ঢাকা শনিবার, ২ মে, ২০২৬

ভারি বর্ষণে তানোরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত


সোহানুল হক পারভেজ, তানোর photo সোহানুল হক পারভেজ, তানোর
প্রকাশিত: ১৫-৯-২০২২ দুপুর ১:৪৬
কয়েক দিনের টানা বর্ষণে রাজশাহীর গোদাগাড়ী, পবা, তানোর পৌর সদরের হিন্মোদুপাড়া মোহনপুর ও বাগমারা উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে নিম্নাঞ্চলে চলতি মৌসুমে সদ্য রোপনকৃত আউশ ধান, পানবরজ ও সবজি ক্ষেত তলিয়ে গেছে। এতে পাঁচ উপজেলার কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। গোদাগাড়ী উপজেলার বাসুদেবপুর, মাটিকাটা, দেওপাড়া, সাষাড়িয়াদহ ও পাকড়ী এলাকার নিম্নাঞ্চলের আউশ ধান তলিয়ে ক্ষতি হয়েছে।
 
পবা উপজেলার হড়গ্রাম ও হরিপুর ইউনিয়নের বিস্তর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বিশেষ করে আউশ ধান, বিভিন্ন মুওসুমি সবজি ক্ষেত, পান বরজ তলিয়ে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দূর্গাপুর, মোহনপুর ও বাগমারার একাধিক কৃষকরা জানান, কয়েক দিন ধরে টানা বৃষ্টিপাতে নিম্নাঞ্চলের শত শত বিঘা জমির আউশ ধান, সবজি ক্ষেত ও পান বরজ ও কিছু মাছ চাষের পুকুর তলিয়ে গেছে। বিশেষ করে সবজির মাচানেও পানি উঠেছে। পান বরজে পানি ঢুকে ডগায় পচন ধরেছে। অবিরাম বর্ষণের কারণে অনেক এলাকার পাকা সড়কেও ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও শিবনদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর দু’প্রান্তে প্লাবিত হয়ে ফসল নষ্ট হয়েছে।
 
মোহনপুর উপজেলার বরইকুড়ি গ্রামের সবজি চাষি শরিফ উদ্দিন বলেন, করোনাকালীন সময় চরম অভাবে সংসার চলছিল। তাই অভাব দুর করার জন্য ৮ কাঠা জমিতে পটল চাষ করেছি। বাগানও ভাল হয়েছে। কেবল দু-সপ্তাহ ৯০০ টাকা মন দরে ২ মন পটল বিক্রি করেছি। এর মধ্যে গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে আমার পটলের বাগান তলিয়ে গেছে। একই গ্রামের আব্দুল আওয়াল বলেন, আমি ৬ কাঠা জমিতে গত বছর পান বরজ করি। কিন্তু পান বিক্রির পূর্বেই বন্যায় তলিয়ে পান গাছ মরে যায়। এ বছর পুনরায় পান গাছ লাগানোর পর কেবল গাছ হয়েছে এরই মধ্যে হটাৎ ভারী বর্ষণে পান বরজ তলিয়ে মরে যাচ্ছে।
 
বাগমারা উপজেলার চাঁনদেরআড়া গ্রামের ধান চাষি মুকবুল হোসেন বলেন, গত মুওসুমে বোরো চাষ করে ভাল ফলন ও বাজারে ভাল মূল্যে বিক্রি করতে পেরে দারুন খুশি। তাই চলতি মওসুমে ৪ বিঘা জমিতে আউস ধান রোপনের কয়েক দিনের মাথায় টানা ভাবী বর্ষণে ধান তলিয়ে গেছে। মৎস্য চাষি আজিজার রহমান বলেন, কয়েক দিন পূর্বে পানির অভাবে ভরা মুওসুমে পুকুরে মাছ চাষ বিঘ্নিত হলো। অথচ হটাৎ এক রাতের ভারী বৃষ্টিতে আমার কয়েকটি পুকুরের পাড় উপচে পানির সাথে মাছ বিলে ভেসে গেছে। যা রক্ষা করার সময় হয়নি।
 
রাজশাহীতে গত বৃহস্পতিবার মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভোর থেকে অবিরাম বৃষ্টি ঝরেছে। তবে এতে স্বস্তিও ফিরেছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ভোর ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বর্ষণ হয়েছে। এতে রাজশাহীতে ৮৮ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানায়, প্রথম দফায় বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৩টার দিকে রাজশাহীতে বৃষ্টি শুরু হয়। তবে তার পরিমাণ ছিল কম।
 
পরে ভোর ৬টা থেকে আরম্ভ হয় মুষলধারে বৃষ্টি। বৃষ্টি চলে একটানা দুপুর ১২টা পর্যন্ত। এরপর থেমে থেমে বৃষ্টি চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এখনো আকাশে মেঘ আছে। তাই আরো বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা তথ্যকেন্দ্র জানায়, টানা বর্ষণ ও উজান থেকে ধেয়ে আসা পানিতে প্রতিদিনই পদ্মা ও বারনই নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এমএসএম / জামান

কুষ্টিয়ায় রাতের আঁধারে গাছ কর্তন, থানায় লিখিত অভিযোগ

বোদায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

রায়গঞ্জে প্রাণিসম্পদ প্রকল্পে ৪ শতাধিক ছাগী পেলো ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনে যুবকের মৃত্যু:স্ত্রী সহ গ্রেফতার ২

চাঁদা দাবি, হয়রানি ও হুমকির প্রতিবাদে রাঙ্গামাটিতে ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন

কাপ্তাই সীতা পাহাড়ে জরাজীর্ণ বিদ্যালয়টি শিশুদের পাঠদানের একমাত্র ভরসা

বরগুনার কৃষক দিশাহারা, ঝড় বৃষ্টিতে রবিশস্যর ক্ষতি

বৃষ্টির ভেতরও থামেনি শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন

মাদকবিরোধী অভিযানে রায়পুরায় দুইজনকে কারাদণ্ড

রূপগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

ঘিওরে মহান মে দিবস পালিত

দি ডেইলি অবজারভার করসপন্ডেন্ট এসোসিয়েশন নতুন কমিটি

কাউনিয়ায় দুই মামলার দুই আসামি গ্রেফতার, কোর্টে প্রেরণ