ইবির মেডিকেল সেন্টারে ভাঙচুর, তিন ছাত্রকে বহিষ্কার
মধ্যরাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনায় তিন ছাত্রকে সাময়িকভাবে করেছে কর্তৃপক্ষ। বহিস্কৃতরা হলেন- আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রেজওয়ান সিদ্দিকী কাব্য ও একই বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের আতিক আরমান এবং সালমান আজিজ। শনিবার বেলা ১১টায় ভিসির সভাকক্ষে ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত বছরের জুলাইয়ে মহাসড়কে ছিনতাই ও ক্যাম্পাসে অস্ত্রসহ মহড়া দেয়ার অভিযোগে কাব্যকে আটক করে পুলিশ। সেসময়ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কাব্যকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ বলেন, ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটির সভায় মেডিকেল সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত রেজওয়ান সিদ্দিকী কাব্যসহ তার অপর দুই সহযোগীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে৷ সভায় উপাচার্যকে তদন্ত কমিটি গঠনের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, কমিটি গঠনের ব্যাপারে আমি এখনো কোন রেজ্যুলেশন পাইনি। এ ব্যাপারে আমাকে রেজ্যুলেশন দেওয়া হলে বলতে পারবো।
এর আগে গত ১০শে জুলাই রাত সাড়ে ১১টায় মেডিকেল সেন্টারের জরুরি বিভাগে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় পরবর্তীতে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিল মেডিকেল কর্তৃপক্ষ। মেডিকেল কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, ভাংচুরের দেড় ঘন্টা আগে বুকের ব্যাঁথার জন্য চিকিৎসা কেন্দ্রে যান রেজওয়ান সিদ্দিকি কাব্য। তাৎক্ষনিক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর আবার মেডিকেল সেন্টারের এ্যামবুলেন্স নিয়ে চিকিৎসা নিতে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে যেতে চান কাব্য। এ্যামবুলেন্স দিতে দেরি হওয়ায় কাব্য ক্ষীপ্ত হয়ে মেডিকেল সেন্টারের জরুরি বিভাগে ভাংচুর চালায় ও এ্যামবুলেন্স চালকের সাথে খারাপ ব্যবহার করে এবং তাকে মারধর করে। এরপর চালকের সাথে জোর করে এ্যামবুলেন্স নিয়ে যাওয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের সামনে তাকে বাঁধা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. শফিকুল ইসলাম ও সিকিউরিটি অফিসার আব্দুস সালাম সেলিম। এসময় কাব্যের সাথে থাকা আইন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সালমান অহিদ ও আতিক আবরান ভয়ে পেয়ে সেখান থেকে চলে যান। এদিকে ড. শফিক ও সিকিউরিটি অফিসার আব্দুস সালাম সেলিমের সাথেও কথাকাটাকাটি শুরু করেন কাব্য। একপর্যায়ে রাত প্রায় ১২টার দিকে এ্যামবুলেন্স নিয়ে কাব্যকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: ওয়াহিদুর রহমান মিল্টন বলেন, বুকের ব্যথার জন্য চিকিৎসা নিতে আসে কাব্য এসময় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে আবার কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এ্যামবুলেন্স চায় কাব্য। এ্যামবুলেন্স দিতে দেরি হওয়ায় মেডিকেল সেন্টারে সে ভাংচুর চালায়।
এমএসএম / এমএসএম
ডিআইইউতে সাংবাদিক হত্যার হুমকির ঘটনায় ছয় শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা
বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে : ববি হাজ্জাজ
ইউএপিতে রিসার্চ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬
২ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়েও কমছে না নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন-দুর্ভোগ
ডিআইইউ শিক্ষার্থী মাহমুদুল হত্যায় চাঞ্চল্যকর রহস্য, সংশ্লিষ্টতা প্লাবনের: দাবি শিবিরের
শিক্ষার্থী ধর্ষণের মামলার অভিযোগ, মাদরাসা শিক্ষককে শোকজ
সাংবাদিককে হত্যার হুমকি: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মী প্লাবন সহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কে আসামী করে জিডি
এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী
কুবিতে বাসের সিটে বসা নিয়ে জুনিয়রকে থাপ্পড়ের অভিযোগ, প্রক্টর অফিসে সমঝোতা
‘ব্রো’ বলাকে কেন্দ্র করে শেকৃবিতে সংঘর্ষ, ছাত্রদল নেতা শরীফকে ধাওয়া ও কক্ষ ভাঙচুর
ডিআইইউতে তিন সাংবাদিককে হত্যার হুমকি: অভিযুক্ত প্লাবনকে শোকজ
সরকারি চাকরিতে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে কুবিতে মানববন্ধন