ফটিকছড়িতে কৃষক পরিবারে নবান্নের আনন্দ
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে কৃষকের ঘরে ঘরে চলছে নবান্নের আনন্দ। আমন ধান ঘরে তোলাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছ এ উৎসব। আমন ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।সরেজিমিনে উপজেলার বিভিন্নস্থানে গিয়ে দেখা যায় চলছে আমন ধান ঘরে তুলার উৎসব। কেউ কাটছে,কেউ কাঁধে ভার করে আনছে,কেউ করছে মাড়াই। এক কথায় কৃষকের ঘরে ছোট বড় বউ ঝিঁয়েরাসহ ব্যস্থ সময় পার করছে। সাথে চলছে নতুন চালের পিঠা পুলি তৈরি।
আমন ধানের ভাল ফলন হওয়ায় নবান্নের আনন্দ অতি মাত্রায় যোগ হয়েছে। চিত্রাংসহ নানান প্রতিকূল আবহাওয়ায় এবার শঙ্কা ছিল কাঙ্ক্ষিত ফলন না পাওয়ার। তবে কৃষক ও কৃষি অফিস বলছে, বরাবরের মতো এবারও ভালো ফলনই হয়েছে।ফটিকছড়ি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে ২১হাজার ৩৯০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২১ হাজার ৩৬০ হেক্টর। যা গত বছর ছিল ২১ হাজার ৩৫০ হেক্টর। এর মধ্যে ব্রি ধান-৪৯, পাজাম, দিনাজপুরী পাজাম, ব্রি ধান-৫১, ব্রি ধান-৮৭ সহ অন্যান্য আগাম জাতের ধান আবাদ হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে। কম সময়ে ফলন এবং কম খরচে এই জাতের ধান চাষ করে সফলতা পেয়েছেন অনেক কৃষক।
তবে মৌসুমের শুরুতে অনাবৃষ্টিসহ প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার দরুন গত বছরের তুলনায় এবারও ৪০ হেক্টর বেশি জমিতে আবাদ হয়েছে। এরই মধ্যে আবার চিত্রাং এর আঘাতে ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে কিছুটা। সব কাটিয়ে তবু প্রত্যাশার চেয়ে ভাল ফলনের আশাই করছে কৃষক ও কৃষি অফিস।
উপজেলার সর্বত্রই ধান কাটা এখন শেষের দিকে।ফলন ভাল হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। দৌলতপুরের চাষা মোহাম্মদ হারুন বলেন, আমনের ফলন ভাল হয়েছে।গোপালঘাটার আব্দুল আজিজ বলেন আবাহওয়া ভালো থাকায় ফসল ভালো হয়েছে।এদিকে, আমন ধানের ভাল ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটলেও ধানের বাজার ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন কৃষক। এ অবস্থায় ধানের ন্যায্যমূল্য পেতে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে ধান ক্রয় করার দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।
ফটিকছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হাসানুজ্জামান বলনে, আমন মৌসুমে কম সময়ে অধিক ফলন হয়, এমন জাতের ধানের আবাদ বৃদ্ধির জন্য কাজ করছি। চলতি আমন মৌসুমে ৮০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। ফলনো ভালো হয়েছে। চিত্রাংয়ের তাণ্ডবে জড়ো কিছু ধানের গাছ নুইয়ে পড়েছিল। তবে এবারও আমরা গতবারের চেয়ে বেশি ফলন পাবো। এবার চাউল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৬১হাজার ৭৫১ মেট্রিকটন। এবং ধানের লক্ষ্যমাত্রা ৯৩ হাজার ৫৬২ মেট্রিকটন।
তিনি আরও বলেন- প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, প্রতি ইঞ্চি জমি চাষ এ প্রতিপাদ্যকে সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ এর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে। কৃষক ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধিসহ আগাম ধান কেটে সবজি তেল জাতীয়, ডাল জাতীয় ফসল আবাদ করবে। জমিতে ধান চাষের পর আলু, সরিষাসহ রবিশস্য উৎপাদন করতে পারবে। এটি কৃষকদের বোনাস ফসল। কৃষকের উৎপাদন এবং আয় দুটোই বাড়বে।
এমএসএম / এমএসএম
লালমাই পাহাড়ের ‘সিলগালা’ কূপ ঘিরে রহস্য- ২০০৪ সালে গ্যাসের সন্ধান, কৌতূহলে স্থানীয়রা
দৌলতখানে সাজেদা ফাউন্ডেশনের 'স্টপ দ্য স্টিগমা ২.০' প্রকল্পের লার্নিং শেয়ারিং মিটিং অনুষ্ঠিত
কালকিনিতে জেলেদের চাল নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের চালবাজী!
সুন্দরবনে চোরাশিকারীদের কবল থেকে ২ হরিণ উদ্ধার, বনে অবমুক্ত
হাতিয়ায় নিখোঁজ শিশুর ভাসমান লাশ উদ্ধার
রেক্টিফাইড স্পিরিট পানে বিষক্রিয়া ও মৃত্যু প্রতিরোধে মেহেরপুরে সেমিনার অনুষ্ঠিত
মধুখালীতে নওপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান আটক
ধামইরহাট পৌরসভার রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত
শার্শায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
পিরোজপুরে শিশু শ্রম ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান
গ্রাম পুলিশ নিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ইউপি সদস্য
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রস্তুত নড়াইলের বিশাল আকৃতির গরু ‘বাহুবলি’
আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাড়ি বেঁচা-কেনার রমরমা বাণিজ্য, একেক জনের দখলে একাধিক
Link Copied