ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মাদকসেবীদের পর্যাপ্ত চিকিৎসা নেই কারাগারে


মো. বাকী বিল্লাহ photo মো. বাকী বিল্লাহ
প্রকাশিত: ২৫-৩-২০২৩ দুপুর ১:১৩

মাদক মামলায় গ্রেপ্তারকৃত বেশীরভাগ আসামীই মাদকসেবী। এসব মাদকেসেবীদের সুস্থজীবনে ফেরাতে কারাগারে নেই কোন ব্যবস্থা। প্রত্যেক কারাগার হাসপাতালগুলোতে জেনারেল চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকলেও মাদকসেবি রোগীদের নিরাময়ে প্রয়োজনীয় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডাক্তার ও নার্স নেই। কারা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, সারাদেশের কারাগারে ২০২৩ এর ২১ মার্চ পর্যন্ত মাদক মামলায় আটক আসামি প্রায় ২৪ হাজার। অথচ এদের চিকিৎসা নেই কারাগারে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এ বছরের ফেব্রুয়ারীতে ৮হাজার ৬’শ একাত্তরটি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে বিভিন্ন ধরণের মাদকদ্রব্য, একান্নটি মোবাইল সেট, ত্রিশটি যানবাহন ও নগদ অর্থ ৭ লাখ পয়ষট্রি হাজার ১’শ বাষট্রি টাকা উদ্ধার করে ২হাজার ৩’শ সত্তরটি মামলা করেছে অধিদপ্তর। এসময় গ্রেপ্ততার করা হয়েছে ২হাজার ৫’শ ঊনচল্লিশ জন আসামী। এসব আসামিদের আদালত কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

আটক মাদকসেবীদের চিকিৎসা সম্পর্কে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আজিজুল ইসলাম সকালের সময়কে বলেন, ‘দেশের তিনটি কারাগারের হাসপাতালে মাদকসেবীদের চিকিৎসায় একটি করে ওয়ার্ড চালু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল কারাগারের হাসপাতালেই মাদকনিরাময় ওয়ার্ড চালু করবে সরকার। মাদকের ভয়াবহতা নিয়ন্ত্রণ করতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও দেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।’

প্রতিষ্ঠানটির ঢাকা মেট্রো কার্যালয়ের (দক্ষিণ) সহকারী পরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বলেন, ‘সমস্যা অনেক থাকলেও সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ডাক্তারের অভাব। এ পেশায় নিয়মিত ডাক্তার পাওয়ার ঘাটতি যেমন আছে তেমনি এ সেক্টরে প্রয়োজনীয় মনোচিকিৎসকেরও যথেষ্ট অভাব রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের কারাগারগুলোতে বন্দি থাকা মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ী একই সেলে থাকায় সেখানে আরো বেশি মাদক চর্চা হয়। ওখানে তাদের মধ্যে সহজেই বন্ধুত্ব হওয়ার সুযোগে এর ঝুকি আরো বাড়ছে। তবে রিহ্যাব সেন্টারে এ ধরণের সুযোগ নেই। কারণ সেখানকার ব্যবস্থাপনায় ভিন্নতা রয়েছে। রোগী ভর্তি করার প্রথম মাসে রোগীকে ডিটক্্র বা বিষমুক্ত করা হয়। এসময়ে তাদের শরীরে নানাবিধ সমস্যা ধরা পড়লে চিকিৎসার নিয়ম মেনে এদের উইথড্রল করা হয়ে থাকে। এখানে চিকিৎসা চলাকালীন প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি থাকার কারণে বন্ধুত্ব হওয়ার সুযোগ কম। রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী নিরাময় কেন্দ্রগুলোতে কাউন্সিলিং করা হয় যা কারাগারে এরকম ব্যবস্থা নাই।’ এসময় সকালের সময়কে তিনি আরো বলেন, মাদক নিরাময় চিকিৎসার জন্য দেশের প্রতিটি কারাগারে ব্যবস্থা থাকা জরুরী। 


 

এমএসএম / এমএসএম

ডেঙ্গু ঠেকাতে তিন মাসের অভিযান, ফুটপাত দখল হলেই উচ্ছেদ: ডিএনসিসি

সুফিবাদ বিষয়ক শিক্ষা জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে ‘সুফিবাদ গবেষণা ফাউন্ডেশন’-এর ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

মশক নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা ও ড্রেনেজ সেবায় গতি বাড়ানোর উদ্যোগ

স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়নে গোলটেবিল বৈঠক

দূষিত বাতাস ও দীর্ঘ ডিউটিতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ট্রাফিক পুলিশ

স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়ন উপলক্ষে ড্যাবের গোলটেবিল বৈঠক কাল

যৌথ উদ্যোগেই পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত ঢাকা গড়ে তোলা সম্ভব: ডিএনসিসি প্রশাসক

রাজউকের অভিযানে ১০ ভবনের আংশিক অপসারণ

শারীরিক ও মানসিকভাবে গুরতর অসুস্থ ব্যক্তিকে চাপে ফেলে সম্পদ-সম্পত্তি দখলের মহোৎসব

ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিংয়ে বিদেশি মালিকানা, কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে দুদকের এনফোর্সমেন্ট অভিযান

বিএমএসআরআই দখলের প্রতিবাদ ও হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়নের দাবি

ডিএনসিসিতে বর্জ্য পরিবহনে যুক্ত হলো ৫ নতুন ট্রাক