জাবিতে সাংবাদিক নির্যাতনের বিচারে কালক্ষেপণ, ৪ দাবিতে মানববন্ধন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) কর্মরত এক সাংবাদিককে নির্যাতনের বিচার চেয়ে ৪ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।
শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ৩ টায় শহীদ মিনার সংলগ্ন সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে ঢাকা পোস্টের প্রতিনিধি আলকামা আজাদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি বেলাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে তদন্ত কমিটির রিপোর্টে ভুক্তভোগীর কোনো বক্তব্য সংযুক্ত করা হয়নি, অভিযুক্ত অভিযোগ বিষয়ে কোনো তথ্য উঠে আসেনি, অভিযুক্তদের বক্তব্য বিস্তারিত উঠে এসেছি কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য সংকোচ করা হয়েছে। সাংবদিক নির্যাতনের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিরপেক্ষ তদন্ত করেনি।’
ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সভাপতি রাকিবুল হক রনি বলেন, ‘যখন সাংবাদিককে গেস্টরুমে পেটানো হয় তখন হল প্রশাসন কোথায় ছিলো। আসলে হল প্রশাসন ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের লেজুড়বৃত্তি করে। পাঁচ দিনের মধ্যে নির্যাতনের ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু আজ একটা মাস পার হলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারে নি। আসলে তদন্ত কর্মকর্তারা সাংবাদিকের দোষ খোজার চেষ্টা করেছেন।আজকে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একে অপরের পরিপূরক হয়ে দাড়িয়েছে। একজনের দোষ আরেকজন ঢাকার চেষ্টা করে। আমরা সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনার শাস্তির দাবি জানায়।’
এছাড়াও মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ছাত্র অধিকার পরিষদের জাবি শাখার নেতা জহির ফয়সাল, জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক সামি আল জাহিদ প্রীতম, ছাত্র ফ্রন্ট জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক কনোজ কান্তি রায়, কালের কণ্ঠের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি শুভ আনোয়ার, জাবিসাস যুগ্মসাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।
মানববন্ধনে ৪ দফা দাবি পেশ করা হয়। দাবিগুলো হলো; ২৪ ঘন্টার মধ্যে অভিযুক্তদের বিচার নিশ্চিত করা, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল প্রশাসনের পদত্যাগ, নিরপেক্ষ আচরণ না করায় তদন্ত কমিটির গাফিলতি খতিয়ে দেখা এবং আবাসিক হল সমূহের নিয়ন্ত্রণ প্রশাসনের হাতে নেওয়া।
দাবি মেনে নেওয়া না হলে আগামী রবিবার নতুন প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করা হবে বলে ঘোষণা দেন সাংবাদিকরা।
এর আগে গত মাসের ২ আগস্টে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে কর্মরত এক গণমাধ্যমকর্মীকে ‘গেস্ট রুমে’ ডেকে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। পরবর্তীতে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে হলটির ৮ ছাত্রলীগ নেতাকে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে ‘অবাঞ্ছিত’ করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতা। অভিযুক্তরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬ তম ব্যাচের নৃবিজ্ঞান বিভাগের আসাদ হক ও আরিফ জামান সেজান, ৪৭ তম ব্যাচের অর্থনীতি বিভাগের জিয়াদ মির্জা, দর্শন বিভাগের হাসিবুল হাসান রিশাদ, নৃবিজ্ঞান বিভাগের রাইহান বিন হাবিব, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের মুনতাসির আহমেদ তাহরীম, আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুম বিল্লাহ্ এবং ৪৮ তম ব্যাচের রসায়ন বিভাগের জাহিদ হাসান।
এছাড়া অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ৩ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভূক্তভোগী শিক্ষার্থী। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এমএসএম / এমএসএম
কুবির শিক্ষকদের ৫ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার; যা বলছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা
জুলাই শহীদদের স্মরণে পবিপ্রবিতে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন কুবি শাখার সভাপতি ইফতি সাধারণ সম্পাদক শাওন
জুলাই আন্দোলনে শহীদ কাইয়ুমের পরিবারকে আমন্ত্রণ জানাতে সাভারে কুবি প্রশাসন
সরকারি বাঙলা কলেজে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রকল্যাণের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতি বন্ধের দাবিতে উপাচার্যের কাছে কুবি ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি
প্রবাসী কর্মীদের পুনর্বাসনে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর
জুলাই অভ্যুত্থান ও ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী লড়াইয়ের স্মরণে শেকৃবিতে যুক্ত হলো ‘হাদি চত্বর’
জবির অস্থায়ী হলের ২০ কোটি টাকা, ১০ তলা ভবন প্রকল্প
দুই দশকে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষা-গবেষণায় অগ্রযাত্রা
রমনা রেজিমেন্ট বিএনসিসির ১৪ দিনব্যাপী ব্যান্ড প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত
নোবিপ্রবিতে জুলাইয়ের তিন মুখ, আজ তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পুলিশ-ডিবি’ পরিচয়ে প্রতারণা: টার্গেট অভিভাবক
Link Copied