কুষ্টিয়ার ট্রাফিক পুলিশের আটক স্লিপ বাণিজ্যর অভিযোগ
কোনো গাড়ি ট্রাফিক আইন অমান্য করলে কিংবা ডকুমেন্ট ফেল থাকলে অপরাধের ধরন অনুযায়ী ওই গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা দেন সার্জেন্ট। গাড়ির চালককে ধরিয়ে দেন আটক স্লিপ। আটক স্লিপে উল্লেখ থাকে অপরাধের ধরন নেই। নির্ধারিত সময় জরিমানা দিয়ে কাগজপত্র গাড়ি নিয়ে যেতে পারেন চালক অথবা মালিক। আবার রুট পারমিট বা গাড়ির ফিটনেস না থাকলে সে ক্ষেত্রে গাড়ি আটক স্লিপ করা হয় ট্রাফিক অফিসে এসে গাড়ি নিয়ে যায় জরিমানা দিয়ে।
এ জন্য ধরিয়ে দেয়া হয় আটক স্লিপ।’ অনলাইনে মামলা হলে জরিমানা দিয়ে গাড়ি ছাড়িয়ে নেয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু কুষ্টিয়ার ট্রাফিক বিভাগে এই দু’টি পদ্ধতিরই ভয়াবহ অপব্যবহার চলছে। ট্রাফিক সার্জেন্টরা অবতীর্ণ হয়েছেন কেস স্লিপ ও আটক স্লিপি বাণিজ্যে। সরকারি কোষাগারে এই দু’টি খাত থেকে তেমন একটি অর্থ না গেলেও ট্রাফিক পুলিশ ও তাদের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অসাধু কর্মকর্তাদের পকেটে যাচ্ছে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা। পক্ষান্তরে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন গাড়ির মালিকরা। অভিযোগ রয়েছে কুষ্টিয়ার প্রত্যেক সার্জেন্টকে প্রতিদিন গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা প্রদান ও আটক স্লিপ করার জন্য অঘোষিত নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই নির্দেশনার কারণে সার্জেন্টরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট প্রসিকিউশন ও প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা এই বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করছেন।
সূত্র জানায়, মোটরযান আইন (সংশোধনী) ১৯৮৩ মোতাবেক ১৫৯ ধারায় জরিমানা করে ট্রাফিক বিভাগ। এই ধারায় নিষিদ্ধ হর্ন কিংবা উচ্চ শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্র ব্যবহার, নিষিদ্ধ পার্কিং, আদেশ অমান্য তথ্য প্রদানে অস্বীকৃতি বা ভুল তথ্য প্রদান, অমান্য করে গাড়ি চালানো, কালো ধোঁয়া বের হওয়া, রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস সার্টিফিকেট ও রুটপারমিটবিহীন গাড়ি চালানোসহ অন্তত ১৫টি অপরাধে জরিমানা করা যায়। এ ধরনের অপরাধের জন্য রাস্তায় দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক সার্জেন্টরা অভিযুক্ত গাড়িকে আটক স্লিপ ধরিয়ে দেন। পরে অফিসে গিয়ে জরিমানা দিয়ে সেই গাড়ি ছাড়িয়ে আনেন মালিক।
একাধিক আটক স্লিপের কপি দৈনিক সকালের সময় হাতে আছে। এক সময় টোকেন দিয়ে গাড়ি চালানোর ব্যবস্থা করে দিলেও নতুন সংস্করণ হিসেবে ট্রাফিক বিভাগে যুক্ত হয় আটক স্লিপ বাণিজ্য।
তবে এই খাত থেকে আদায় করা টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয় না। যা তারা ভাগ-বাটোয়ারা করেন।এদিকে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখা যায় ট্রাফিক কনস্টেবল রাস্তায় দাঁড়িয়ে মোটরসাইকেল থামিয়ে আটক করে সার্জেন্ট এর কাছে নিয়ে যায় পরে স্লিপ ধরিয়ে দেন গাড়িগুলো চৌরহাঁস গোডাউনে রেখে দেয় বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে ওই কনস্টেবল রা গাড়ির মালিকের সাথে ধেন দরবার করে সর্বনিম্ন বলে ৩ হাজার ৬০ টাকা সর্বোচ্চ জরিমানা অফিসে জমা দিয়ে গাড়ি নিয়ে যাবেন আটক স্লিপ কোন মামলা না বলেন তিনি। ট্রাফিক কনস্টেবল জামিরুল, ফরিদ,হাফিজুল, মাসিক মাসোহারা আদায় করেন খাজানগর, বাইপাস, লাহিনী, বড়বাজার, চৌড়হাঁস সহ বিভিন্ন জায়গায় মাসিক চাঁদা আদায় করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।
এ বিষয়ে সার্জেন্ট সুব্রত সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন আটক স্লিপর বিষয়ে কিছু করার দরকার নেই আপনি আসেন সরাসরি কথা বলি। মামলা ও আটক স্লিপ জরিমান সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়।
এ বিষয়ে টিএসআই মকবুলের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা তিনি ফোন রিসিভ করেননি।এ বিষয়ে সার্জেন্ট রাসেলের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। কেস স্লিপ ও আটক স্লিপ বাণিজ্য প্রসঙ্গে কুষ্টিয়ার ট্রাফিকের টিআই শাহিনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।
এমএসএম / এমএসএম
গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলায় জড়িত সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
মোহনগঞ্জে সবজির বাজারে ১০০ টাকা কিছুই না
ভূরুঙ্গামারীতে উপজেলাপ্রকৌশলীর বিদায় ও নবযোগদান
বাউফলে বিদ্যুতের লোডশেডিং ও ভূতুড়ে বিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ, কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে শান্ত পরিস্থিতি
চউক’এ বহাল অস্ত্র মামলায় অভিযুক্ত আলমগীর খান
নোয়াখালীতে দুই দিন ব্যাপী জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা গড়ে তুলতে কর্মশালা
নওগাঁয় “গ্রিন নওগাঁ, ক্লিন নওগাঁ” কর্মসূচীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
রাতের আঁধারে বিদ্যালয়ের মেহগনি গাছ কর্তন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ
পেকুয়ায় বেড়িবাঁধে অবৈধ নাসি স্থাপনের ঘটনায় মামলা করতে পাউবোর নির্দেশ
সাতক্ষীরা ভোমরা স্থলবন্দরে ২ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকার রাজস্ব আয় এনবিআর
মধুখালীতে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ভাবে অনুষ্ঠিত
চাঁদপুরে জুলাই আন্দোলনে হামলা-ভাঙচুরের মামলায় ৩৭৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
বিলাইছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে বীজ ধান বিতরণ
Link Copied