হত্যা মামলায় মূল আসামিদের নাম বাদ দিয়ে পুলিশের প্রতিবেদন
মাদারীপুরের শিবচরে আলোচিত কালাম ঘরামি হত্যা মামলায় মূল আসামিদের বাদ দিয়ে পুলিশ আদালতে মনগড়া প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদারীপুর শহরের একটি অফিসে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন নিহত কামাল ঘরামির বাবা ও মামলার বাদী নুরু ঘরামি। এ ঘটনায় তিনি বিচার বিভাগের কাছে তদন্ত করার দাবি জানান।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৩ মে শিবচর উপজেলার বড় কেশবপুর আরশেদ তালুকদারকান্দি এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ডেকে নিয়ে কালাম ঘরামি (২৯) পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনায় পরের দিন নিহতের বাবা নুরু ঘরামি বাদী হয়ে শিবচর থানায় নিহতের চাচাতো ভাই লাকু ঘরামি, ভাতিজা বাচ্চু ঘরামিসহ ৯ জনের নামসহ অজ্ঞাত আরও ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলায় দায়ের করেন। পরে এই মামলায় শিবচর থানার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক সঞ্জিব জোয়ার্দার ওই বছর ২৬ অক্টোবর আদালতে ইউনূস ঘরামি, লিটন ঘরামি, বাকের ঘরামি, টুকু ঘরামি, লোকমান ঘরামিকে অব্যাহতি দিয়ে চার জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এই তদন্ত প্রতিবেদনের বিপক্ষে বাদী নুরু ঘরামি নারাজীর আবেদন করেন।
পরে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্ততের জন্য গোপালগঞ্জের পিবিআইকে নির্দেশনা দেন। পরবর্তীতে পিবিআই মামলাটি তদন্ত করে ২০২১ সালের ২ নভেম্বর মামলার ওই পাঁচ আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। সেখানেও বাদী নুরু ঘরামি নারাজীর আবেদন করলে আদালত সিআইডি পুলিশের কাছে পূণরায় তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে সিআইডি মামলাটিকে নতুন করে তদন্ত শুরু করে।
মাদারীপুর সিআইডির পরিদর্শক রবীন্দ্রনাথ তরফদার নিহত কালাম ঘরামিকে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ কাঁঠাল গাছের সঙ্গে ঝুঁলিয়ে রাখা হয় উল্লেখ করে মামলায় টুকু ঘরামি, আবু তাহের ঘরামি, বারেক ঘরামি, ইউনুস ঘরামি ও লোকমান ঘরামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করে। একই সঙ্গে লাকু ঘরামি, হারুণ ঘরামি, দেলোয়ার ঘরামি ও বাচ্চু ঘরামিকে অভিযুক্ত করে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রæয়ারি আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। সিআইডি পুলিশের তদন্তেও মামলার বাদী নুরু ঘরামি মূল আসামিদের বাদ দেওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে নুরু ঘরামি (৬৩) বলেন, ‘আমার বড় ছেলে কালাম ঘরামির হত্যার সঙ্গে আমার ভাতিজা টুকু ঘরামি, আবু তাহের ঘরামি, বারেক ঘরামি, লোকমান ঘরামি ও আপন ভাই ইউনুস ঘরামি জড়িত। অথচ সিআইডি পুলিশ তাদের বাদ দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। এখানে সিআইডি পুলিশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে অর্থের বিনিময়ে মূল আসামিদের অব্যাহতি দিয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার বিভাগের কাছে তদন্তের দাবি জানাই।
অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে সিআইডির পুলিশের পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ তরফদার বলেন, ‘এই হত্যা মামলাটির আগেও দুবার তদন্ত হয়েছে। আমরাও যথাযথ প্রক্রিয়ায় তদন্ত করেছি। এখানে বাদীর মনমতো না হওয়ায় তিনি বারবার নারাজি দিচ্ছেন, আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও দিচ্ছেন। এখানে আমাদের কোন ভুল নেই। একটি হত্যা মামলায় ইচ্ছেমত কাউকে অভিযুক্ত করা যায় না। হত্যার সঙ্গে মূলত যারা জড়িত তাদেরই আমরা চার্জশিটে রেখেছি।
এমএসএম / এমএসএম
প্রশাসনিক শূন্যতায় ঝুঁকিতে শিক্ষা কার্যক্রম, ভোগান্তিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী
রাজারহাটে লাম্পি স্কিন ডিসিজে আক্রান্ত শতাধিক গরু
নেত্রকোণায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের,সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ
আলফাডাঙ্গায় ক্যাব'র নতুন কমিটির পরিচিতি সভা
কেশবপুরে সাংবাদিককে গালিগালাজ ও মিথ্যা মামলার হুমকী থানায় অভিযোগ
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসীঃ পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান
শিক্ষকতার আড়ালে হাসিবুলের ভয়াবহ আপত্তিকর কর্মকান্ড
গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ 'হুক্কা' আজ শুধুই স্মৃতি
সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে (SPG) সেবায় যুক্ত হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চুক্তিপত্র স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত
রাণীশংকৈলে কৃষি বিষয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
গাজীপুরে কিশোর অটোচালককে গলা কেটে হত্যা, অটো ছিনতাই
রাণীনগরে রাস্তা নির্মাণে বাধা: চরম ভোগান্তিতে কয়েকশ পরিবার
রাণীশংকৈলে কৃষি বিষয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
Link Copied