ঢাকা রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

পটুয়াখালীতে নদী ভরাট, বাড়ছে ঝুঁকি ও দুর্ভোগ


সাঈদ ইব্রাহিম,পটুয়াখালী photo সাঈদ ইব্রাহিম,পটুয়াখালী
প্রকাশিত: ২৫-৯-২০২২ বিকাল ৫:৩৯
পটুয়াখালীতে প্রতিদিনই হচ্ছে নদী ভরাট, এতে করে বাড়ছে ঝুঁকি ও দুর্ভোগ। পটুয়াখালী-ঢাকা নৌ-রুটের খরস্রোতা লোহালিয়া নদীতে সৃষ্টি হওয়া কৃত্রিম বাঁক (মোর) দখল করে বালু ভরাটের অভিযোগ উঠেছে বিআইডব্লিউটিএ‘র বিরুদ্ধে। জেলা শহরের পটুয়াখালী-ঢাকা লঞ্চ টার্মিনাল সংলগ্ন নদীর খননকৃত বালু পার্শবর্তী নদীর তীরে মজুদ করায় নাব্যতা সংকটের পাশাপাশি বেড়েছে ঝুঁকি ও দুর্ভোগ। অপরিকল্পিত এই সিদ্ধান্তে নদীতে বিলীন হচ্ছে নদীর অপর প্রান্তের একটি গ্রামের বিশাল অংশ। স্থানীয় গনমাধ্যমকর্মীদের অভিযোগে গত ৬ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী সফরকালে নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। 
 
স্থানীয়রা বলেন-পটুয়াখালী জেলা শহর সংলগ্ন ঢাকা-পটুয়াখালী লঞ্চ টার্মিনালের অপরপ্রান্ত লাউকাঠি ইউনিয়নের আওতাধীন লাউকাঠি ৯ নং ওর্য়াড । এই ৯ নং ওর্য়াড সংলগ্ন নদীর অপরপ্রান্ত ভেঙে এই প্রান্তে পলি জমে বড় আকারের বাকে (মোর) পরিনত হয়ে স্থানটি বিপদজনক হয়ে ওঠে। অপরদিকে কমতে শুরু করে খরস্রোতা নদীর প্রশস্ততা। যে কারনে ঢাকা-পটুয়াখালী নৌরুটের ওই স্থান অতিক্রমকালে চরম ঝুঁকিতে পরতে হয় নৌযান গুলোকে।  প্রায় সময় বাকে বা চরে আটকা পরে ডাবলডেকার লঞ্চ গুলো। নাব্যতা সংকট নিরাসনে বিআইডব্লিউটিএ নদী খনন শুরু করলেও তা ছিল অপরিকল্পিত। সৃষ্টি হওয়া বিশাল দৈর্ঘ্যরে কৃত্রিম বাকটি (মোর) ড্রেজিং করে নদীর গতিপথ ধরে রাখতে ঢাকা-পটুয়াখালী নৌরুটের যাত্রীবাহী ডাবলডেকার লঞ্চ চালক ও স্টাফরা দাবী জানালেও সংশ্লিষ্টরা তা আমলে নেয়নি। ফলে নৌরুটে দুর্ভোগ থেকেই যায়। এদিকে ২০১৯ সালের দিকে ওই বাকের উপরিভাগ জমিনের ৩০-৪০ একর জায়গা জুড়ে বেড কেটে উক্তস্থানে বালু মজুদ করতে শুরু করে বিআইডব্লিউটিএ‘র ড্রেজিং কর্তৃপক্ষ। অপরদিকে নদীর অপরপ্রান্ত ভেঙ্গে নদীতে বিলীন হয় একটি গ্রাম। 
 
এ প্রসঙ্গে লোহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. হুমায়ন কবির দৈনিক সকালের সময়কে বলেন-অপরিকল্পিত ভাবে নদী ড্রেজিং করে উত্তোলন করা বালু দিয়ে নদীর ভরাট করছে বিআইডব্লিউটিএ। যে কারনে লোহালিয়া ইউনিয়নের বিশাল অংশ ভেঙে নদীতে বিলীন হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে লোহালিয়া ইউনিয়নের মানুষ। নদীর বিশাল বাকটি বালু দিয়ে ভরাট না করে ডেজ্রিং করে অপসারন করতে পারলে নৌরুটের ভোগান্তি কমে যেত। নদীর মুল গতিপথ ধরে রাখতে পারলে নদীর অপরপ্রান্ত ভাঙা বন্ধ হত। কিন্তু কে শোনে কার কথা?। 
 
এ প্রসঙ্গে ড্রেজিং প্রকল্পের টেকনিক্যাল এ্যাসিস্ট্যান্ট (সিভিল) মিরাজুর রহমান সোহেল বলেন-প্রকল্পের শুরু দিকে নদী খনন করে বালু রাখার জায়গা সংকট দেখা দিয়েছিল। তৎকালিন জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী ও পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদের নির্দেশে আমরা ওই স্থানে বালু রেখেছি। এখানে আমাদের নিজস্ব কোন মতামত ছিলনা। বর্তমানে বালু ফালানো বন্ধ রয়েছে। আমাদের কোন নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত আমরা কোন বালু ফেলার কাজ করতে পারবো না।

এমএসএম / এমএসএম

গজারিয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল

গাজীপুরে ঝুট ব্যবসা নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ

হাবিবুর রহমান হাবিবের বহিষ্কার ও জেলা কমিটি পুনর্গঠনের দাবি সিরাজুল ইসলাম সরদারের

নোয়াখালীর কবিরহাটে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্টজনদের সম্মানে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার অনুষ্ঠান

রায়গঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বৃদ্ধের রহস্যজনক মৃত্যু

পিসিপি’র খাগড়াছড়িতে ১৭ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

ধামইরহাটে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কৃষকের সরিষা কেটে নিল প্রতিপক্ষ

জেএসএস’র গুলিতে খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্য নিহত

আদমদীঘিতে বাশেঁর বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি

মান্দায় রফিকুল হত্যা মামলা নিয়ে পুলিশের তেলেসমাতি

কোনাবাড়ী উলামা পরিষদের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

উলিপুরে হাঙ্গার প্রজেক্টের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বারহাট্টা রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের কার্যকরী কমিটি গঠিত