকিৎসা দিতে গিয়ে কৃষক বা খামারিকে অনেক টাকা খরচ করতে হচ্ছে। একেবারে শুরুতেই চিকিৎসা দিতে পারলে কয়েক দিনের মধ্যে সুস্থ হচ্ছে। আবার অনেক গরুর সুস্থ হতে বেশ সময় লাগছে।
দৌলতখান উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: পার্থ সরাথি দত্ত বলেন, উপজেলায় কেবলমাত্র লিটন চেয়ারম্যানের খামারেই ৪০টি গরু আক্রান্ত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। আক্রান্ত গরুগুলোকে আমরা নিয়মিত চিকিৎসা দিচ্ছি। ভারতীয় গরুগুলো প্রায়ই অসুস্থ হতে দেখা যাচ্ছে। মূলত ভারতীয় গরু থেকে ক্ষুরা রোগের বিস্তার ঘটে থাকতে পারে। তবে এতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। আক্রান্তের হার খুব বেশি নয়। ওষুধের কোনো সংকট নেই। আক্রান্ত গরুর চিকিৎসাসেবাও ঠিকমতো দেয়া হচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
এমএসএম / জামান
হাতিয়ায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে ইয়াবা, চাইনিজ কুড়াল ও নগদ টাকাসহ মাদক কারবারি আটক
ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে কিশোরী ধর্ষণ চেষ্টায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা
নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে চেরি গাছ উপহার: অনন্য নজির ‘তাল বেলাল’
বাউফলে অসচ্ছল ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান ও ঢেউটিন বিতরণ
আড়ানী পৌর এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই ভবন নির্মাণের অভিযোগ,আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি
খাম্বার সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কা, ছিটকে পড়ে যুবকের মৃত্যু
ত্রিশালে নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই নির্মাণশ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু
খাল খনন শেষে ১ কোটি ২২ লাখ টাকা ফেরত দিলেন সাটুরিয়ার ইউএনও
বাঘার জনপদে নতুন উদ্যমে জেগে উঠল ‘স্বপ্নসারথি’ কিশোরীরা
ভূরুঙ্গামারীতে সোনাহাট এলাকাবাসীর উদ্যোগে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটে প্রবাসীদের ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ধর্মপাশায় ওসি কর্তৃক অর্থের বিনিময়ে হত্যা মামলার মূল আসামীসহ ০৯ জনের নাম বাদ দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন