ঢাকা শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

গণসংযোগে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন লিটন


শাহিনুর রহমান সোনা, রাজশাহী ব্যুরো প্রধান  photo শাহিনুর রহমান সোনা, রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
প্রকাশিত: ৩-৫-২০২৩ দুপুর ১২:২৭
আসন্ন ২১ জুন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে গণসংযোগ, মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বিগত দুই বারের নির্বাচিত মেয়র ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হেবিওয়েট নেতা সভাপতি মন্ডলীর সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। ইতোমধ্যে ১৪ দলীয় সমন্বয় সভাও করেছেন তিনি। যদিও রাজশাহীতে নির্বাচনি মাঠ নিরুত্তাপ। কারণ রাজশাহীতে তিনি ছাড়া প্রতিদ্বন্দিতা করার মত কোন দলেরই কারো নাম নেই আমজনতা বা রাজনৈতিক বিশ্লষকদের মুখে। 
 
এদিকে দিন যত যাচ্ছে আওয়ামী লীগের মধ্যে স্পষ্ট হচ্ছে বিভেদ।  রাসিক নির্বাচনের আগে দলে বিভক্তি, দোষারোপের  টানাপোড়েনে পড়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ।  রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে বিজয়ী করতে প্রতিদিন-ই নৌকা প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মতবিনিময় সভা ও গণসংযোগগুলোর দিকে তাকালে সহজেই চোখে পড়ছে দলের বিভক্তির বিষয়টি। 
 
সম্প্রতি যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বাদ দিয়ে যুবলীগের ব্যানারে রাসিক নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করেন মহানগর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌরিদ আল মাসুদ রনি ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুকুল শেখ। চোখে পড়ার মত যুবলীগের নেতা কর্মী সেখানে না থালেও তৌরিদ আল মাসুদ রনির নেতৃত্বে কয়েকজন সাবেক ছাত্রনেতা করেছেন অনুষ্ঠানটি। সেই অনুষ্ঠানটি নিয়ে চলছে চরম আলোচনা সমালোচনা। সাবেক ছাত্রলীগ ফোরামকে বিভক্তি করতেই এমন আয়োজন করা হয়েছে বলে মনে করছেন কিছু ছাত্র নেতা। সাবেক ছাত্রলীগের ব্যাণারে গণসংযোগ অনুষ্ঠানে কয়েকজন বাদে বেশীরভাগই কোনদিন ছাত্রলীগ করেননি বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুজ্জামান শফিক। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি কোনো ষড়যন্ত্রের অংশ নয় বলেই আমরা বিশ্বাস করতে চাই। কিন্তু এমনটা চলতে থাকলে একে ষড়যন্ত্র ছাড়া অন্যকিছু বলার সুযোগ থাকবে না। সেই প্রচার প্রচারণা অনুষ্ঠানে একজন জামায়াত শিবিরের নাশকতা মামলার আসামীও উপস্থিত ছিলেন। এই বিষয়টি আরও ক্ষোভ তৈরি করেছে নেতাকর্মীদের ভেতরে।
শফিকুজ্জামান শফিক আরও দাবি করেন, যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি থাকার পরেও ব্যানারে যুবলীগের নাম ব্যবহার করে যে অনুষ্ঠান করা হয়েছে, সেটি সাংগঠনিক রীতিনীতি ও শিষ্ঠাচারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। কথা বললে রাজশাহী মহানগর যুবলীগের সভাপতি রমজান আলী বলেন, যুবলীগ একটি শক্তিশালী সংগঠন। সেই সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কে বাদ দিয়ে গুটিকয়েক যুবলীগের নামে অনুষ্ঠান করে বিভেদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এটা লিটন ভাইকে দেখতে হবে। তবে গত সোমবার মেয়র প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটন যুবলীগের সবাইকে নিয়েই মতবিনিময় করেন। সেখানে তিনি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করারও তাগিদ দেন।
 
অন্যদিকে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার ও তার অনুসারীদের বাদ রেখেই রাসিক নির্বাচনে মহানগর আওয়ামী লীগকে দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। ডাবলু সরকার মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু পাননি। বিষয়টি নিয়ে একাধিক অনুষ্ঠানে মেয়র প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটন প্রকাশ্যে ডাবলুর সমালোচনা করেছেন। সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘সে (ডাবলু) কেন মনোনয়ন চাইলো আমি জানি না। প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেছেন ? প্রশ্নই ওঠে না। কারণ তিনি আমাকে ভোট করতে বলেছেন। এখন ঢাকার কোনো আতিপাতি নেতা তাকে দিয়ে খেলাচ্ছে কি না, নাকি সে নিজের কামড়েই এসব করে বেড়াচ্ছে আমি জানি না।’ এসময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা দলের একজন কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে সমস্বরে স্লোগান দিয়ে ওঠেন। 
 
এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার বলেন, নির্বাচনে সকল কার্যক্রমে আমাকেসহ মহানগরের অনেক নেতাকর্মীকে মাইনাস করা হয়েছে। তবে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় আমরা তাঁর পক্ষেই কাজ করছি আর কাজ করেই যাবো। কারণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁকে নৌকা দিয়েছেন আমরা নৌকার পক্ষে কাজ করবো।  এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আমিও মনোনয়ন তুলে ছিলাম তবে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবো না।
 
বিভাজনের বিষয়ে গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নৌকা'র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা কোনো বিভাজন চাই না। অতিদ্রুত তা নিরসন করা হবে, সেই অর্থেই কেন্দ্রীয় নেতারা চেষ্টা করছেন। বিভাজন সৃষ্টিকারীরা অতি ক্ষুদ্র একটি অংশ, দলের মধ্যে সেই অর্থে বিভাজন বলা যায় না।
অন্যদিকে, সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে মেয়র প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটনের দেয়া একটি বক্তব্য নিয়ে দলের মধ্যেকার সংকট ভিন্ন রূপ পেয়েছে। বিশেষ করে ওই অনুষ্ঠানে মেয়র লিটন জেলার একাধিক দলীয় সংসদ সদস্যকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন। একজন সংসদ সদস্যের ‘এখনও নাক দিয়ে পোঁটা (সর্দি) পড়ে’ বলে উল্লেখ করেন। আরেকজন তার নানিশাশুড়ির এলাকায় ভোট করেন বলে উল্লেখ করেন। তার এসব বক্তব্য নিয়ে ওইসব সংসদ সদস্যের অনুসারীরাও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। সেই অনুষ্ঠানে কয়েকজন সংসদ সদস্য ও দলের কিছু নেতার বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুলে বলেন, ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ নেই, আমি যতক্ষণ ভুল না করছি আল্লাহ ছাড়া কেউ আমাকে ফেলে দিতে পারবে না। তিনি তাদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন, তাদের মনে রাখা উচিত দিনের পরে রাত আছে রাতের পরে দিন।

এমএসএম / এমএসএম

রৌমারীতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী মাদক মামলায় গ্রেফতার

পঞ্চগড়ে শিল্প ব্যক্তিদের সাথে স্থানীয় পণ্য ব্র্যান্ডিং এবং বিপণন বিষয়ক কর্মশালা

গোপালগঞ্জকে এগিয়ে নিতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে - সাংসদ কে.এম বাবর

ফুলদী নদীর ওপর সেতু নির্মাণে সরকারের আন্তরিকতার কমতি নেই: প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ

ইমুতে প্রেম, মোবাইলে বিয়ে, ভিসা ছাড়াই ভারতে স্বামীর কাছে যেতে গিয়ে শিশুসহ নারী আটক

হোমনায় মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ করায় সাংবাদিকের উপর হামলা

ঈদ সামনে রেখে চান্দাইকোনা পশুর হাটে কঠোর নজরদারি, মাঠে পুলিশ ও র‌্যাব

মনোহরদীর রামপুরে বালু উত্তোলনের দায়ে দুইজনকে কারাদণ্ড

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজারহাটে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট, অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ

যশোর-খুলনা মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে মা-ছেলেসহ নিহত-৪

জুড়ীর সীমান্তে ৫২ বিজিবির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালীতে প্রধান শিক্ষকের অবসর প্রস্তুতির কাগজ নিয়ে হাজির হলেন ডিপিইও বিদায় অনুষ্ঠানে

কোটি টাকার বেচাকেনায় সরগরম উত্তরবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ পশুর হাট