ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

খানসামায় ফলের বাজারে আগুন; সাধ থাকলেও সাধ্য নেই কেনার


জসিম উদ্দিন, খানসামা photo জসিম উদ্দিন, খানসামা
প্রকাশিত: ৩-৯-২০২৩ বিকাল ৫:১৬
দিনাজপুরের খানসামায় ফলের বাজাগুলোতে চলছে লাগামহীন ফলের বাজার। আগে পরিবারের জন্য যারা নিয়মিত ফল কিনতেন, তারা বাজারের তালিকা থেকে পুষ্টিকর এ পণ্যটি বাদ দিচ্ছেন। এছাড়া খুব প্রয়োজনে খরচ সমন্বয় করতে একটি-দুটি করে ফল ওজন দিয়ে কিনছেন। দেশীয় ফলেও নেই স্বস্তি। মোটকথা মধ্যবিত্ত এবং গরিবের যেন ফল ধরতেই মানা। অনেকেই খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন, আবার অনেকেই প্রয়োজনে সীমিত পরিমাণে কিনে খাচ্ছেন। ছোট-বড় ফলের দোকানে ভালো মানের বিদেশি ফল আড়াইশো-তিনশো টাকার নিচে মিলছেনা। দামের আধিক্যতার কারণে অনেক ক্রেতাই বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তরা দাম শুনেই ফলের দোকানের সামনে থেকেই ঘুরে চলে যাচ্ছেন।
সরেজমিনে, উপজেলার পাকের হাটের ফলের বাজারগুলো ঘুরে দেখা যায়, বাজারে এখন মানভেদে প্রতি কেজি আপেল বিক্রি হচ্ছে ২৬০-৩০০ টাকা, কমলা ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা,প্রতি কেজি সাদা আঙুর ৪০০ ও লালচে আঙুর ৪৬০, ড্রাগন ২৮০-৩৫০ টাকা, বেদনা ৪০০ টাকা, সেহরী ফল ৪৬০-৫০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
মাল্টার কেজি ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা, আম প্রকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ১২০-২০০ টাকা, পেয়ারা ৭০-৮০টাকা,আমড়া ৪০-৫০ টাকা, নারিকেল প্রতি পিস ১০০ টাকা, বড় আনারস ১২০-১৫০ টাকা জোড়া, ছোট আনারস ৮০ টাকা জোড়া হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।
ফলের দোকানে ক্রেতা আসছেন, তবে কিনছেন না অনেকেই আবার কেউ কেউ দরদাম করছেন আর কেউ কেউ দাম শুনে কিছু না বলে চলে যাচ্ছেন।
 
এসময় পাকের হাট বাজারে ফল কিনতে আসা কিশোর মোরসালিনের সাথে দেখা হয় সকালের সময়ের তখন ঐ কিশোর জানান, আমার ভাতিজি অসুস্থ। তার জন্য কিছু ফল কিনতে আসছিলাম কিন্ত ফলের বাজার যে এত চড়া বেশি কিনতে পারলাম না তাই ১৩০টাকায় ৫০০গ্রাম আপেল ও ৩৫ টাকায় ১০০ গ্রাম সবুজ আঙ্গুর ফল কিনে নিয়ে যাচ্ছি।
আরও কয়েকজন জানান, অসহনীয় দামের কারণে এখন আর ফল কেনা হয় না। নিত্যপণ্য মূল্যসহ সংসারের অন্যান্য খরচ বেড়েছে। তাই খুব দরকারে একটি-দুটি করে ফল নিয়ে ওজন মেপে যে টাকা হয় সেভাবে ফল কিনতে হচ্ছে।
কেউ কেউ বলেন, আপেল কমলা কেনা বাদ দিয়েছি অনেকদিন আগেই। আড়াইশো-তিনশো টাকা দিয়ে এক কেজি ফল কিনে আমাদের মতো মধ্যবিত্ত মানুষজনের পোষায় না। ফলের বাড়তি দামের কারণে একান্ত প্রয়োজন বা অতিথি আপ্যায়ন ছাড়া ফল কেনা হয়না। বাচ্চারা খেতে চাইলে দুইটা-তিনটা করে কিনে নিয়ে যাই।
পাকের হাট বাজারের ফল বিক্রেতা শাহীন ও মানিক সকালের সময়কে জানান,পাইকারি বাজার থেকে আমরা যে দরে ফল আনি, কিছু লাভে তা বিক্রি করি। এর আগে ফলের দাম আরও বেশি ছিল। এখনতো কমে গিয়েছে আর এগুলো কাঁচা মালের মতই কখনো দাম বেশি আবার কখনো দাম কম।
তারা আরো জানান,এই সপ্তাহে শুধুমাত্র কমলার দাম বেড়ে গেছে আর অন্যান্য ফলের দাম কমেছে।

এমএসএম / এমএসএম

মোহনগঞ্জে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক আহত

ভূরুঙ্গামারীর শিলখুড়ী ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন

গোপালগঞ্জে লালন সাঁইজির তিরোধান দিবস উদযাপিত

শরণখোলায় ভাড়া বাসা থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চাঁদপুরে ৩০ হাজার মিটার কারেন্টজাল জব্দ, দুই জেলের কারাদন্ড

দুর্গাপূজায় চাল বিতরণে শর্তের বেড়াজালে হয়রানি

লোহাগাড়ায় বন বিভাগের অভিযান: অবৈধ কাঠ জব্দ ও ১ একর বনভূমি দখলমুক্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা পরিষদের উদ্যোগ: অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে মশারি বিতরণ

মনোহরগঞ্জে কমিটিতে পদ না পেয়ে নিজের গালে জুতাপেটা- ছাত্রদল নেতা মহসিন

ভূরুঙ্গামারীর শিলখুড়ী ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন

নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের পক্ষে কোনো সুপারিশ নয়: পটিয়ায় বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম

নড়াইলের শেখহাটিতে সারের ডিলারশীপ নিয়োগে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

নগরকান্দা উপজেলা ও পৌর যুবদলের কমিটি ঘোষণা