ইবিতে ফটোকপির মূল্য নির্ধারণ করে দিল প্রশাসন
লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে শিক্ষার্থীদের নাভিশ্বাস দেখে ইবি প্রশাসন ক্যাম্পাসে নির্ধারিত ফটোকপি দোকানদারদের ফটোকপির মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে।গত বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটায় প্রক্টর অফিসে দোকান মালিক সমিতি ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।প্রফেসর ডঃ মোঃ শাহাদৎ হোসেন আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে নেতৃত্বদান করেন কনজুমার ইউথ বাংলাদেশ(সিওয়াইবি)ইবি শাখার সভাপতি মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী এবং ফটোকপি দোকানদারদের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন।এ সভায় সর্বসম্মতিতে যে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় তা হল:এক পাশে এক পৃষ্ঠা দুই টাকা যা আগে ছিল তিন টাকা।উভয় পৃষ্ঠা তিন টাকা যা আগে ছিল পাচ টাকা। পেনড্রাইভ থেকে বের করা প্রতি কপি পাঁচ টাকা যা আগে ছিল দশ টাকা।স্ক্যান করে প্রতি কপি দশ টাকা যা আগে ছিল বিশ টাকা।কম্পিউটারে কম্পোজ করে লেখা প্রতি কপি পঁচিশ টাকা যা আগে ছিল চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ টাকা।সভায় এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রক্টর ডক্টর আমজাদ হোসেন,ডক্টর আরিফুল ইসলা, মোছাম্মৎ তানিয়া আফরোজ। শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ রাকিব রিফাত,মোহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ,মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মোহাম্মদ ওয়াসিফ এবং ফটোকপি দোকানদারদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মশিউর রহমান,মোঃ সোহেল রানা,মোহাম্মদ রানা হোসেন,মোহাম্মদ ওয়ালীউর রহমান প্রমুখ।নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্য নেওয়া যাবে না বলে এমন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয।এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিওআইবি সভাপতি মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী বলে, লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে অভিভাবকদের হাঁসফাঁস শুরু হয়েছে।সে সঙ্গে শিক্ষা সামগ্রীর মূল্যে উর্ধ্বগতি।এমন অবস্থায় দোকানীরা কারণে-অকারণে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ফটোকপি ও কম্পোজ কপির দাম বেশি নিয়ে থাক। মাঝেমধ্যে দোকানিদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয় যা পরবর্তীতে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এমন পরিস্থিতি এড়াতে ইবি প্রশাসন ফটোকপির মূল্য নির্ধারণ করে দিয়ে একটি মহৎ কাজ করেছে। যেটা শিক্ষার্থী ও দোকানিদের মধ্যে সম্পর্ক অটুট রাখতে সাহায্য করবে।ফটোকপি দোকানদার মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ ফরিদ হোসেন দৈনিক সকালের সময়কে জানান,বর্তমান সময়ে লাগামহীন মূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে এমন নির্ধারিত মূল্যে ফটোকপি করা সম্ভব নয়।বাজারে কালি, কাগজ ও ফটোকপি মেশিনের যন্ত্রাংশের দাম অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে বিভিন্ন জায়গায় ফটোকপি দোকানিদের সমন্বয়ে যে মূল্য নির্ধারণ করা হয। আমরা সাধারণত সে মূল্যই নিয়ে থাকি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি বিদ্যুৎ বিল ঘর ভাড়া মওকুফ করে দেয় অথবা কোন সাবসিডি দেয় তাহলে ফটোকপির দাম কম নেয়া যেতে পারে।
এমএসএম / এমএসএম
দুই বছরেও আলোর মুখ দেখেনি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জুলাই-২৪ স্কয়ার'
কুবি উচ্চ শিক্ষা সেলের নতুন তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় চুড়ান্ত ফলাফলে এগিয়ে ছাত্রীরা
পাবিপ্রবিতে র্যাগিংয়ের অভিযোগ, গুরুতর অবস্থায় শিক্ষার্থী মেডিকেলে প্রেরণ
পবিপ্রবিতে ভেট সায়েন্স অ্যান্ড এএইচ স্টুডেন্টস' অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি
হামহাম জলপ্রপাতে আহত ডিআইইউ শিক্ষার্থী, ৯৯৯-এ ফোনের পর উদ্ধার ১০ পর্যটক
সরকারি কলেজের ১৪৫ প্রদর্শককে পদোন্নতি
টিএ চালুর ঘোষণা, স্বতন্ত্র কোডের আশ্বাস—সমাধানের পথে শেকৃবির এএসভিএম সংকট
শহীদের স্মরণে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন
পবিপ্রবিতে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ফাইনাল, উৎসবমুখর ক্যাম্পাস
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন আইনুল ইসলামের পদত্যাগ, নতুন দায়িত্বে শাওলী মাহবুব
দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার ঘাটতির দায় নীতিনির্ধারকদের