ঢাকা শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মাদারীপুরে মানব পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার ১


আরাফাত হাসান, মাদারীপুর photo আরাফাত হাসান, মাদারীপুর
প্রকাশিত: ১৭-১১-২০২৩ দুপুর ২:৬
মাদারীপুর সদর উপজেলার পখিরা গ্রামের তানভীর মল্লিক (২১) নামে এক যুবককে পাচারের অভিযোগে টুলু খান (৪২) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৮। বৃহস্পতিবার রাতে টুলুকে গ্রেফতার করে মাদারীপুর সদর থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব। অপর এক আসামীকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে,মাদারীপুর সদর উপজেলার পখিরা গ্রামের রফিক মল্লিকের ছেলে তানভীর মল্লিককে ইতালি পাঠানোর জন্য শরীয়পুরের তুলাতলা গ্রামের টুলু খানের সাথে চুক্তি হয়। চুক্তি মোতাবেক কয়েক দফায় টুলু খানকে ১২ লাখ টাকা প্রদান করে তানভীরের পরিবার। চলতি বছরের ১৯ জুলাই তানভীরকে লিবিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে মাফিয়াদের কাছে বিক্রি করে দেয়। পরে তানভীরকে মুক্ত করার জন্য আরও ৭ লাখ টাকা আদায় করে। যা ইসলামী ব্যাংকের একটি একাউন্ট নম্বরে প্রদান করা হয়। এরপরও তানভীরকে মুক্ত না করে দফায় দফায় নির্যাতন চালায় মাফিয়ারা। নির্যাতের ভিডিও দেখিয়ে আরও টাকা দাবী করে। এসময় বাধ্য হয়ে আরও ৫ লাখ টাকা আদায় করে মানবপাচারকারী চক্র। এই ঘটনায় ১৩ নভেম্বর তানভীরের ভাই মো.সাগর বাদী হয়ে ৪জনের বিরুদ্ধে মাদারীপুর মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইবুনালে একটি মামলা দায়ের করে। ট্রাইবুনালের বিচারক মো. জাকির হোসেন আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করতে মাদারীপুর সদর থানার ওসিকে নির্দেশ প্রদান করেন। এরপর পুলিশ আসামী গ্রেফতার না করায় র‌্যাব-৮ মাদারীপুরের একটি দল মামলার প্রধান আসামী টুলু খানকে গ্রেফতার করে সদর থানায় হস্তান্তর করে।  টুলুকে গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে  মাদারীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও অনেকেই থানায় আসেন। এসময় অপর এক জাকির হোসেন মৃধা ভুক্তভোগী টুলু ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে নির্যাতন ও মানব পাচারের অভিযোগে সদর থানায় একটি অভিযোগ দেন এবং টুলুর স্ত্রী হাসিনা বেগমকে স্থানীয়রা আটক করে সদর থানায় হস্তান্তর করে। তবে অভিযোগটি সদর থানার ওসি মামলা হিসেবে গ্রহন করতে রাজি হননি। পরবর্তীতে হাসিনা বেগমকেও ছেড়ে দেয়া হয়। ভুক্তভোগীদের দাবী,আর্থিক সুবিধা পেয়ে মামলা গ্রহন করেননি ওসি এবং অভিযুক্ত হাসিনা বেগমকে ছেড়ে দিয়েছে। এব্যাপারে লিবিয়া বন্দি রনি মৃধার ভাই জাকির হোসেন মৃধা বলেন, আমি থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছিলাম। শুনেছি সেটা মামলা হিসেবে গ্রহণ করেনি। আমি বিষয়টি পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী জানান, দালালের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা পেয়ে আমাদের মামলা গ্রহণ করেননি ওসি ও মামলার আসামী ছেড়ে দিয়েছেন।
এসব ব্যাপারে মাদারীপুর সদর থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলা গ্রহন না করা এবং আসামী ছেড়ে দেয়া প্রসঙ্গে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। তিনি এসব মামলা আদালতে করার পরামর্শ দেন। এব্যাপারে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মাসুদ আলমকে সাংবাদিক ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এমএসএম / এমএসএম

লাকসামে বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

রৌমারীতে সমাজকলাণ সমিতির জমিতে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন

বাগেরহাটের ফকিরহাটে বসত বাড়ীতে ডাকাতি ককটেল ফাটিয়ে এলাকা ত্যাগ ডাকাত দলের

শার্শায় বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মৃত্যুতে শূন্যপদসহ হাসপাতালে আসেন না ৫ চিকিৎসক, সেবাবঞ্চিত রোগীরা

ত্রিশালে জিপিএ ফাইভ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ছাত্রদলের সংবর্ধনা

অসহায় পরিবারের একমাত্র সম্বল পুকুরের মাছ বি/ষ ঢেলে ১০ লাখ টাকার ক্ষ/তি/র অভিযোগ

সাভা‌রে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষকসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার

তজুমদ্দিনে বজ্রপাতের আঘাতে কৃষকের মৃত্যু

সাড়ে তিন বছর আগে মৃত হেফাজের নামে দাফন হলো কার?

টঙ্গীর সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়

বাবুগঞ্জে বিএনপি নেতার হামলায় বৃদ্ধ আহত

কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় বাজার ব্যবসায়ী সমিতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত