দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত বাস, যাতায়াত ভোগান্তিতে হাজারো শিক্ষার্থী
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ক্যাম্পাসে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে দু’টি বাস ।মোট শিক্ষার্থীর তুলনায় বাসের সংখ্যা অপ্রতুল হওয়ায় যাতায়াত ভোগান্তি ভুগতেছে বেরোবির হাজারো শিক্ষার্থী ।
বিশ্ববিদ্যালয়টি শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে। যেখানে অধ্যয়নরত আছে প্রায় দশ হাজার এর মত শিক্ষার্থী । এত শিক্ষার্থীর বিপরীতে বাস রয়েছে মাত্র ১১টি, যা মোট শিক্ষার্থীর তুলনায় কম। এর মাঝে আবার দু’টি বাস পরিত্যক্ত।আবাসিক সুবিধা কম থাকায় অনেক কে শহরের আশেপাশে মেস বা বাসা ভাড়া নিতে হয়।বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় টিউশন সুবিধা কম থাকায় অনেককে শহরের দিকে যেতে হয়। এ যাতায়াত পথে মেস থেকে ক্লাস, ক্লাস শেষে টিউশন করার জন্য বাসে নির্দিষ্ট গন্তব্যস্থলে যেতে হয়। এতে করে কম পরিবহন সংখ্যা হওয়ার কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গা পাওয়া যায় না। অনেকে দাঁড়িয়ে যায় কেউবা ঝুলিয়ে। তাই সকলে চাতক পাখির মত বাসের জন্য দাঁড়িয়ে থাকে একটা সিট ধরার জন্য। এছাড়া ক্যাম্পাস থেকে স্বল্প দূরত্বে যেসব শিক্ষার্থী বসবাস করে তাদেরকে প্রধানত গণপরিবহন এবং অটো-সার্ভিসের ওপর নির্ভর করতে হয়। কারন একজন শিক্ষার্থীর কাছে ৫-১০ টাকা নষ্ট না করে সেটা বাঁচিয়ে অন্যান্য খরচ করা তাদের কাছে একটা মুখ্য বিষয়। তাই এই টাকা বাঁচানোর জন্য তাদের কত সময় নষ্ট করতে হয় একটা সিট ধরার জন্য।
এ ব্যাপারে আলোচনা করতে গিয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সবুর খান বলেন,, বাসের সংখ্যা কম হওয়াতে আমাদের যাতায়াত করতে খুব সমস্যা হয়।যেমন অনন্য পরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির পাওয়ার পর থেকে বাড়ি থেকে পাঠানো টাকায় চলাচল খুব কষ্টসাধ্য হয়ে উঠে।এমনি যারা বাসায় অবস্থান করছেন তাদের যাতায়াতের সমস্যা হয়।সিডিউল সঠিক সময়ে না থাকায় ওখানেই বাড়ি যাওয়ার জন্য সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করে কাঙ্খিত বাস পাওয়ার জন্য ।এর জন্য পড়াশোনারও ক্ষতি হচ্ছে।তাছাড়া,দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ফলে গাড়িভাড়া ও পড়াশোনা বিলাসিতা মনে হয়।তাই সঠিক সিডিউল ও বাসের সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করি।
অপর একজন শিক্ষার্থী ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের আরিফুল ইসলাম বলেন, বেরোবিতে শিক্ষাথীদের তুলনায় বাসের সংখ্যা খুবই কম। অনেক শিক্ষার্থী বাসে সিট না পেয়ে দাড়িয়ে যাতায়াত করে, আবার অনেক সময় বাসে জায়গায় পাওয়া যায় না। সপ্তাহে তিন দিন বন্ধ আবার বাসে সিট না পাওয়ায় যাতায়াত ভুগান্তিতে পড়ে বেরোবির শিক্ষার্থীরা।
কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন এই যে , বেরোবিতে বাসের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রতি ঘন্টায় বাসের সিডিউল করার জন্য অনুরোধ করছি। এছাড়াও ছুটির দিনে বাস চালু রাখার জন্য অনুরোধ করছি তাতে করে শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রয়োজনে যেকোনো জায়গায় যেতে পারে।
প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান জানান, বাসের এসব বাজে অবস্থার জন্য আমি অটোতে যাতায়াত করি।। বাসের সিডিউল কখনও মিলে না।। যদি বাসের যাতায়াত করতে চাই তাহলে অনেক সময় নষ্ট হয়।দেখা যায় ক্লাস শুরুর ১ঘন্টা বা ৩০ মিনিট আগে যাইতে লাগে। আবার বাসে বাসায় আসতে চাইলে ১-২ ঘন্টা অপেক্ষা করতে লাগে।। সিডিউল এত কম থাকার কারণে আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই ।
পরিবহন পুলের পরিচালক ডক্টর শফিকুর রহমান বলেন, পরিবহনপুলের পক্ষ থেকে নতুন বাসের জন্য বাজেট ও পরিত্যাক্ত বাসের মেরামতের এর জন্য আমরা ইউজিসি বরাবর দরখাস্ত করেছি, তারা বাজেট দিলেই আমরা করতে পারবো, তাছাড়া আমাদের একার পক্ষে বাস কেনা ও মেরামত করা সম্ভব না।
তিনি বাসগুলোর নামকরণের ব্যাপারে বলেন, আমরা অতি শীঘ্রই একটি কমিটি গঠন করবো, এবং এই কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা বাসগুলোর নাম রাখবো যা উত্তরবঙ্গের ইতিহাস ঐতিহ্যের আলোকে হবে।
এমএসএম / এমএসএম
পবিপ্রবির নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক হেমায়েত জাহানকে ইউট্যাবের শুভেচ্ছা
ইবি'র শিক্ষক মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হলেন
নিষিদ্ধ ছাএলীগের হামলায় আহত ডিআইইউ ছাত্র নেতা
কাউনিয়ায় পুকুর নিয়ে বিরোধ: মাছ লুট ও হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
ডিআইইউ ও পাকিস্তানের ফাস্ট-এনইউসিইএসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
ঈদ-গ্রীষ্মের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
সুইডেনের 'ইউনিভার্সিটি অব গাভলে' সফরে ইবি প্রতিনিধি দল
শেকৃবিতে সরকারি গাড়ির ব্যক্তিগত ব্যবহারের অভিযোগ প্রক্টর ও ট্রেজারারের বিরুদ্ধে
পাবলিক বনাম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষা ও গবেষণার মান নিয়ে বিতর্ক কতটুকু যৌক্তিক?
টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে ৭ জুন খুলছে স্কুল-কলেজ
ন্যাচার ইনডেক্স র্যাঙ্কিংয়ে জায়গা পায়নি পাবিপ্রবি
ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো পবিপ্রবি: শিক্ষার্থীদের আনন্দ-অনুভূতির গল্প
ঢাকার বিভিন্ন পশুর হাটে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন গবির ১৮ ভেটেরিনারি শিক্ষার্থী
Link Copied