ঢাকা শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের বৃক্ষ রোপন প্রকল্পেন নামে বৃক্ষ নিধন


নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম ব্যুরো photo নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ৯-৭-২০২৩ বিকাল ৫:৫২

চট্টগ্রাম নগরীর মুরাদপুরস্থা বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটে চার বছর মেয়াদী প্রায় ৭০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে শতাধিক পুরানা বৃক্ষ নিধন করেছে কর্তৃপক্ষ। বৃক্ষ নিধনের ক্ষেত্রে বন বিভাগের অনুমতি নেয়ার নিয়ম থাকলেও কারো অনুমতি না নিয়ে বিনা টেন্ডারে লক্ষ লক্ষ টাকার পুরানো বৃক্ষ নিধনের অভিযোগ রযেছে। অভিযোগ উঠেছে এ প্রতিষ্ঠানটি যেখানে বৃক্ষ রোপনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে পুরানো বৃক্ষ নিধণের ঘটনায় স্থানীয় পরিবেশ কর্মী ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
 জানা গেছে, বাংলাদেশ বন গবেষনা ইনস্টিটিউটের অভ্যান্তরে সম্পূর্ণ বৃক্ষে উন্নতমানের আগার রেজিন সঞ্চায়ন প্রযুক্তি উদ্ভাবন নামের একটি প্রকল্পে প্রায় ৭০ কোটি টাকা ব্যায়ে ২০২১-২০২৬ বছর মেয়াদী সময়ে কার্যক্রম শুরু হয়। প্রায় দুই বছর সময় পার হয়ে  গেলেও উক্ত প্রকল্পের কোন কাজও করেনি। লোক দেখানো কাজ করতে গিয়ে গত কয়েকদিন ধরে শতাধিক পুরানো বৃক্ষ নিধন করে মাঠ খালি করতে দেখা গেছে। অথচ এআরএমপি প্রকল্পের মাধ্য্যমে ২ লাখ টাকা ব্যায়ে ১৯৯৯ সালে  বৃক্ষগুলো রোপণ করা হয়েছিল প্রতিটি বৃক্ষর বয়স ২৩ বছর। বন  ও পরিবেশ আন্দোলনের নেতা এ.কে এম ইউসুছ বলেন, বন গবেষনায় শতাধিক পুরানো গাছ কোন ধরণের টেন্ডার ছাড়া অনুমতি ছাড়া নিধন করা হয়েছে। অবৈধভাবে বৃক্ষ নিধণের ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া উচিত বলে তিনি জানান।
হিসাব বিভাগের কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, গাছগুলো কাটার জন্য পরিচালক অনুমতি দিয়েছে, টেন্ডার দেয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে টেন্ডার দেয়া হয়নি, বড় গাছগুলো কাটার পর টেন্ডার দেয়া হবে। গাছ টাকার পর টেন্ডার দেয়া এটা কি ধরণের আইন এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এখন যেগুলো কাটা হচ্ছে এগুলো বড় কোন গাছ না ডালপালা কাটা হচ্ছে বলে দাবি করেন। 
এ প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা পরিচালক ড. মোহাম্মদ জাকির হোসাইন। প্রকল্পের পরিচালক ড. জাকির হোসাইনের মোবাইল কয়েকদিন ধরে বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এ বিষয়ে উক্ত প্রকল্পের  সহকারী পরিচালক ও গবেষনা কর্মকর্তা রুপক কুমার ঘোষের কাছে জানতে চাইলে বিষয়টি জাকির সাহেব বলতে পারবে, উনার বাইরে কথা বলার মত কিছু নেই বলে জানান। 
উল্লখ্য উক্ত প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ড. রফিকুল হায়দার ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধপরাধিদের নিরাপরাধ দাবি করে  দেয়ায়  গত ২৯ মার্চ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ নেতা মো. সোহরাব হোসাইন বাদী হয়ে বন গবেষনার পরিচালক  রফিকুল হায়দারের বিরুদ্ধে গত ১ জুন সাইবার ট্রাইব্যুনাল, চট্টগ্রাম তথ্য প্রযুক্ত আইনে মামলা করেন। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রনালয় থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে কমিটি অভিযোগের সত্যতা পান। এরপর থেকে পরিচালক নিজকে রক্ষা করতে সরকার দলীয় নেতা এমপি মন্ত্রীদের বাসা বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বর্তমানও দেশের বাইরে রযেছে। 

এমএসএম / এমএসএম

বোয়ালখালী সাংবাদিক ফোরাম - চট্টগ্রামের আত্মপ্রকাশ

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে এপেক্স ক্লাব অফ গোপালগঞ্জ-এর ৫ম দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত

রাজস্থলীতে এ্যাম্ভুল্যান্সের চালক ডিউটি অবহেলায় রোগীবহন ভোগান্তি স্বীকার

ভূরুঙ্গামারীতে সার্কেল এএসপি নেতৃত্বে ভারতীয় প্রাসাধনী ও বাসুমতি চাল জব্দ

নবীনগরে ছাত্রের মায়ের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল গ্রেপ্তার

রাজারহাটে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা ২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু

জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তারেক মঞ্চের মতবিনিময় সভা, ১২ জুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

সেচ ব্যবস্থা উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা বিএনপির: প্রধানমন্ত্রী

চাঁদপুরে খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সুবর্ণচরে জামায়াত নেতার বাড়িতে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার

আমি সবার এমপি, সবার কল্যাণে কাজ করবো : প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

কক্সবাজারে ট্রাফিক পুলিশ ও দালালদের চাঁদার রাজত্ব