ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

আজ চাঁদপুর মুক্ত দিবস


চাঁদপুর প্রতিনিধি photo চাঁদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮-১২-২০২৩ দুপুর ১:৫৭

১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনীর কাছ থেকে চাঁদপুর মুক্ত হয়। এদিনে চাঁদপুর সদর থানার সামনে থেকে বিএলএফ বাহিনীর প্রধান মরহুম রবিউল আউয়াল কিরণ প্রথম চাঁদপুরে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। হানাদার বাহিনীর ৯ মাসের তান্ডব শেষে পাক হানাদার বাহিনীকে হটিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা ৮ ডিসেম্বর চাঁদপুর মুক্ত করেন।

স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী,বীর মুক্তিযোদ্ধা আ: মালেক দেওয়ান,বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিত কুমার সাহা ঘটনা বর্ণনা দিয়ে জানান,১৯৭১ সালের ৭ এপ্রিল চাঁদপুরে পাক হানাদার বাহিনী দুইটি বিমান থেকে সেলিংয়ের মাধ্যমে প্রথম আক্রমণের সূচনা করে। প্রথম দিনেই হামলায় শহরের বাণিজ্যিক এলাকা পুরান বাজারের এক নারী পথচারী নিহত হয়েছিলেন। পর দিন বিকেলে প্রায় পাঁচ শতাধিক পাকসেনার একটি বহর চাঁদপুর আসে।

পরে শহর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে চাঁদপুর কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়টি অস্থায়ী ক্যাম্প তৈরি করে পাকিস্তানি সেনারা। আর পাকিস্তানি সেনা অফিসারদের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেস্ট হাউজটি নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেখানে থেকে তারা স্থানীয় লোকদের উপর অত্যাচার ও নির্যাতন চালায়। 

৮ এপ্রিল রাতেই চাঁদপুরে অবস্থানরত ২ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধারা বিচ্ছিন্নভাবে হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে হামলা চালান। হামলা দেখে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীরা এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়তে শুরু করে।সেসময় কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা মারাত্মক আহত হন।

যুদ্ধ শুরু থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানের দোসররা কত লোককে হত্যা করেছে তার কোনো ইয়ত্তা নেই। ভারতীয় গার্ডস রেজিমেন্টের নেতৃত্বে ৩১১তম মাউন্টেন ব্রিগেড ও ইস্টার্ন সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধাদের যৌথ আক্রমণ চালায়। দিশেহারা হয়ে  পাকিস্তান ৩৯ অস্থায়ী ডিভিশনের কমান্ডিং অফিসার মেজর জেনারেল রহিম খানের নেতৃত্বে দুইটি জাহাজে করে নৌ-পথে ঢাকার উদ্দেশ্যে চাঁদপুর থেকে পালিয়ে যায়। এ সময় মুক্তি বাহিনী, মিত্র বাহিনীর ট্যাংক ও বিমান আক্রমণে তাদের চির কবর রচনা হয় নদীতে।সেই থেকে মুক্ত দিবস প্রতিবছরই নানা আয়োজনে পালিত হয়ে আসছে।

৮ ডিসেম্বর চাঁদপুরে মহান মুক্তিযুদ্ধের অনেক স্মৃতি আছে। যেসব স্মৃতি এই দিনটি আসলে আমাদের মনে পড়ে। এদিন আমরা সকলে মিলে চাঁদপুরকে মুক্ত করি এবং জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে মিছিল করেন মুক্তি কামী ব্যক্তিরা। পরবর্তীতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি রক্ষার্থে চাঁদপুর পৌরসভা ও জেলা প্রশাসন শহরে বদ্ধভূমি,‘রক্তধারা, ‘মুক্তিসৌধ,স্মৃতিসৌধ ‘অঙ্গীকার, শহীদদের নাম সম্বলিত স্মৃতিফলকসহ পৌরসভার রাস্তার মোড়ে ‘শপথ চত্বর’নির্মাণ করা হয়।

চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার
যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা লে: এমএ ওয়াদুদ (অব:)বলেন ,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আহবানে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রিয় মাতৃভূমিকে স্বাধীন করতে সক্ষম হই। চাঁদপুর মুক্ত হয় ৮ ডিসেম্বর। এই দিনটিকে আমরা স্মরণ করে রাখার জন্য চেষ্টা করি।  প্রতিবছর এই দিবসে চাঁদপুরে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার আয়োজন করা হয়। বর্তমানে ৩২ তম বিজয় মেলা মাসব্যাপী আজ থেকে শুরু হচ্ছে।

এমএসএম / এমএসএম

তরুণরা চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হতে হবে, ইসমাইল জবিউল্লাহ

বরগুনায় জি,টিভির প্রাইভেটকারও ইজিবাইকের সংঘর্ষে নিহত -২

পর্যটন ও পরিবেশ সুরক্ষায় কুয়াকাটায় তারুণ্যের উৎসব

পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নাই,চাল আসবাবপত্র সব পুড়ে ছাই

শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে শালিখা থানা পুলিশের মোটরসাইকেল মহড়া

চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন উন্নয়ন প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের অধিগ্রহণের চেক বিতরণ

এসি বাস চালু হতেই ফের বাধা, বাঁশখালীতে আটকে দেওয়া হলো এসআর পরিবহনের দুই এসি বাস

কুমিল্লা কবি পরিষদের দাউদকান্দি শাখার সভাপতি আমিনুল হক, সাধারণ সম্পাদক শাকিল সরকার

সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

গোপালগঞ্জে সাইফুর রহমান নান্টুর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজার জেলা ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

নড়াইলে প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণে নড়াগাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাথে বৈষম্যের অভিযোগ