চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া আসনে হঠাৎ আলোচনায় সাবেক মেয়র আর মেজর
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী হিসেবে তপশীল ঘোষণার সাথে সাথে পটিয়াবাসী এবং দলীয় নেতা কর্মীদের মুখে মুখে হঠাৎ আলোচনায় চলে আসছে পটিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশীদ, মেজর জেনালের (অব.) আলাউদ্দীন অদুদ বীর প্রতীকের নাম। অধ্যাপক হারুনুর রশীদ পটিয়া পৌরসভার দুইবার মেয়র থাকা অবস্থায় এলাকার উন্নয়ন ও গরীব অসহায় মানুষকে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দান অনুদান দিয়ে সাহায্য সহযোগিতা সেবা করে পৌরবাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। জমিদার পরিবারের সন্তান হিসেবে তার পারিবারিক ঐতিহ্য ও সুনাম সুখ্যাতি রয়েছে। উপজেলা ও পৌরসভার প্রতিটি ইউনিয়ন ওয়ার্ড, ইউনিট পর্যায়েও আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নিজস্ব একটি বলয় রয়েছে তার। অন্যদিকে সাবেক মেজর জেনারেল আলাউদ্দীন অদুদ বীর প্রতীক ২০০৮ সাল থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে আসছে, সেনাবাহির মধ্যেও তার একটা নিজস্ব প্রভাব বিস্তার রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথেও তার ব্যক্তিগত পরিচয় ও সখ্যতা রয়েছে বলে সূত্রে জানায়। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে এ দুইজনকে প্রধান্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অধ্যাপক হারুনুর রশীদের সাথে দেশের শীর্ষ এক শিল্প গ্রুপ অব কোম্পানির সার্বিক সমর্থন ও সহযোগিতা থাকার বিষয়টিও ইতোমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে। সাবেক মেজর জেনারেল (অবঃ) আলাউদ্দীন অদুদ বীর প্রতীক মনোনয়ন পাওয়ার প্রসঙ্গে যুক্তিকতা দেখিয়ে চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য ও পটিয়া থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলী আকবর ছিদ্দিকী বলেন, অদুদ সাহেব চাকুরী জীবনে আওয়ামী লীগের আর্দশ ধারণ করায় বিএনপির রোষানলে পড়ে চাকুরী হারিয়েছে, বঙ্গবন্ধু পরিবারের সাথে ভাল সর্ম্পক রয়েছে, এছাড়াও সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের যে সংগঠন রয়েছে সে সংগঠনের তিনি সভাপতি বানিয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কারণে অন্যপ্রার্থীদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে উনি মনোনয়ন পাবেন সেটা পটিয়াবাসী মাননীয় প্রধামন্ত্রীর কাছে প্রত্যাশা করেন বলে তিনি জানান।
পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শাহদাৎ হোসেন ফরিদ বলেন, পটিয়াবাসী পরিবর্তনের পক্ষে বর্তমান যে পটিয়ার এমপি রয়েছে উনার কাছে পটিয়ার মাটি ও মানুষও নিরাপদ না, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি পটিয়ার তৃণমূলের দলীয় কর্মী ও মানুষের কথা চিন্তা করে মনোনয়ন দেন তাহলে বর্তমান উনি মনোনয়ন পাওয়ার প্রশ্নই আসে না, পটিয়ার হাজার হাজার দলীয় নেতা কর্মীকে উনি নির্যাতন করেছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে তিনটি সাংগঠনিক দায়িত্ব থাকার বিষয়টি উল্লেখ করেছে সেটা বাস্তবায়ন হলে মৌসুমী নেতারা মনোনয়ন পাওয়া দুরের কথা ফরমও পাওয়ার কথা না। পটিয়ার মানুষের প্রাণের দাবি আওয়ামী লীগের প্রার্থী পরিবর্তন হউক।
এ বিষয়ে সাবেক মেজর জেনালের আলাউদ্দীন অদুদ বীর প্রতীক বলেন, আমি মনে প্রাণে বঙ্গবন্ধুর আর্দশে বিশ্বাসী, চাকুরী জীবনে বিএনপি সরকার এ কারণে আমার ক্ষতি করেছে, বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জানে,বঙ্গবন্ধু পরিবারের সাথে আমার পারিবারিক সুসম্পর্ক রয়েছে, আমি ২০০৮ সাল থেকে মাঠে আছি তখন থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে আসছি আশা করি এবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার বিষয়টি বিবেচনা করবেন।
এ বিষয়ে পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশীদ বলেন, যদি তৃণমূলের মতামত নিয়ে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয় সেখানে আমি মনোনয়ন পাব, পটিয়ার প্রতিটি নেতা কর্মী আমাকে চান, আমি শতভাগ আশাবাদী তৃণমূলের জরিপের ভিত্তিতে মনোনয়ন দেয়া হলে আমাকে দিতে হবে, পটিয়াবাসী চাওয়া এবং পাওয়া তাদের পছন্দের মানুষকে মনোনয়ন দেয়া হউক।
উল্লেখ্য চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছে জাতীয় সংসদের হুইপ ও তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলম, বিজিএমইএ সাবেক সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোহাম্মদ নাছির, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান চেমন আরা তৈয়ব, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ক্রীড়া উপ কমিটির সদস্য সত্যজিত দাশ রুপু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি সেলিম নবী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠা বীরমুক্তিযোদ্ধা এম এ মতিন চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক নুরুল ইসলাম চৌধুরীর পুত্র ডাঃ মাঈনুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিয়ষক সম্পাদক এডভোকেট আব্দুর রশীদ। এছাড়াও বিভিন্নভাবে আলোচনায় রয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি এডভোকেট রানা দাস গুপ্ত, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সদস্য ড. অনুপম সেন, জাতির জন কবঙ্গবন্ধুর সহচর মানিক চৌধুরীর পুত্র কাজল চৌধুরী, বঙ্গবন্ধুর চাচা খালেক খ্যাত আব্দুল খালেকের পুত্র চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সহ সভাপতি দিদারুল আলম দিদারের নামটিও আলোচনায় রয়েছে।
এমএসএম / এমএসএম
বাঘার জনপদে নতুন উদ্যমে জেগে উঠল ‘স্বপ্নসারথি’ কিশোরীরা
ভূরুঙ্গামারীতে সোনাহাট এলাকাবাসীর উদ্যোগে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটে প্রবাসীদের ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ধর্মপাশায় ওসি কর্তৃক অর্থের বিনিময়ে হত্যা মামলার মূল আসামীসহ ০৯ জনের নাম বাদ দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
মনপুরায় ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার, পলাতক আরও একজনের বিরুদ্ধে মামলা
শালিখায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ফ্যামেলি কার্ড শুমারির নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন
আনারস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে
ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবি’র গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন
আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার
বারহাট্টায় তাপ ছড়াচ্ছে সবজির দাম, কাঁচা মরিচের ট্রিপল সেঞ্চুরি
রায়গঞ্জে ইলিয়াস হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার ও লাইসেন্সবিহীন গ্যাস সিলিন্ডার মজুত: দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা